রংপুর    মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬
জুফাস নিউজ

আর্কাইভ দেখুন

মুক্তি পেল উত্তরবঙ্গের তরুণ শিল্পী জনির ‘তোমায় ছাড়া বাঁচে না জীবন’

মুক্তি পেল উত্তরবঙ্গের তরুণ শিল্পী জনির ‘তোমায় ছাড়া বাঁচে না জীবন’

উত্তরবঙ্গের তরুণ ও উদীয়মান সংগীতশিল্পী জনির কণ্ঠে প্রকাশ পেল নতুন আবেগঘন একক গান ‘তোমায় ছাড়া বাঁচে না জীবন’। প্রেম, বিরহ ও হৃদয়ের গভীর অনুভূতির গল্প নিয়ে তৈরি এই গানটি প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ‘নকশা মাল্টিমিডিয়া’ (Naksha Multimedia)-র ব্যানারে আনুষ্ঠানিকভাবে মুক্তি পেয়েছে।গানটির সুর ও কথা রচনা করেছেন অধ্যক্ষ খোরশেদ আলম। বর্তমান সময়ের জনপ্রিয় সংগীত পরিচালক ও আয়োজক হৃদয় জেজে গানটির সুবিন্যস্ত কম্পোজিশন ও সংগীত আয়োজন করেছেন।গানটির কথা ও সুরের সাথে সঙ্গতি রেখে একটি দৃষ্টিনন্দন ও সিনেম্যাটিক মিউজিক ভিডিও নির্মাণ করা হয়েছে। মিউজিক ভিডিওতে অভিনয় করেছেন জনি ও অপু। এটি পরিচালনা করেছেন অনিক দাস, যিনি একাধারে গানটির চিত্রগ্রহণ (DOP), সম্পাদনা ও কালার গ্রেডিংয়ের কাজও সামলেছেন। এতে সহকারী চিত্রগ্রাহক হিসেবে ছিলেন রিয়াদ।নতুন এই সৃষ্টি নিয়ে উচ্ছ্বসিত তরুণ শিল্পী জনি বলেন:"‘তোমায় ছাড়া বাঁচে না জীবন’ গানটি আমার মিউজিক্যাল ক্যারিয়ারের জন্য অত্যন্ত বিশেষ একটি কাজ। আমি আমার সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও সাধনা দিয়ে গানটি গাওয়ার চেষ্টা করেছি। শ্রোতাদের ভালোবাসাই হবে আমার সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। সংগীতপ্রেমী সবাইকে গানটি শোনার ও দেখার জন্য বিনীত আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।"প্রযোজনা সংস্থা ও নির্মাণ দলের আশা, চমৎকার কথা, সুর এবং উন্নত মানের চিত্রায়ণের মেলবন্ধনে নির্মিত এই গানটি শুধু তরুণ প্রজন্মই নয়, সব বয়সের শ্রোতাদের হৃদয়ে স্থান করে নেবে।গানটি নকশা মাল্টিমিডিয়ার অফিশিয়াল ইউটিউব চ্যানেলসহ দেশের বিভিন্ন ডিজিটাল মিউজিক প্ল্যাটফর্মে একযোগে উপভোগ করা যাচ্ছে।


