রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ (রমেক) নগরীর বহু বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও বহুতল বাণিজ্যিক ভবনে নেই পর্যাপ্ত অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা। ফলে রোগী, চিকিৎসক, শিক্ষার্থী ও ব্যবসায়ীসহ সাধারণ মানুষের জীবন চরম ঝুঁকিতে রয়েছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় আগামী সপ্তাহ থেকে হাসপাতালগুলো পরিদর্শনে নেমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।
গত বৃহস্পতিবার সকালে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পাঁচতলা ভবনের নিচতলায় বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে হঠাৎ আগুন লাগে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে আগুন লাগার পর তীব্র ধোঁয়া ও আতঙ্কে দ্রুত ভবন থেকে বের হতে গিয়ে কয়েকজন আহত হন। অগ্নিকাণ্ডের পর হাসপাতালে প্রায় ছয় ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ থাকে, এতে চরম দুর্ভোগে পড়েন চিকিৎসাধীন রোগীরা।
এ ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আশিকুর রহমান জানান, অগ্নিকাণ্ডের বিষয়ে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়নি।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, রংপুর নগরীতে শতাধিক হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার রয়েছে, যার মধ্যে ১৫ থেকে ২০টি ভবনই বহুতল। শুধু হাসপাতালই নয়—নর্থ ভিউ, ক্যাসপিয়া, গোল্ডেন টাওয়ার, স্কাই ভিউ ও গ্র্যান্ড প্যালেসের মতো প্রধান প্রধান বাণিজ্যিক ভবন, মার্কেট এবং বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও রয়েছে তীব্র অগ্নিনিরাপত্তা ঘাটতি।
অধিকাংশ ভবনেই অনুপস্থিত:
এ প্রসঙ্গে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স রংপুরের উপপরিচালক আনোয়ারুল হক বলেন, “রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ নগরীর অধিকাংশ হাসপাতালেই পর্যাপ্ত অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা নেই। ঝুঁকি এড়াতে আগামী সপ্তাহ থেকেই আমরা হাসপাতালগুলো সরেজমিনে পরিদর্শন শুরু করব এবং নিয়ম অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করব।”
বিষয় : রংপুরের খবর

সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ অক্টোবর ২০২৬
রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ (রমেক) নগরীর বহু বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও বহুতল বাণিজ্যিক ভবনে নেই পর্যাপ্ত অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা। ফলে রোগী, চিকিৎসক, শিক্ষার্থী ও ব্যবসায়ীসহ সাধারণ মানুষের জীবন চরম ঝুঁকিতে রয়েছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় আগামী সপ্তাহ থেকে হাসপাতালগুলো পরিদর্শনে নেমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।
গত বৃহস্পতিবার সকালে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পাঁচতলা ভবনের নিচতলায় বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে হঠাৎ আগুন লাগে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে আগুন লাগার পর তীব্র ধোঁয়া ও আতঙ্কে দ্রুত ভবন থেকে বের হতে গিয়ে কয়েকজন আহত হন। অগ্নিকাণ্ডের পর হাসপাতালে প্রায় ছয় ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ থাকে, এতে চরম দুর্ভোগে পড়েন চিকিৎসাধীন রোগীরা।
এ ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আশিকুর রহমান জানান, অগ্নিকাণ্ডের বিষয়ে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়নি।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, রংপুর নগরীতে শতাধিক হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার রয়েছে, যার মধ্যে ১৫ থেকে ২০টি ভবনই বহুতল। শুধু হাসপাতালই নয়—নর্থ ভিউ, ক্যাসপিয়া, গোল্ডেন টাওয়ার, স্কাই ভিউ ও গ্র্যান্ড প্যালেসের মতো প্রধান প্রধান বাণিজ্যিক ভবন, মার্কেট এবং বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও রয়েছে তীব্র অগ্নিনিরাপত্তা ঘাটতি।
অধিকাংশ ভবনেই অনুপস্থিত:
এ প্রসঙ্গে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স রংপুরের উপপরিচালক আনোয়ারুল হক বলেন, “রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ নগরীর অধিকাংশ হাসপাতালেই পর্যাপ্ত অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা নেই। ঝুঁকি এড়াতে আগামী সপ্তাহ থেকেই আমরা হাসপাতালগুলো সরেজমিনে পরিদর্শন শুরু করব এবং নিয়ম অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করব।”

আপনার মতামত লিখুন