জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে বক্তব্য দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সফর শেষে দেশে ফেরার পথে রয়েছে তিনি। সরকার গঠনের পর তার প্রথম জাতিসংঘ সফরে কী অর্জন হলো তা নিয়ে চলছে আলোচনা।
সাবেক কূটনীতিক হুমায়ুন কবির বলেন, বাংলাদেশ ও বৈশ্বিক বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে চব্বিশ উত্তর বাংলাদেশের মানুষের প্রত্যাশার কথা বলেছেন। সাধারণ পরিষদের অধিবেশন, সাইডলাইন বৈঠক ও উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকগুলোতে তিনি রোহিঙ্গা ইস্যু, অর্থনৈতিক অগ্রাধিকার ও ক্লাইমেট জাস্টিসসহ বাংলাদেশের জন্য দরকারি ইস্যুগুলো তুলে ধরেছেন। আমার মনে হয় তিনি ডোমেস্টিক ও ইন্টারন্যাশনাল অডিয়েন্সকে উভয়কে লক্ষ্য করেই কথা বলেছেন।
হুমায়ুন কবির বলেন, সরকার গঠনের পর এটাই প্রধানমন্ত্রীর এ ধরনের প্রথম সফর। ফলে সব ইস্যুই তিনি কাভার করেছেন। হয়তো নিজে একটি সংবাদ সম্মেলন করলে তাতে সফরের লক্ষ্য কতটা অর্জিত হলো সে সম্পর্কে তার নিজের দৃষ্টিভঙ্গি আমরা জানতে পারতাম। কিন্তু লক্ষ্য, ইস্যু ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে সম্পৃক্ত করার যে চেষ্টা ছিল তা ইতিবাচক।
আরেক সাবেক রাষ্ট্রদূত মুন্সি ফয়েজ আহমেদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী সাধারণ পরিষদের যে ভাষণ দিয়েছে সেখানে দরকারি বিষয়গুলো এসেছে এবং তিনি পরিবর্তনগুলো তুলে ধরে কী ধরনের সহযোগিতা আশা করছেন সেটি বলেছেন।
তিনি বলেন, দ্বিপাক্ষিক বিষয়ে বেশ কিছু আলোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। আসলে মাত্র কয়েক মাস বয়সী সরকারের এক্সপোজারটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল। সেটা হয়েছে বলে আমি মনে করি। এখন বিভিন্ন দেশের সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধিতে সেটি সহায়তা করবে।
বিষয় : তারেক রহমান জাতিসংঘ

রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে বক্তব্য দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সফর শেষে দেশে ফেরার পথে রয়েছে তিনি। সরকার গঠনের পর তার প্রথম জাতিসংঘ সফরে কী অর্জন হলো তা নিয়ে চলছে আলোচনা।
সাবেক কূটনীতিক হুমায়ুন কবির বলেন, বাংলাদেশ ও বৈশ্বিক বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে চব্বিশ উত্তর বাংলাদেশের মানুষের প্রত্যাশার কথা বলেছেন। সাধারণ পরিষদের অধিবেশন, সাইডলাইন বৈঠক ও উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকগুলোতে তিনি রোহিঙ্গা ইস্যু, অর্থনৈতিক অগ্রাধিকার ও ক্লাইমেট জাস্টিসসহ বাংলাদেশের জন্য দরকারি ইস্যুগুলো তুলে ধরেছেন। আমার মনে হয় তিনি ডোমেস্টিক ও ইন্টারন্যাশনাল অডিয়েন্সকে উভয়কে লক্ষ্য করেই কথা বলেছেন।
হুমায়ুন কবির বলেন, সরকার গঠনের পর এটাই প্রধানমন্ত্রীর এ ধরনের প্রথম সফর। ফলে সব ইস্যুই তিনি কাভার করেছেন। হয়তো নিজে একটি সংবাদ সম্মেলন করলে তাতে সফরের লক্ষ্য কতটা অর্জিত হলো সে সম্পর্কে তার নিজের দৃষ্টিভঙ্গি আমরা জানতে পারতাম। কিন্তু লক্ষ্য, ইস্যু ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে সম্পৃক্ত করার যে চেষ্টা ছিল তা ইতিবাচক।
আরেক সাবেক রাষ্ট্রদূত মুন্সি ফয়েজ আহমেদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী সাধারণ পরিষদের যে ভাষণ দিয়েছে সেখানে দরকারি বিষয়গুলো এসেছে এবং তিনি পরিবর্তনগুলো তুলে ধরে কী ধরনের সহযোগিতা আশা করছেন সেটি বলেছেন।
তিনি বলেন, দ্বিপাক্ষিক বিষয়ে বেশ কিছু আলোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। আসলে মাত্র কয়েক মাস বয়সী সরকারের এক্সপোজারটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল। সেটা হয়েছে বলে আমি মনে করি। এখন বিভিন্ন দেশের সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধিতে সেটি সহায়তা করবে।

আপনার মতামত লিখুন