১৫ আগস্ট—ইসলামী শিক্ষা দিবস

১৫ আগস্ট—ইসলামী শিক্ষা দিবস

ইসলামী শিক্ষা, নৈতিকতা ও আদর্শের আলোকে তরুণ প্রজন্মকে গড়ে তোলার প্রত্যয়ে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা শাখার উদ্যোগে যথাযোগ্য মর্যাদায় ইসলামী শিক্ষা দিবস উপলক্ষে বক্তৃতা প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।অনুষ্ঠানে বক্তারা ইসলামী শিক্ষার গুরুত্ব, নৈতিক মূল্যবোধ, আদর্শিক জীবনযাপন এবং তরুণ প্রজন্মকে সৎ, যোগ্য ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মোঃ আনিস আহমেদ, সভাপতি, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, ঠাকুরগাঁও জেলা শাখা।এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম, আমির, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা শাখা।বক্তৃতা প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা ইসলামী শিক্ষা, নৈতিকতা, আদর্শ, মানবিকতা ও সমাজ গঠনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে বক্তব্য উপস্থাপন করেন। প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার ও সনদ বিতরণ করা হয়।ইসলামী শিক্ষা মানুষের জীবনে সত্য, ন্যায়, সততা, শৃঙ্খলা, দায়িত্ববোধ ও মানবিকতার শিক্ষা প্রদান করে। তাই ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজজীবনে নৈতিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় ইসলামী শিক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম।আজকের তরুণরাই আগামী দিনের সমাজ ও রাষ্ট্রের নেতৃত্ব দেবে। তাই তাদের জ্ঞান ও দক্ষতার পাশাপাশি নৈতিকতা, মানবিকতা এবং আদর্শিক মূল্যবোধে সমৃদ্ধ করে গড়ে তোলা সময়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দাবি।আসুন, ইসলামী শিক্ষার আলোয় নিজেদের জীবনকে আলোকিত করি এবং জ্ঞান, নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধের ভিত্তিতে একটি সুন্দর, শান্তিপূর্ণ ও আদর্শ সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখি।ইসলামী শিক্ষা হোক জীবনের পথচলার আলো।জ্ঞান হোক শক্তি, নৈতিকতা হোক জীবনের সৌন্দর্য, আর আদর্শ হোক পথচলার দিশা। 


‘আপসহীন নেত্রী’ বেগম জিয়ার জন্মদিন আজ

‘আপসহীন নেত্রী’ বেগম জিয়ার জন্মদিন আজ

প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন আজ। ১৯৪৫ সালের ১৫ আগস্ট দিনাজপুরে জন্ম নেওয়া এই রাজনীতিকের জন্মদিন উপলক্ষে সারা দেশে দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করেছে বিএনপি।শুক্রবার (১৪ আগস্ট) দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে কর্মসূচির কথা জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দেশের বিভিন্ন স্থানে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে দলীয় কার্যালয় কিংবা মসজিদে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।ঢাকায় কেন্দ্রীয় কর্মসূচি হবে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে। সেখানে বেলা ১১টায় দোয়া ও মিলাদ মাহফিল আয়োজন করা হয়েছে। কর্মসূচি যথাযথ মর্যাদায় পালনের জন্য দলের নেতা-কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বিএনপি।খালেদা জিয়ার পারিবারিক নাম খালেদা খানম এবং ডাকনাম পুতুল। তার বাবা ইস্কান্দার মজুমদারের বাড়ি ফেনীতে হলেও শৈশবের একটি সময় তিনি জলপাইগুড়িতে আত্মীয়ের বাড়িতে থেকে পড়াশোনা করেন। পরে পরিবারসহ দিনাজপুরে বসবাস শুরু করেন। সেখানে মিশনারি স্কুল ও দিনাজপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন তিনি।১৯৬০ সালে তৎকালীন পাকিস্তান সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা জিয়াউর রহমানের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। মুক্তিযুদ্ধের সময় জিয়াউর রহমান চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করেন। স্বাধীনতার পর ১৯৭৮ সালে তার নেতৃত্বে বিএনপি প্রতিষ্ঠিত হয়।১৯৮১ সালে চট্টগ্রামে এক ব্যর্থ সামরিক অভ্যুত্থানের সময় জিয়াউর রহমান নিহত হলে বিএনপির নেতৃত্বে আসেন খালেদা জিয়া। এরপর ধীরে ধীরে দেশের রাজনীতিতে তার প্রভাব বাড়তে থাকে।১৯৮৩ সালে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি কয়েকটি রাজনৈতিক দলকে নিয়ে জোট গঠন করে তৎকালীন এরশাদ সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করে। দীর্ঘ আন্দোলনে তার নেতৃত্বের কারণে ‘আপসহীন নেত্রী’ হিসেবে পরিচিতি পান তিনি।১৯৯০ সালে এরশাদ সরকারের পতনের পর ১৯৯১ সালের জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি জয়ী হলে বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন খালেদা জিয়া। পরবর্তী সময়ে আরও দুই দফায় সরকারপ্রধানের দায়িত্ব পালন করেন তিনি।রাজনৈতিক জীবনের শেষ পর্যায়ে মামলা, কারাবাস ও শারীরিক অসুস্থতার কারণে দীর্ঘ সময় নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে যেতে হয় খালেদা জিয়াকে। ওয়ান-ইলেভেনের পর সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ও তিনি কারাবন্দী ছিলেন। পরে ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি দুর্নীতির মামলায় তাকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।এরপর দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন তিনি। দেশে ও বিদেশে চিকিৎসাও নিয়েছেন। শেষ পর্যন্ত চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ৩০ ডিসেম্বর তাঁর মৃত্যু হয়।মৃত্যুর আগ পর্যন্ত বিএনপির চেয়ারপারসন ছিলেন খালেদা জিয়া। তার মৃত্যুর পর দলের নেতৃত্বে রয়েছেন তার জ্যেষ্ঠ ছেলে তারেক রহমান। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর তিনি সরকারপ্রধানের দায়িত্ব নিয়েছেন।


