পরিবার ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রায় এক দশক আগে ফজলুর রহমান ক্যান্সারে আক্রান্ত হন। এরপর বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসা নেওয়া হলেও তিনি সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেননি। বর্তমানে তিনি স্বাভাবিকভাবে খাবার গ্রহণ ও কথা বলতে পারেন না। ইশারা-ইঙ্গিতের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় বিষয় বোঝানোর চেষ্টা করেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য, অসুস্থ হওয়ার আগে ফজলুর রহমান রিকশা চালিয়ে আয় করতেন এবং সেই অর্থে সংসার চালাতেন। দীর্ঘদিন চিকিৎসা চালাতে গিয়ে পরিবারের সঞ্চয় শেষ হয়ে গেছে। তার দুই ছেলে বিভিন্নজনের কাছ থেকে ঋণ নিয়ে বাবার চিকিৎসার খরচ বহন করেছেন। বর্তমানে পরিবারের আয়ের প্রধান উৎস অন্যের বাড়িতে কাজ করে পাওয়া সামান্য অর্থ।
প্রতিবেশী মেরিনা বেগম বলেন, ফজলুর রহমানের চিকিৎসা করাতে গিয়ে তার দুই ছেলে নিজেদের সাধ্যমতো সবকিছু ব্যয় করেছেন। বর্তমানে তাদের বসতভিটা ছাড়া উল্লেখযোগ্য কোনো সম্পদ নেই। একদিকে বাবার চিকিৎসা, অন্যদিকে ঋণের টাকা পরিশোধ ও সংসারের খরচ—সব মিলিয়ে পরিবারটি সংকটে রয়েছে। সামর্থ্যবান ব্যক্তিদের সহযোগিতা পেলে পরিবারটি উপকৃত হবে বলে জানান তিনি।
ফজলুর রহমানের বড় ছেলে সেলিম হোসেন বলেন, “আমার বাবা দীর্ঘ ১০ বছর ধরে ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই করে বেঁচে আছেন। বাবার চিকিৎসার জন্য আমি ও আমার ছোট ভাই আমাদের সাধ্যমতো সবকিছু শেষ করেছি। এখন বসতভিটাটুকুও চিকিৎসার খরচ চালাতে ব্যবহার করতে হচ্ছে। এই অর্থ শেষ হয়ে গেলে কীভাবে বাবার চিকিৎসা চালাব, তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি। দেশবাসীর কাছে অনুরোধ, যে যেভাবে পারেন আমার বাবার চিকিৎসায় সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিন।”
পলাশবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইব্রাহিম তালুকদার বলেন, ফজলুর রহমানের পরিবারের সদস্যরা তার কাছে সহযোগিতার জন্য এসেছিলেন। তিনি তার সামর্থ্য অনুযায়ী সহযোগিতা করেছেন। পরিবারটি যাতে সরকারি সহায়তা পায়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলবেন বলেও জানান তিনি।
ফজলুর রহমানের পরিবার তার চিকিৎসা চালিয়ে যেতে সমাজের সামর্থ্যবান ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলোর সহযোগিতা কামনা করেছে।
বিষয় : নীলফামারীর খবর স্বাস্থ্য

শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ অক্টোবর ২০২৬
পরিবার ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রায় এক দশক আগে ফজলুর রহমান ক্যান্সারে আক্রান্ত হন। এরপর বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসা নেওয়া হলেও তিনি সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেননি। বর্তমানে তিনি স্বাভাবিকভাবে খাবার গ্রহণ ও কথা বলতে পারেন না। ইশারা-ইঙ্গিতের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় বিষয় বোঝানোর চেষ্টা করেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য, অসুস্থ হওয়ার আগে ফজলুর রহমান রিকশা চালিয়ে আয় করতেন এবং সেই অর্থে সংসার চালাতেন। দীর্ঘদিন চিকিৎসা চালাতে গিয়ে পরিবারের সঞ্চয় শেষ হয়ে গেছে। তার দুই ছেলে বিভিন্নজনের কাছ থেকে ঋণ নিয়ে বাবার চিকিৎসার খরচ বহন করেছেন। বর্তমানে পরিবারের আয়ের প্রধান উৎস অন্যের বাড়িতে কাজ করে পাওয়া সামান্য অর্থ।
প্রতিবেশী মেরিনা বেগম বলেন, ফজলুর রহমানের চিকিৎসা করাতে গিয়ে তার দুই ছেলে নিজেদের সাধ্যমতো সবকিছু ব্যয় করেছেন। বর্তমানে তাদের বসতভিটা ছাড়া উল্লেখযোগ্য কোনো সম্পদ নেই। একদিকে বাবার চিকিৎসা, অন্যদিকে ঋণের টাকা পরিশোধ ও সংসারের খরচ—সব মিলিয়ে পরিবারটি সংকটে রয়েছে। সামর্থ্যবান ব্যক্তিদের সহযোগিতা পেলে পরিবারটি উপকৃত হবে বলে জানান তিনি।
ফজলুর রহমানের বড় ছেলে সেলিম হোসেন বলেন, “আমার বাবা দীর্ঘ ১০ বছর ধরে ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই করে বেঁচে আছেন। বাবার চিকিৎসার জন্য আমি ও আমার ছোট ভাই আমাদের সাধ্যমতো সবকিছু শেষ করেছি। এখন বসতভিটাটুকুও চিকিৎসার খরচ চালাতে ব্যবহার করতে হচ্ছে। এই অর্থ শেষ হয়ে গেলে কীভাবে বাবার চিকিৎসা চালাব, তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি। দেশবাসীর কাছে অনুরোধ, যে যেভাবে পারেন আমার বাবার চিকিৎসায় সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিন।”
পলাশবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইব্রাহিম তালুকদার বলেন, ফজলুর রহমানের পরিবারের সদস্যরা তার কাছে সহযোগিতার জন্য এসেছিলেন। তিনি তার সামর্থ্য অনুযায়ী সহযোগিতা করেছেন। পরিবারটি যাতে সরকারি সহায়তা পায়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলবেন বলেও জানান তিনি।
ফজলুর রহমানের পরিবার তার চিকিৎসা চালিয়ে যেতে সমাজের সামর্থ্যবান ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলোর সহযোগিতা কামনা করেছে।

আপনার মতামত লিখুন