ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার ৭ নম্বর আমজানখোর ইউনিয়নের কাশিবাড়ি গ্রামে ৬৬ শতক জমির ধানের চারা নষ্ট হওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে অভিযোগ উঠেছে। কৃষক রুবেলের দাবি, জমিতে কীটনাশক প্রয়োগের কারণে ধানের চারাগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ঘটনায় তিনি কয়েকজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন, যাদের সঙ্গে তার আগে থেকেই জমি নিয়ে বিরোধ রয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
কৃষক রুবেলের ভাষ্য, কাশিবাড়ি গ্রামে তার ৬৬ শতক জমিতে ধানের চারা রোপণ করা হয়েছিল। নিয়মিত পরিচর্যার পর জমির চারা ভালোভাবেই বেড়ে উঠছিল। তবে পরবর্তীতে তিনি জমির ধানের চারায় ক্ষতির বিষয়টি দেখতে পান।
তার ধারণা, জমিতে কীটনাশক প্রয়োগের কারণেই ধানের চারাগুলো নষ্ট হয়ে থাকতে পারে। এ ঘটনার সঙ্গে জমি নিয়ে পূর্ববিরোধ থাকা ব্যক্তিদের সম্পৃক্ততা থাকতে পারে বলে তিনি অভিযোগ করেছেন। তবে তার এই অভিযোগের পক্ষে কোনো তদন্ত প্রতিবেদন বা প্রমাণের বিষয় এখনো জানা যায়নি।
রুবেল বলেন, “যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছি, তাদের সঙ্গে আগে থেকেই জমি নিয়ে বিরোধ রয়েছে। ধানের চারা নষ্ট হওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে আমার সন্দেহ হয়েছে। আমি চাই, সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা বের হয়ে আসুক।”
এদিকে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে, তারা কৃষক রুবেলের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাদের বক্তব্য, জমি নিয়ে বিরোধ থাকলেও তারা ধানের চারা নষ্ট করার সঙ্গে জড়িত নন। তারা দাবি করেন, অন্য কেউ এ ঘটনা ঘটিয়ে থাকতে পারেন।
অভিযুক্তদের একজন বলেন, “আমরা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত নই। আমাদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করা হয়েছে, তা সঠিক নয়। বিষয়টি তদন্ত করা হলে প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে।”
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কৃষক রুবেলের সঙ্গে অভিযুক্তদের জমি নিয়ে পূর্ববিরোধ রয়েছে। তবে ওই বিরোধের সঙ্গে ধানের চারা নষ্ট হওয়ার ঘটনার সরাসরি কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়।
ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে জমির ক্ষতির বিষয়টি যাচাই, কী কারণে ধানের চারা নষ্ট হয়েছে তা নির্ধারণ এবং অভিযোগের সত্যতা তদন্ত করা প্রয়োজন বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
এ ঘটনায় কৃষক রুবেল ক্ষতিগ্রস্ত জমির বিষয়ে তদন্ত এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন। অন্যদিকে অভিযুক্তরাও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের দাবি করেছেন।
তবে তদন্তের মাধ্যমে অভিযোগের সত্যতা বা ঘটনার সঙ্গে কারও সম্পৃক্ততা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত কাউকে দায়ী করা যাচ্ছে না।
বিষয় : বালিয়াডাঙ্গীর খবর ঠাকুরগাঁও সংবাদ

শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ অক্টোবর ২০২৬
ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার ৭ নম্বর আমজানখোর ইউনিয়নের কাশিবাড়ি গ্রামে ৬৬ শতক জমির ধানের চারা নষ্ট হওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে অভিযোগ উঠেছে। কৃষক রুবেলের দাবি, জমিতে কীটনাশক প্রয়োগের কারণে ধানের চারাগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ঘটনায় তিনি কয়েকজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন, যাদের সঙ্গে তার আগে থেকেই জমি নিয়ে বিরোধ রয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
কৃষক রুবেলের ভাষ্য, কাশিবাড়ি গ্রামে তার ৬৬ শতক জমিতে ধানের চারা রোপণ করা হয়েছিল। নিয়মিত পরিচর্যার পর জমির চারা ভালোভাবেই বেড়ে উঠছিল। তবে পরবর্তীতে তিনি জমির ধানের চারায় ক্ষতির বিষয়টি দেখতে পান।
তার ধারণা, জমিতে কীটনাশক প্রয়োগের কারণেই ধানের চারাগুলো নষ্ট হয়ে থাকতে পারে। এ ঘটনার সঙ্গে জমি নিয়ে পূর্ববিরোধ থাকা ব্যক্তিদের সম্পৃক্ততা থাকতে পারে বলে তিনি অভিযোগ করেছেন। তবে তার এই অভিযোগের পক্ষে কোনো তদন্ত প্রতিবেদন বা প্রমাণের বিষয় এখনো জানা যায়নি।
রুবেল বলেন, “যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছি, তাদের সঙ্গে আগে থেকেই জমি নিয়ে বিরোধ রয়েছে। ধানের চারা নষ্ট হওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে আমার সন্দেহ হয়েছে। আমি চাই, সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা বের হয়ে আসুক।”
এদিকে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে, তারা কৃষক রুবেলের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাদের বক্তব্য, জমি নিয়ে বিরোধ থাকলেও তারা ধানের চারা নষ্ট করার সঙ্গে জড়িত নন। তারা দাবি করেন, অন্য কেউ এ ঘটনা ঘটিয়ে থাকতে পারেন।
অভিযুক্তদের একজন বলেন, “আমরা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত নই। আমাদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করা হয়েছে, তা সঠিক নয়। বিষয়টি তদন্ত করা হলে প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে।”
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কৃষক রুবেলের সঙ্গে অভিযুক্তদের জমি নিয়ে পূর্ববিরোধ রয়েছে। তবে ওই বিরোধের সঙ্গে ধানের চারা নষ্ট হওয়ার ঘটনার সরাসরি কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়।
ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে জমির ক্ষতির বিষয়টি যাচাই, কী কারণে ধানের চারা নষ্ট হয়েছে তা নির্ধারণ এবং অভিযোগের সত্যতা তদন্ত করা প্রয়োজন বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
এ ঘটনায় কৃষক রুবেল ক্ষতিগ্রস্ত জমির বিষয়ে তদন্ত এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন। অন্যদিকে অভিযুক্তরাও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের দাবি করেছেন।
তবে তদন্তের মাধ্যমে অভিযোগের সত্যতা বা ঘটনার সঙ্গে কারও সম্পৃক্ততা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত কাউকে দায়ী করা যাচ্ছে না।

আপনার মতামত লিখুন