লাশ দাহ করতে যাচ্ছিলেন স্বজনরা, পথে সাপ দেখে শুরু হলো ‘ঝাড়ফুঁক’

লাশ দাহ করতে যাচ্ছিলেন স্বজনরা, পথে সাপ দেখে শুরু হলো ‘ঝাড়ফুঁক’

একদিকে স্বজন হারানোর তীব্র শোক, অন্যদিকে অলৌকিক কোনো ঘটনার জন্য ব্যাকুল অপেক্ষা! নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে সাপের কামড়ে মারা যাওয়া তরুণ সাপুড়ে বিজয় রায়ের (২০) মরদেহ যখন শ্মশানে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি চলছিল, ঠিক তখনই ঘটল এক অদ্ভুত কাণ্ড। পথিমধ্যে হঠাৎ একটি জীবন্ত বিষধর সাপ দেখে স্বজনদের মনে জেগে ওঠে এক অলৌকিক আশা—"এই সাপই কি ফিরিয়ে দেবে বিজয়ের প্রাণ?"সেই অবাস্তব বিশ্বাস থেকে লাশ সৎকারের বদলে পুনরায় বাড়িতে ফিরিয়ে এনে ৮-১০ জন ওঝা ডেকে চলে তান্ত্রিক ঝাড়ফুঁকের কসরত।উপজেলার বড়ভিটা ইউনিয়নের জুরাবান্ধা মালিপাড়া এলাকার বিপুল রায়ের ছেলে বিজয় রায় পেশায় ছিলেন সাপুড়ে। গত ৭ আগস্ট রাতে একটি মেলায় সাপের খেলা দেখানোর সময় নিজের পোষা সাপের কামড়ে গুরুতর আহত হন তিনি। প্রথমে স্থানীয় হাসপাতাল ও পরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এক সপ্তাহ ধরে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে গত বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) রাতে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।শুক্রবার ভোরে হাসপাতাল থেকে বিজয়ের মরদেহ বাড়িতে আনা হয়। সিদ্ধান্ত ছিল শেষকৃত্য শেষে ছাই তিস্তা নদীতে ভাসিয়ে দেওয়া হবে। কিন্তু লাশ বের করার মুখে বাড়ির পাশেই এক বিষধর সাপের দেখা মেলে। আর তাতেই বিভ্রান্ত হয়ে পড়ে শোকাহত পরিবারটি। স্থানীয় কুসংস্কার ও ধারণার বশবর্তী হয়ে স্বজনরা ভাবেন, ওই সাপ বিজয়ের শরীর থেকে বিষ টেনে নিয়ে তাকে বাঁচিয়ে তুলতে এসেছে।সঙ্গে সঙ্গে শ্মশানের প্রক্রিয়া স্থগিত করে লাশ ঘরে এনে শুরু হয় ওঝাদের ঝাড়ফুঁক। বিজয়ের বাবা বিপুল রায় বলেন, "ছেলেটার শেষ কৃত্য করতে যাওয়ার সময় সামনে সাপ আসল। আমাদের মনে হলো ঝাড়ফুঁক করলে ছেলে হয়তো বেঁচে উঠবে, তাই ওঝা ডেকে চেষ্টা করছি।"খবরটি ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় শত শত মানুষ ভিড় জমায়। চিকিৎসা বিজ্ঞানের নিয়ম তোড়ে ভাসিয়ে এক মৃতদেহ বাঁচানোর এই কুসংস্কারচ্ছন্ন চেষ্টা দেখতে পুরো এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ও কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়। কিশোরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল গফুর বলেন:"চিকিৎসকরা যাকে মৃত ঘোষণা করেছেন, তাকে ঝাড়ফুঁক করে বাঁচানো সম্ভব নয়। এলাকায় যাতে কোনো বিশৃঙ্খলা না হয়, সে জন্য পুলিশ পাঠানো হয়েছে। থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে।"


