নীলফামারীর ডোমার উপজেলায় ছেলের দ্বিতীয় বিয়েকে কেন্দ্র করে নুরুজ্জামান (৬০) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (২ অক্টোবর) ভোরে উপজেলার হরিণচড়া ইউনিয়নের শেওটগাড়ী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত নুরুজ্জামান ওই গ্রামের মৃত বাচ্চা মামুদের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নুরুজ্জামানের ছেলে ফরিদুল সম্প্রতি পরিবারের অগোচরে দ্বিতীয় বিয়ে করেন। বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হওয়ার পর বাবা নুরুজ্জামান বিষয়টি মেনে নিতে পারছিলেন না বলে স্থানীয়দের ভাষ্য। এ নিয়ে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন বলেও জানান তারা।
এরই মধ্যে শুক্রবার ভোরে বাড়ির পাশের একটি বাঁশঝাড়ে নুরুজ্জামানকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান স্থানীয়রা। পরে খবর দেওয়া হয় পুলিশকে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে।
ডোমার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবিবুল্লাহ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
ঘটনাটি ছড়িয়ে পড়লে শেওটগাড়ী গ্রামজুড়ে শোকের আবহ তৈরি হয়। তবে নুরুজ্জামানের মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে পুলিশ বা পরিবারের পক্ষ থেকে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
বিষয় : নীলফামারী ডোমারের খবর

শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ অক্টোবর ২০২৬
নীলফামারীর ডোমার উপজেলায় ছেলের দ্বিতীয় বিয়েকে কেন্দ্র করে নুরুজ্জামান (৬০) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (২ অক্টোবর) ভোরে উপজেলার হরিণচড়া ইউনিয়নের শেওটগাড়ী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত নুরুজ্জামান ওই গ্রামের মৃত বাচ্চা মামুদের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নুরুজ্জামানের ছেলে ফরিদুল সম্প্রতি পরিবারের অগোচরে দ্বিতীয় বিয়ে করেন। বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হওয়ার পর বাবা নুরুজ্জামান বিষয়টি মেনে নিতে পারছিলেন না বলে স্থানীয়দের ভাষ্য। এ নিয়ে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন বলেও জানান তারা।
এরই মধ্যে শুক্রবার ভোরে বাড়ির পাশের একটি বাঁশঝাড়ে নুরুজ্জামানকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান স্থানীয়রা। পরে খবর দেওয়া হয় পুলিশকে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে।
ডোমার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবিবুল্লাহ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
ঘটনাটি ছড়িয়ে পড়লে শেওটগাড়ী গ্রামজুড়ে শোকের আবহ তৈরি হয়। তবে নুরুজ্জামানের মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে পুলিশ বা পরিবারের পক্ষ থেকে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।

আপনার মতামত লিখুন