সুন্দরী নারীর ফাঁদ ও অপহণের ভয় দেখিয়ে টাকা হাতিয়ে নেওয়া এক ভয়ংকর ‘হানিট্র্যাপ’ চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পঞ্চগড় সদর থানা পুলিশ। এ চক্রে জড়িত এক নারী ও তাঁর সহযোগী পুরুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
আজ সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে পঞ্চগড় সদর থানায় আয়োজিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ চাঞ্চল্যকর অভিযানের তথ্য জানানো হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—পঞ্চগড় সদর উপজেলার রাজনগর খালপাড়া এলাকার ভাড়াটিয়া মো. আবু রায়হান হৃদয় (২৪) এবং পঞ্চগড় পৌরসভার কায়েতপাড়া এলাকার তরুণী সুরাইয়া পারভীন স্বরনী (১৯)।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২৭ জুলাই পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালের মূল ফটক থেকে ৪-৫ জনের একটি সংঘবদ্ধ চক্র এক স্থানীয় ব্যবসায়ীকে জোরপূর্বক অপহরণ করে একটি অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। সেখানে তাঁকে জিম্মি করে আটকে রেখে জোরপূর্বক এক নারীর সঙ্গে অশ্লীল ভিডিও ধারণ করা হয়।
পরবর্তীতে ওই আপত্তিকর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি ও ভয়ভীতি দেখিয়ে ব্যবসায়ীর কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা লুটে নিয়ে তাঁকে ছেড়ে দেয় চক্রটি। ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী এ বিষয়ে পঞ্চগড় সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করলে মাঠে নামে পুলিশ।
মামলার পর অভিযান চালিয়ে রোববার (২৩ আগস্ট) চক্রের অন্যতম দুই মূল হোতাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পঞ্চগড় সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোখলেছুর রহমান জানান:
"গ্রেপ্তারকৃত দুজনই আদালতে ঘটনার দায় স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। এরা দীর্ঘদিন ধরে কৌশলে সাধারণ মানুষকে ফাঁদে ফেলে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছিল। চক্রের অন্যান্য সদস্যদের গ্রেপ্তারে আমাদের চিরুনি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।"
বিষয় : পঞ্চগড়ের খবর হানিট্র্যাপ

মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ আগস্ট ২০২৬
সুন্দরী নারীর ফাঁদ ও অপহণের ভয় দেখিয়ে টাকা হাতিয়ে নেওয়া এক ভয়ংকর ‘হানিট্র্যাপ’ চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পঞ্চগড় সদর থানা পুলিশ। এ চক্রে জড়িত এক নারী ও তাঁর সহযোগী পুরুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
আজ সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে পঞ্চগড় সদর থানায় আয়োজিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ চাঞ্চল্যকর অভিযানের তথ্য জানানো হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—পঞ্চগড় সদর উপজেলার রাজনগর খালপাড়া এলাকার ভাড়াটিয়া মো. আবু রায়হান হৃদয় (২৪) এবং পঞ্চগড় পৌরসভার কায়েতপাড়া এলাকার তরুণী সুরাইয়া পারভীন স্বরনী (১৯)।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২৭ জুলাই পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালের মূল ফটক থেকে ৪-৫ জনের একটি সংঘবদ্ধ চক্র এক স্থানীয় ব্যবসায়ীকে জোরপূর্বক অপহরণ করে একটি অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। সেখানে তাঁকে জিম্মি করে আটকে রেখে জোরপূর্বক এক নারীর সঙ্গে অশ্লীল ভিডিও ধারণ করা হয়।
পরবর্তীতে ওই আপত্তিকর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি ও ভয়ভীতি দেখিয়ে ব্যবসায়ীর কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা লুটে নিয়ে তাঁকে ছেড়ে দেয় চক্রটি। ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী এ বিষয়ে পঞ্চগড় সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করলে মাঠে নামে পুলিশ।
মামলার পর অভিযান চালিয়ে রোববার (২৩ আগস্ট) চক্রের অন্যতম দুই মূল হোতাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পঞ্চগড় সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোখলেছুর রহমান জানান:
"গ্রেপ্তারকৃত দুজনই আদালতে ঘটনার দায় স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। এরা দীর্ঘদিন ধরে কৌশলে সাধারণ মানুষকে ফাঁদে ফেলে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছিল। চক্রের অন্যান্য সদস্যদের গ্রেপ্তারে আমাদের চিরুনি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।"

আপনার মতামত লিখুন