আজ ১৫ আগস্ট, বঙ্গবন্ধুর ৫১তম মৃত্যুবার্ষিকী

আজ ১৫ আগস্ট, বঙ্গবন্ধুর ৫১তম মৃত্যুবার্ষিকী

আজ ১৫ আগস্ট। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৫১তম মৃত্যুবার্ষিকী। ১৯৭৫ সালের এইদিন ভোরে একদল বিপথগামী সেনাসদস্য রাজধানীর ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের নিজ বাসভবনে পরিবারের অধিকাংশ সদস্যসহ তাকে নির্মমভাবে হত্যা করেন।ওই হত্যাকাণ্ডে প্রাণ হারান তৎকালীন রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবের স্ত্রী শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, তিন ছেলে- শেখ কামাল, শেখ জামাল ও শিশু শেখ রাসেল, দুই পুত্রবধূ সুলতানা কামাল ও রোজী জামাল এবং শেখ মুজিবের একমাত্র ভাই শেখ আবু নাসের।এছাড়া হত্যার শিকার হন রাষ্ট্রপতিকে বাঁচাতে ছুটে আসা তার সামরিক সচিব কর্নেল জামিল উদ্দীন, এসবির কর্মকর্তা সিদ্দিকুর রহমান ও সেনাসদস্য সৈয়দ মাহবুবুল হক।একই রাতে সেনাসদস্যদের আরেকটি দল শেখ মুজিবের ভাগনে যুবলীগ নেতা শেখ ফজলুল হক মনির বাসায় হামলা চালিয়ে তাকে ও তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী আরজু মনিকে হত্যা করে।ওই রাতেই বঙ্গবন্ধুর ভগ্নিপতি আবদুর রব সেরনিয়াবাতের বাসায় হামলা করে তাকে ও তার মেয়ে বেবি, ছেলে আরিফ সেরনিয়াবাত, নাতি সুকান্ত বাবু, ভাতিজা সজীব সেরনিয়াবাত এবং এক আত্মীয় আবদুল নঈম খানকে হত্যা করা হয়।তখন বঙ্গবন্ধুর দুই মেয়ে শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে অবস্থান করায় প্রাণে বেঁচে যান।স্বাধীনতার মাত্র সাড়ে তিন বছরের মাথায় এই হত্যাকাণ্ড বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক নতুন অধ্যায় রচনা করে। শেখ মুজিব ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের অবিসংবাদিত নেতা। তবে স্বাধীনতার পর যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ পুনর্গঠনে তাকে নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হয়।১৯৭৫ সালের শুরুতে তিনি একদলীয় শাসনব্যবস্থা ‘বাকশাল’ চালু করেন, যা বিরোধী রাজনৈতিক মহলে তীব্র সমালোচনা ও অসন্তোষের জন্ম দেয়। এ পরিস্থিতিই তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারীদের তৎপরতা বাড়িয়ে তোলে। যার চূড়ান্ত পরিণতি ঘটে ১৫ আগস্ট।পঁচাত্তরের সেই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ২১ বছর পর ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে ১৫ আগস্টকে জাতীয় শোক দিবস ও এই দিনে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়। পরে ২০০৯ থেকে টানা ১৫ বছরের আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেও দিনটি জাতীয় শোক দিবস ছিল। তবে ২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানের পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে শেখ মুজিবের মৃত্যুবার্ষিকীতে এখন আর সরকারি ছুটি নেই।


মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা প্রত্যন্ত অঞ্চলে ছড়িয়ে দিতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা প্রত্যন্ত অঞ্চলে ছড়িয়ে দিতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

মানসম্মত স্বাস্থ্য সেবায় শুধু শহরেই নয়, প্রত্যন্ত অঞ্চলেও ছুটি দিতে কাজ করছে সরকার বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।তিনি বলেন, প্রত্যন্ত অঞ্চলের একজন রোগী যাতে যেকোনো চিকিৎসার জন্য প্রচুর অর্থ ব্যয় করে রাজধানীতে আসতে না হয়; এজন্য সরকার ই-হেলথ কার্ডের মাধ্যমে একটি আধুনিক ও কার্যকর রেফারেল সিস্টেম গড়ে তোলার পাশাপাশি চিকিৎসা সুবিধা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়ার কাজ শুরু করেছে।শনিবার (১৫ আগস্ট) নিউরোসায়েন্স হাসপাতালের ৫০০ বেডের ভবন উদ্বোধন শেষে এ কথা বলেন তিনি।প্রধানমন্ত্রী বলেন, আধুনিক স্বাস্থ্যব্যবস্থার লক্ষ্য কেবল অবকাঠামো ও প্রযুক্তির সম্প্রসারণ নয় বরং উন্নত প্রযুক্তি, দক্ষ মানবসম্পদ, সুশাসন এবং সময়োপযোগী নীতির সমন্বয়ের মাধ্যমে দেশের প্রতিটি মানুষের জন্য সহজলভ্য, সাশ্রয়ী এবং মানসম্মত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করাই মূল লক্ষ্য।তিনি বলেন, দেশের সাধারণ মানুষ যেন স্বল্প খরচে বিশ্বমানের নিউরোচিকিৎসা পেতে পারেন, সেই লক্ষ্য নিয়েই এই বর্ধিত ভবন "নিউরোসায়েন্স-২" নির্মাণ করা হয়েছে। আধুনিক চিকিৎসা প্রযুক্তি, অতিরিক্ত বেড এবং দক্ষ জনবলের সমন্বয়ে গড়ে তোলা এই ব্যবস্থা দেশের হাজারো রোগীর জন্য নিঃসন্দেহে আশার আলো বয়ে আনবে।শুধু প্রযুক্তি থাকলেই একটি স্বাস্থ্যব্যবস্থা উন্নত হয় না। এর সঙ্গে মানবিকতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, প্রযুক্তি রোগ শনাক্ত করতে পারে, কিন্তু রোগীর ভয়, উদ্বেগ ও মানসিক কষ্ট বুঝে তাকে আশ্বস্ত করার ক্ষেত্রে চিকিৎসকদের মানবিক আচরণের বিকল্প নেই।চিকিৎসা সেবা এবং চিকিৎসা পরিবেশ নির্বিঘ্ন করতে সকল দায় দায়িত্ব চিকিৎসকের একক নয়। বরং আমি মনে করি, চিকিৎসক, রোগী এবং রোগীর উদ্বিগ্ন স্বজন এই তিনটি পক্ষের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা সম্মান এবং সহানুভূতির সম্পর্ক থাকা বজায় থাকা জরুরি।তারেক রহমান বলেন, চিকিৎসকরা যদি নিরাপত্তাহীনতা অনুভব করেন কিংবা রোগী এবং রোগীর স্বজনরা যদি চিকিৎসকদের উপর বিশ্বাস এবং মর্যাদার সম্পর্ক অনুভব না করেন তাহলে আমরা যতই হাসপাতালের অবকাঠামোগত উন্নয়ন করি, চিকিৎসার জন্য বিদেশমুখিতা বন্ধ করা যাবেনা।স্বাস্থ্যের অধিকার কেবল মৌলিক অধিকারই নয়, এটি একটি জাতির অর্থনৈতিক এবং সামাজিক উন্নতিরও চাবিকাঠি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন,স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য ও সবার জন্য সমানভাবে প্রাপ্য হওয়া জরুরি।উন্নত চিকিৎসা যদি শুধু শহরের বিত্তবান মানুষের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে, তাহলে সেটিকে পূর্ণাঙ্গ আধুনিক স্বাস্থ্য সেবা বলা যায় না। সুতরাং, প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষ, দরিদ্র জনগোষ্ঠী এবং প্রান্তিক মানুষের কাছেও সাশ্রয়ী ও মানসম্মত চিকিৎসা পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে বর্তমান সরকার নানামুখী পদক্ষেপ নিয়েছে।বর্তমান সরকারের মেয়াদকালেই পর্যায়ক্রমে প্রতিটি উপজেলা হাসপাতালকে ১৫১ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে উন্নীত করা হচ্ছে বলেও জানান তারেক রহমান।


