রংপুরের পীরগঞ্জে বীর শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার শাকিলা ফারজানা।
উপস্থিত ছিলেন পীরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদুল হাসান, উপজেলা বিএনপির সভাপতি মাহমুদুল নবী চৌধুরী পলাশ, সাধারণ সম্পাদক সহকারী অধ্যাপক জাকির হোসেনসহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা-কর্মী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
২৪-এর গণ-আন্দোলনে প্রথম আত্মত্যাগকারী শহীদ আবু সাঈদের প্রতি গভীর সম্মান প্রকাশ করে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার শাকিলা ফারজানা বলেছেন, ‘২৪-এর গণ-আন্দোলন যখন শুরু হলো, গণ-অভ্যুত্থানে প্রথম যাঁর আত্মত্যাগ, যে প্রথমে বুক পেতে দিয়েছিল পুলিশের সামনে—সে হচ্ছে আবু সাঈদ। আমি তাঁকে অনেক বেশি সম্মান করি। কেন সম্মান করি? আমি তখন যুক্তরাজ্যে রাজনৈতিক আশ্রয়ে ছিলাম। প্রথম ভিডিওটা যখন আমার চোখে পড়ে, সেখানে দেখেছি আবু সাঈদ পুলিশের সামনে বুক পেতে দিয়েছিল। ও হয়তো আশা করেছিল, বুক পেতে দিলেও পুলিশ গুলি করবে না। কিন্তু এভাবে নির্মমভাবে গুলি করা হবে, তা আবু সাঈদও চিন্তা করেনি। সেই জায়গায় তাঁর এই আত্মত্যাগ অস্বীকার করার কোনো সুযোগ নেই।’
ব্যারিস্টার শাকিলা ফারজানা আরও বলেন, ‘দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে আমরা স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছি। কিন্তু এই আন্দোলনের প্রকৃত ফল আমরা পেয়েছি আবু সাঈদের মতো শহীদদের আত্মত্যাগের মাধ্যমে। তাঁদের ভুলে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। যত দিন আমরা বেঁচে আছি, মনে রাখতে হবে—বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের বাক্স্বাধীনতা, কথা বলার অধিকার ও ভোটের অধিকারসহ সব মৌলিক স্বাধীনতা হরণ করা হয়েছিল। আবু সাঈদের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে এখনো এক ধরনের প্রাণের ভীতি রয়েছে, তবে সে বিষয়ে আমরা পুরোপুরি সজাগ আছি
।’
বিষয় : রংপুরের খবর শহীদ আবু সাঈদ পীরগঞ্জ

শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ আগস্ট ২০২৬
রংপুরের পীরগঞ্জে বীর শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার শাকিলা ফারজানা।
উপস্থিত ছিলেন পীরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদুল হাসান, উপজেলা বিএনপির সভাপতি মাহমুদুল নবী চৌধুরী পলাশ, সাধারণ সম্পাদক সহকারী অধ্যাপক জাকির হোসেনসহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা-কর্মী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
২৪-এর গণ-আন্দোলনে প্রথম আত্মত্যাগকারী শহীদ আবু সাঈদের প্রতি গভীর সম্মান প্রকাশ করে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার শাকিলা ফারজানা বলেছেন, ‘২৪-এর গণ-আন্দোলন যখন শুরু হলো, গণ-অভ্যুত্থানে প্রথম যাঁর আত্মত্যাগ, যে প্রথমে বুক পেতে দিয়েছিল পুলিশের সামনে—সে হচ্ছে আবু সাঈদ। আমি তাঁকে অনেক বেশি সম্মান করি। কেন সম্মান করি? আমি তখন যুক্তরাজ্যে রাজনৈতিক আশ্রয়ে ছিলাম। প্রথম ভিডিওটা যখন আমার চোখে পড়ে, সেখানে দেখেছি আবু সাঈদ পুলিশের সামনে বুক পেতে দিয়েছিল। ও হয়তো আশা করেছিল, বুক পেতে দিলেও পুলিশ গুলি করবে না। কিন্তু এভাবে নির্মমভাবে গুলি করা হবে, তা আবু সাঈদও চিন্তা করেনি। সেই জায়গায় তাঁর এই আত্মত্যাগ অস্বীকার করার কোনো সুযোগ নেই।’
ব্যারিস্টার শাকিলা ফারজানা আরও বলেন, ‘দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে আমরা স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছি। কিন্তু এই আন্দোলনের প্রকৃত ফল আমরা পেয়েছি আবু সাঈদের মতো শহীদদের আত্মত্যাগের মাধ্যমে। তাঁদের ভুলে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। যত দিন আমরা বেঁচে আছি, মনে রাখতে হবে—বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের বাক্স্বাধীনতা, কথা বলার অধিকার ও ভোটের অধিকারসহ সব মৌলিক স্বাধীনতা হরণ করা হয়েছিল। আবু সাঈদের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে এখনো এক ধরনের প্রাণের ভীতি রয়েছে, তবে সে বিষয়ে আমরা পুরোপুরি সজাগ আছি
।’

আপনার মতামত লিখুন