বাংলাদেশ চা বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ বলেছেন, দেশের অন্যান্য কৃষকের মতো ক্ষুদ্র চা চাষিরাও সরকারি ভর্তুকির আওতায় সার বরাদ্দ পাবেন। একই সঙ্গে চায়ের গুণগত মান বজায় রাখা এবং অবৈধ চোরাচালান প্রতিরোধে প্রশাসনের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সকলকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
সোমবার (২০ জুলাই) বিকেলে পঞ্চগড় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ চা বোর্ডের পঞ্চগড় আঞ্চলিক কার্যালয়ের আয়োজনে এবং জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত চা শিল্পসংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
চা বোর্ড চেয়ারম্যান বলেন, একসময় পঞ্চগড়ের চায়ের গুণগত মান নিয়ে যে উদ্বেগ ছিল, তা এখন অনেকটাই কাটিয়ে ওঠা গেছে। বর্তমানে এ অঞ্চলে উন্নতমানের চা উৎপাদিত হচ্ছে এবং বাজারে এর মূল্যও বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে চায়ের অবৈধ চোরাচালান বন্ধে প্রশাসনের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
তিনি আরও জানান, ক্ষুদ্র চা চাষিদের উৎপাদন ব্যয় কমাতে সরকারি ভর্তুকির সার বরাদ্দ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে, যাতে তারা অন্যান্য কৃষকের মতো সমান সুবিধা ভোগ করতে পারেন।
জেলা প্রশাসক মোছাঃ শুকরিয়া পারভীনের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য দেন পুলিশ সুপার আবু সাইম, বাংলাদেশ চা বোর্ডের সদস্য (অর্থ ও বাণিজ্য) যুগ্মসচিব ইয়াছমিন পারভীন তিবরীজি, সদস্য (গবেষণা ও উন্নয়ন) যুগ্মসচিব মোহাম্মদ মোয়াজ্জম হোসাইন, সদস্য-সচিব (উপসচিব) মো. মমিনুর রশিদ, বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক ড. মো. ইসমাইল হোসেন, প্রকল্প উন্নয়ন ইউনিটের পরিচালক ড. এ. কে. এম. রফিকুল হক, উপসচিব মোছাম্মৎ সাবিনা ইয়াছমিন, অর্থনীতিবিদ জি. এম. আহসান হাবিব, গবেষণা কর্মকর্তা মো. নাজমুল আলম এবং বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা সেলিনা আক্তার লিপা।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ চা বোর্ডের পঞ্চগড় আঞ্চলিক কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমির হোসেন।
মতবিনিময় সভায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর কর্মকর্তা, ব্রোকার ও ওয়্যারহাউজ মালিক, বটলিফ টি ফ্যাক্টরি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ, স্মল টি গার্ডেন ওনার্স অ্যান্ড টি ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন কুরিয়ার সার্ভিসের প্রতিনিধি, ক্ষুদ্র চা চাষি এবং বাংলাদেশ চা বোর্ডের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশ নেন।
এ সময় ক্ষুদ্র চা চাষিরা প্রশিক্ষণের সুযোগ বৃদ্ধি, নিয়মিত কারিগরি সহায়তা এবং পঞ্চগড় আঞ্চলিক চা বোর্ড কার্যালয়ে জনবল বাড়ানোর দাবি জানান। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এসব বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আশ্বাস দেন।
বিষয় : পঞ্চগড়ের খবর

মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জুলাই ২০২৬
বাংলাদেশ চা বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ বলেছেন, দেশের অন্যান্য কৃষকের মতো ক্ষুদ্র চা চাষিরাও সরকারি ভর্তুকির আওতায় সার বরাদ্দ পাবেন। একই সঙ্গে চায়ের গুণগত মান বজায় রাখা এবং অবৈধ চোরাচালান প্রতিরোধে প্রশাসনের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সকলকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
সোমবার (২০ জুলাই) বিকেলে পঞ্চগড় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ চা বোর্ডের পঞ্চগড় আঞ্চলিক কার্যালয়ের আয়োজনে এবং জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত চা শিল্পসংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
চা বোর্ড চেয়ারম্যান বলেন, একসময় পঞ্চগড়ের চায়ের গুণগত মান নিয়ে যে উদ্বেগ ছিল, তা এখন অনেকটাই কাটিয়ে ওঠা গেছে। বর্তমানে এ অঞ্চলে উন্নতমানের চা উৎপাদিত হচ্ছে এবং বাজারে এর মূল্যও বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে চায়ের অবৈধ চোরাচালান বন্ধে প্রশাসনের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
তিনি আরও জানান, ক্ষুদ্র চা চাষিদের উৎপাদন ব্যয় কমাতে সরকারি ভর্তুকির সার বরাদ্দ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে, যাতে তারা অন্যান্য কৃষকের মতো সমান সুবিধা ভোগ করতে পারেন।
জেলা প্রশাসক মোছাঃ শুকরিয়া পারভীনের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য দেন পুলিশ সুপার আবু সাইম, বাংলাদেশ চা বোর্ডের সদস্য (অর্থ ও বাণিজ্য) যুগ্মসচিব ইয়াছমিন পারভীন তিবরীজি, সদস্য (গবেষণা ও উন্নয়ন) যুগ্মসচিব মোহাম্মদ মোয়াজ্জম হোসাইন, সদস্য-সচিব (উপসচিব) মো. মমিনুর রশিদ, বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক ড. মো. ইসমাইল হোসেন, প্রকল্প উন্নয়ন ইউনিটের পরিচালক ড. এ. কে. এম. রফিকুল হক, উপসচিব মোছাম্মৎ সাবিনা ইয়াছমিন, অর্থনীতিবিদ জি. এম. আহসান হাবিব, গবেষণা কর্মকর্তা মো. নাজমুল আলম এবং বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা সেলিনা আক্তার লিপা।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ চা বোর্ডের পঞ্চগড় আঞ্চলিক কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমির হোসেন।
মতবিনিময় সভায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর কর্মকর্তা, ব্রোকার ও ওয়্যারহাউজ মালিক, বটলিফ টি ফ্যাক্টরি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ, স্মল টি গার্ডেন ওনার্স অ্যান্ড টি ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন কুরিয়ার সার্ভিসের প্রতিনিধি, ক্ষুদ্র চা চাষি এবং বাংলাদেশ চা বোর্ডের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশ নেন।
এ সময় ক্ষুদ্র চা চাষিরা প্রশিক্ষণের সুযোগ বৃদ্ধি, নিয়মিত কারিগরি সহায়তা এবং পঞ্চগড় আঞ্চলিক চা বোর্ড কার্যালয়ে জনবল বাড়ানোর দাবি জানান। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এসব বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আশ্বাস দেন।

আপনার মতামত লিখুন