বীর শহীদ আবু সাঈদের ক'ব'র জিয়ারত করলেন ব্যারিস্টার সাকিলা ফারজানা

বীর শহীদ আবু সাঈদের ক'ব'র জিয়ারত করলেন ব্যারিস্টার সাকিলা ফারজানা

রংপুরের পীরগঞ্জে বীর শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার শাকিলা ফারজানা।উপস্থিত ছিলেন পীরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদুল হাসান, উপজেলা বিএনপির সভাপতি মাহমুদুল নবী চৌধুরী পলাশ, সাধারণ সম্পাদক সহকারী অধ্যাপক জাকির হোসেনসহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা-কর্মী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।২৪-এর গণ-আন্দোলনে প্রথম আত্মত্যাগকারী শহীদ আবু সাঈদের প্রতি গভীর সম্মান প্রকাশ করে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার শাকিলা ফারজানা বলেছেন, ‘২৪-এর গণ-আন্দোলন যখন শুরু হলো, গণ-অভ্যুত্থানে প্রথম যাঁর আত্মত্যাগ, যে প্রথমে বুক পেতে দিয়েছিল পুলিশের সামনে—সে হচ্ছে আবু সাঈদ। আমি তাঁকে অনেক বেশি সম্মান করি। কেন সম্মান করি? আমি তখন যুক্তরাজ্যে রাজনৈতিক আশ্রয়ে ছিলাম। প্রথম ভিডিওটা যখন আমার চোখে পড়ে, সেখানে দেখেছি আবু সাঈদ পুলিশের সামনে বুক পেতে দিয়েছিল। ও হয়তো আশা করেছিল, বুক পেতে দিলেও পুলিশ গুলি করবে না। কিন্তু এভাবে নির্মমভাবে গুলি করা হবে, তা আবু সাঈদও চিন্তা করেনি। সেই জায়গায় তাঁর এই আত্মত্যাগ অস্বীকার করার কোনো সুযোগ নেই।’ ব্যারিস্টার শাকিলা ফারজানা আরও বলেন, ‘দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে আমরা স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছি। কিন্তু এই আন্দোলনের প্রকৃত ফল আমরা পেয়েছি আবু সাঈদের মতো শহীদদের আত্মত্যাগের মাধ্যমে। তাঁদের ভুলে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। যত দিন আমরা বেঁচে আছি, মনে রাখতে হবে—বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের বাক্‌স্বাধীনতা, কথা বলার অধিকার ও ভোটের অধিকারসহ সব মৌলিক স্বাধীনতা হরণ করা হয়েছিল। আবু সাঈদের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে এখনো এক ধরনের প্রাণের ভীতি রয়েছে, তবে সে বিষয়ে আমরা পুরোপুরি সজাগ আছি।’


গ্রেনেড বাবুর বিরুদ্ধে বহিষ্কারের রুল: নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে চাঞ্চল্য

গ্রেনেড বাবুর বিরুদ্ধে বহিষ্কারের রুল: নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে চাঞ্চল্য

