ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার ২ নম্বর চাড়োল ইউনিয়নের শাহবাজপুর গ্রামে বাড়ির পাশের পুকুরে ডুবে মোস্তাকিম (৩) নামে এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (১৮ জুলাই) দুপুর আনুমানিক ১২টা ৪৫ মিনিটে এ হৃদয়বিদারক দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত মোস্তাকিম একই গ্রামের মজিবর রহমানের একমাত্র ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার দুপুরে বাড়ির আশপাশে খেলাধুলা করছিল মোস্তাকিম। একপর্যায়ে পরিবারের সবার অজান্তে বাড়ির পাশের পুকুরে পড়ে যায় সে। কিছুক্ষণ পর তাকে খুঁজতে গিয়ে পরিবারের সদস্যরা পুকুর থেকে উদ্ধার করেন এবং দ্রুত বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
হাসপাতালে পৌঁছানোর পর কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুটিকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে মৃত ঘোষণা করেন।
একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে শোকে ভেঙে পড়েছেন বাবা-মা ও স্বজনরা। শিশুটির মৃত্যুতে শাহবাজপুর গ্রামসহ আশপাশের এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
বর্ষা মৌসুমে পুকুর, খাল-বিল ও অন্যান্য জলাশয়ে পানির পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়ায় শিশুদের নিরাপত্তার বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তাদের মতে, শিশুদের প্রতি সার্বক্ষণিক নজরদারি নিশ্চিত করা গেলে এ ধরনের মর্মান্তিক দুর্ঘটনা অনেকাংশে প্রতিরোধ করা সম্ভব।
বিষয় : বালিয়াডাঙ্গীর খবর ঠাকুরগাঁও সংবাদ

শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ জুলাই ২০২৬
ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার ২ নম্বর চাড়োল ইউনিয়নের শাহবাজপুর গ্রামে বাড়ির পাশের পুকুরে ডুবে মোস্তাকিম (৩) নামে এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (১৮ জুলাই) দুপুর আনুমানিক ১২টা ৪৫ মিনিটে এ হৃদয়বিদারক দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত মোস্তাকিম একই গ্রামের মজিবর রহমানের একমাত্র ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার দুপুরে বাড়ির আশপাশে খেলাধুলা করছিল মোস্তাকিম। একপর্যায়ে পরিবারের সবার অজান্তে বাড়ির পাশের পুকুরে পড়ে যায় সে। কিছুক্ষণ পর তাকে খুঁজতে গিয়ে পরিবারের সদস্যরা পুকুর থেকে উদ্ধার করেন এবং দ্রুত বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
হাসপাতালে পৌঁছানোর পর কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুটিকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে মৃত ঘোষণা করেন।
একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে শোকে ভেঙে পড়েছেন বাবা-মা ও স্বজনরা। শিশুটির মৃত্যুতে শাহবাজপুর গ্রামসহ আশপাশের এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
বর্ষা মৌসুমে পুকুর, খাল-বিল ও অন্যান্য জলাশয়ে পানির পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়ায় শিশুদের নিরাপত্তার বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তাদের মতে, শিশুদের প্রতি সার্বক্ষণিক নজরদারি নিশ্চিত করা গেলে এ ধরনের মর্মান্তিক দুর্ঘটনা অনেকাংশে প্রতিরোধ করা সম্ভব।

আপনার মতামত লিখুন