শিশুদের স্বাস্থ্যের জন্য চরম হুমকি হয়ে ওঠা নকল ও নিম্নমানের আইসক্রিম তৈরির এক অবৈধ কারখানার সন্ধান মিলেছে রংপুরের তারাগঞ্জে। সরকারি কোনো ধরনের অনুমোদন ও মাননিয়ন্ত্রণ ছাড়া অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ক্ষতিকর আইসক্রিম উৎপাদন ও বিক্রির দায়ে এক ব্যবসায়ীকে দণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
আজ সোমবার (১৭ আগস্ট) দুপুর ১টার দিকে উপজেলার থানা পাড়া এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় কারখানার মালিক সোহেল পাটোয়ারীকে (৩২) ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। তিনি স্থানীয় মৃত লুৎফর রহমানের ছেলে।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, বিএসটিআইয়ের ন্যূনতম অনুমোদন ছাড়াই দীর্ঘদিন ধরে থানা পাড়া এলাকায় গোপনে এই ভেজাল আইসক্রিম তৈরি হচ্ছিল। আকর্ষণীয় রঙ ও ফ্লেভার ব্যবহার করে শিশুদের লক্ষ্য করে এসব অস্বাস্থ্যকর আইসক্রিম বাজারজাত করা হতো।
সোমবারে পরিচালিত অভিযানে হাতেনাতে ধরা পড়ে ভেজাল ও নিম্নমানের উপকরণ দিয়ে আইসক্রিম তৈরির প্রমাণ। পরে ওজন ও পরিমাপ মানদণ্ড আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় কারখানার মালিককে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
অভিযান পরিচালনাকারী কর্মকর্তা ও তারাগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আসমা উল হুসনা স্পষ্ট বার্তা দিয়ে বলেন:
"বাচ্চাদের খাদ্যপণ্য নিয়ে কোনো প্রকার অনিয়ম সহ্য করা হবে না। ভোক্তা অধিকার রক্ষা ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় অনুমোদনহীন খাদ্য কারখানা ও ভেজাল পণ্যের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের এই নজরদারি ও কঠোর পদক্ষেপ অব্যাহত থাকবে।"
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এমন অভিযানে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় অভিভাবকরা। শিশুখাদ্যে ভেজাল রোধে তারা নিয়মিত এমন ঝটিকা অভিযানের জোর দাবি জানান।
বিষয় : তারাগঞ্জ তারাগঞ্জ উপজেলার খবর

সোমবার, ১৭ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ আগস্ট ২০২৬
শিশুদের স্বাস্থ্যের জন্য চরম হুমকি হয়ে ওঠা নকল ও নিম্নমানের আইসক্রিম তৈরির এক অবৈধ কারখানার সন্ধান মিলেছে রংপুরের তারাগঞ্জে। সরকারি কোনো ধরনের অনুমোদন ও মাননিয়ন্ত্রণ ছাড়া অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ক্ষতিকর আইসক্রিম উৎপাদন ও বিক্রির দায়ে এক ব্যবসায়ীকে দণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
আজ সোমবার (১৭ আগস্ট) দুপুর ১টার দিকে উপজেলার থানা পাড়া এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় কারখানার মালিক সোহেল পাটোয়ারীকে (৩২) ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। তিনি স্থানীয় মৃত লুৎফর রহমানের ছেলে।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, বিএসটিআইয়ের ন্যূনতম অনুমোদন ছাড়াই দীর্ঘদিন ধরে থানা পাড়া এলাকায় গোপনে এই ভেজাল আইসক্রিম তৈরি হচ্ছিল। আকর্ষণীয় রঙ ও ফ্লেভার ব্যবহার করে শিশুদের লক্ষ্য করে এসব অস্বাস্থ্যকর আইসক্রিম বাজারজাত করা হতো।
সোমবারে পরিচালিত অভিযানে হাতেনাতে ধরা পড়ে ভেজাল ও নিম্নমানের উপকরণ দিয়ে আইসক্রিম তৈরির প্রমাণ। পরে ওজন ও পরিমাপ মানদণ্ড আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় কারখানার মালিককে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
অভিযান পরিচালনাকারী কর্মকর্তা ও তারাগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আসমা উল হুসনা স্পষ্ট বার্তা দিয়ে বলেন:
"বাচ্চাদের খাদ্যপণ্য নিয়ে কোনো প্রকার অনিয়ম সহ্য করা হবে না। ভোক্তা অধিকার রক্ষা ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় অনুমোদনহীন খাদ্য কারখানা ও ভেজাল পণ্যের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের এই নজরদারি ও কঠোর পদক্ষেপ অব্যাহত থাকবে।"
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এমন অভিযানে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় অভিভাবকরা। শিশুখাদ্যে ভেজাল রোধে তারা নিয়মিত এমন ঝটিকা অভিযানের জোর দাবি জানান।

আপনার মতামত লিখুন