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে বাজারের সরকারি খাস জমি দখল, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং ইউনিয়ন পরিষদের সরকারি অর্থ ব্যক্তিস্বার্থে আত্মসাতের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আলোচিত চেয়ারম্যান 'গ্রেনেড বাবু'র বিরুদ্ধে অ্যাকশনে নেমেছে মন্ত্রণালয়।বেসরকারি টেলিভিশন 'চ্যানেল ওয়ান'-এর বিশেষ অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের পর জেলা প্রশাসনের তদন্তে এসব অভিযোগের সত্যতা মেলে। তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় থেকে কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করা হয়েছে। চিঠিতে জানতে চাওয়া হয়েছে—স্বেচ্ছাচারিতা ও দুর্নীতির দায়ে কেন তাকে পদ থেকে চূড়ান্ত বহিষ্কার করা হবে না।আাগামী ১০ কার্যদিবসের মধ্যে নীলফামারী জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে এ নোটিশের লিখিত জবাব দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সময়মতো সন্তোষজনক জবাব দিতে ব্যর্থ হলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ বহিষ্কারাদেশ জারি করা হতে পারে বলে মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে।


বর্ণিল সাজে কারমাইকেল কলেজের প্রাণীবিদ্যা বিভাগ, নবীনবরণের প্রস্তুতি

মুক্তি পেল উত্তরবঙ্গের তরুণ শিল্পী জনির ‘তোমায় ছাড়া বাঁচে না জীবন’

জুফাস নিউজের সূত্রে তিস্তাপাড়ের বানভাসিদের পাশে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিল 'তারুণ্যের আলো সেবা সংঘ'

তারাগঞ্জে মহাসড়কের পাশ থেকে অজ্ঞাত নারীর লাশ উদ্ধার: পরিচয় শনাক্তে প্রশাসনের আকুতি

লাশ দাহ করতে যাচ্ছিলেন স্বজনরা, পথে সাপ দেখে শুরু হলো ‘ঝাড়ফুঁক’

বোদায় দেড় কোটি টাকার উন্নয়নকাজে অনিয়মের অভিযোগ, তদন্তের মুখে ইউএনও

সংবাদ প্রকাশের পর সাংবাদিককে হুমকি

ডিমলায় ঠিকাদারকে প্রাণনাশের হুমকি ও চাঁদাবাজি, এলাকায় উত্তেজনা

জলঢাকায় ৮ম শ্রেণির ছাত্রীর মর্মান্তিক মৃত্যু: নেপথ্যে বখাটেদের হামলা ও পারিবারিক নির্যাতন

১০

তারাগঞ্জে নিখোঁজের পরদিন পাটক্ষেতে মিলল ৯ বছরের শিশুর মরদেহ, শরীরে আঘাতের চিহ্ন

জনপ্রিয় সব খবর

পঞ্চগড়ে হানিট্র্যাপ চক্রের দুই সদস্য গ্রেপ্তার

পুলিশ-আসামির শার্ট নিয়ে প্রশ্ন

বালিয়াডাঙ্গীতে ডিবির অভিযানে ৩৮ বোতল ফেনসিডিলসহ নারী গ্রেপ্তার

দেশের অধিকাংশ ফিটনেসবিহীন, হেলপার থেকে ড্রাইভার হয়েছে: সড়কমন্ত্রী

অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় বিশেষ সম্মাননা পেলেন চ্যানেল ওয়ানের অপু

সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সাজে চমক, নেটিজেনদের প্রশংসা

প্রিয় মানুষকে হারিয়ে হৃদয়বিদারক পোস্ট, সামনে এলো শেষ সময়ের স্মৃতি

ঠাকুরগাঁও সীমান্তে ৫০ বিজিবির অভিযানে ফেন্সিডিল-এস্কাফ জব্দ

খেজুরের বিচি, কামড়ানো শসা আর পোড়ানো চুড়ি দেখে শনাক্ত হয় খুনি

১০

রংপুরে তালাবদ্ধ ঘর থেকে সাবেক শিক্ষকসহ একই পরিবারের ৪ জনের লাশ উদ্ধার

সর্বশেষ সব খবর

আর্কাইভ