রংপুর    রোববার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬
জুফাস নিউজ

অসময়ে তরমুজ চাষে লাভবান পীরগঞ্জের চাষিরা

অসময়ে তরমুজ চাষে লাভবান পীরগঞ্জের চাষিরা
ছবি: জুফাস নিউজ

প্রচলিত ধারণাকে পাল্টে দিয়ে ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে দিন দিন বাড়ছে অসময়ে তরমুজ চাষ। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবার ফলনও হয়েছে ভালো। ভালো দাম পাওয়ায় খুশি চাষিরাও। লাভজনক এই ফসল আবাদ করতে কৃষকদের উৎসাহিত করছেন কৃষি বিভাগ।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, তরমুজ সাধারণত জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত চাষ করা হয়। তবে আধুনিক কৃষিপ্রযুক্তি ও পরিবর্তিত আবহাওয়ার সঙ্গে খাপ খাইয়ে পীরগঞ্জে আগস্ট থেকে অক্টোবর পর্যন্ত অসময়ে তরমুজ চাষ করছেন কৃষকেরা। গত বছর উপজেলায় প্রায় ১০০ একর জমিতে তরমুজ চাষ হয়েছিল। এবার তা বেড়ে প্রায় ১৫০ একরে দাঁড়িয়েছে।

সরেজমিনে উপজেলার দানাজপুরের গণেশ ফার্মসহ বিভিন্ন এলাকায় দেখা যায়, বিস্তীর্ণ জমিতে তরমুজের চাষ হয়েছে। ক্ষেতজুড়ে ফলন ধরা তরমুজ। পাইকারেরা ক্ষেত থেকেই তরমুজ কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। কৃষকেরাও ব্যস্ত ফলন সংগ্রহ ও বিক্রিতে।

গণেশ ফার্মে প্রায় ছয় বিঘা জমিতে তরমুজ চাষ করেছেন কৃষক আব্দুল কাদের। তিনি বলেন, এবার ফলন ভালো হয়েছে। পাইকারেরা ক্ষেত থেকেই তরমুজ কিনে নিচ্ছেন। বর্তমানে প্রতি কেজি তরমুজ প্রায় ৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

চাষিরা জানান, এক বিঘা জমিতে তরমুজ চাষে খরচ হয় ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা। ফলন ও বাজারদর ভালো থাকলে এক বিঘা জমির তরমুজ এক লাখ থেকে দেড় লাখ টাকা পর্যন্ত বিক্রি করা যায়। চাষের প্রায় দুই মাসের মধ্যেই ফলন পাওয়া যায়। আবার ক্ষেত থেকেই পাইকারেরা তরমুজ কিনে নেওয়ায় বাজারজাতের ঝামেলাও কম।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নাজমুল হাসান বলেন, পীরগঞ্জের মাটি ও আবহাওয়া তরমুজ চাষের উপযোগী। অসময়েও ভালো ফলন ও স্বাদ পাওয়া যাচ্ছে। এ কারণে কৃষকদের এ চাষে উৎসাহিত করা হচ্ছে। তবে অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত হলে ফসল নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

বিষয় : ঠাকুরগাঁও সংবাদ পীরগঞ্জ কৃষি

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
জুফাস নিউজ

রোববার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬


অসময়ে তরমুজ চাষে লাভবান পীরগঞ্জের চাষিরা

প্রকাশের তারিখ : ০৪ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

প্রচলিত ধারণাকে পাল্টে দিয়ে ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে দিন দিন বাড়ছে অসময়ে তরমুজ চাষ। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবার ফলনও হয়েছে ভালো। ভালো দাম পাওয়ায় খুশি চাষিরাও। লাভজনক এই ফসল আবাদ করতে কৃষকদের উৎসাহিত করছেন কৃষি বিভাগ।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, তরমুজ সাধারণত জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত চাষ করা হয়। তবে আধুনিক কৃষিপ্রযুক্তি ও পরিবর্তিত আবহাওয়ার সঙ্গে খাপ খাইয়ে পীরগঞ্জে আগস্ট থেকে অক্টোবর পর্যন্ত অসময়ে তরমুজ চাষ করছেন কৃষকেরা। গত বছর উপজেলায় প্রায় ১০০ একর জমিতে তরমুজ চাষ হয়েছিল। এবার তা বেড়ে প্রায় ১৫০ একরে দাঁড়িয়েছে।

সরেজমিনে উপজেলার দানাজপুরের গণেশ ফার্মসহ বিভিন্ন এলাকায় দেখা যায়, বিস্তীর্ণ জমিতে তরমুজের চাষ হয়েছে। ক্ষেতজুড়ে ফলন ধরা তরমুজ। পাইকারেরা ক্ষেত থেকেই তরমুজ কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। কৃষকেরাও ব্যস্ত ফলন সংগ্রহ ও বিক্রিতে।

গণেশ ফার্মে প্রায় ছয় বিঘা জমিতে তরমুজ চাষ করেছেন কৃষক আব্দুল কাদের। তিনি বলেন, এবার ফলন ভালো হয়েছে। পাইকারেরা ক্ষেত থেকেই তরমুজ কিনে নিচ্ছেন। বর্তমানে প্রতি কেজি তরমুজ প্রায় ৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

চাষিরা জানান, এক বিঘা জমিতে তরমুজ চাষে খরচ হয় ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা। ফলন ও বাজারদর ভালো থাকলে এক বিঘা জমির তরমুজ এক লাখ থেকে দেড় লাখ টাকা পর্যন্ত বিক্রি করা যায়। চাষের প্রায় দুই মাসের মধ্যেই ফলন পাওয়া যায়। আবার ক্ষেত থেকেই পাইকারেরা তরমুজ কিনে নেওয়ায় বাজারজাতের ঝামেলাও কম।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নাজমুল হাসান বলেন, পীরগঞ্জের মাটি ও আবহাওয়া তরমুজ চাষের উপযোগী। অসময়েও ভালো ফলন ও স্বাদ পাওয়া যাচ্ছে। এ কারণে কৃষকদের এ চাষে উৎসাহিত করা হচ্ছে। তবে অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত হলে ফসল নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।


জুফাস নিউজ

সম্পাদক ও প্রকাশক: খাদেমুল বাশার রিফাত


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত জুফাস নিউজ