নীলফামারীর দারোয়ানী রেলস্টেশনে সব আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতির দাবিতে রেলপথ অবরোধ করে আন্দোলন করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বুধবার (২১ অক্টোবর) সকাল থেকে শুরু হওয়া এ কর্মসূচিতে চিলাহাটি থেকে খুলনাগামী রকেট মেইল ট্রেন থামিয়ে দেন আন্দোলনকারীরা। এতে রেলপথে ট্রেন চলাচল ব্যাহত হয়। আটকা পড়ে খুলনাগামী সীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেনটিও।
সকালে দারোয়ানী রেলস্টেশন এলাকায় ব্যানার নিয়ে মানববন্ধন করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পরে তাঁরা রেললাইনে অবস্থান নিয়ে ট্রেন চলাচল বন্ধ করে দেন। আন্দোলনকারীদের দাবি, দারোয়ানী স্টেশনে অন্তত দুটি আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতির ব্যবস্থা করতে হবে।
আন্দোলনকারী সম্রাট বলেন, তাঁদের এলাকায় বর্তমানে শুধু একটি লোকাল ট্রেন থামে। পুরোনো এই স্টেশনটিতে যাত্রীদের সুবিধার্থে অন্তত দুটি আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতি প্রয়োজন।
আরেক আন্দোলনকারী রোকনুজ্জামান বলেন, তাঁর বাবা-দাদারাও এই স্টেশন থেকে বিভিন্ন ট্রেনে যাতায়াত করতেন। আগে এখানে দুই থেকে তিনটি ট্রেন থামত। কিন্তু বর্তমানে সকালে একটি ট্রেন ছাড়া অন্য কোনো ট্রেনের যাত্রাবিরতি নেই। তাই যাত্রীদের দুর্ভোগ কমাতে অন্তত দুটি আন্তঃনগর ট্রেনের স্টপেজ চান তাঁরা।
এদিকে, নীলফামারী রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশনমাস্টার ময়নুল হোসেন বলেন, বুধবার সকাল ৯টা ১৩ মিনিটে সীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেনটি নীলফামারী স্টেশনে প্রবেশ করে। এরই মধ্যে তিনি জানতে পারেন, দারোয়ানী স্টেশনে রকেট মেইল ট্রেন থামিয়ে স্থানীয়রা আন্দোলন করছেন। এ কারণে ট্রেনটি তখন পর্যন্ত ছেড়ে যায়নি।
দারোয়ানী রেলস্টেশনে আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতির দাবিতে স্থানীয়দের এ আন্দোলনের ফলে রেল চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়। তবে এ বিষয়ে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানা যায়নি।
বিষয় : নীলফামারীর খবর

বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ অক্টোবর ২০২৬
নীলফামারীর দারোয়ানী রেলস্টেশনে সব আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতির দাবিতে রেলপথ অবরোধ করে আন্দোলন করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বুধবার (২১ অক্টোবর) সকাল থেকে শুরু হওয়া এ কর্মসূচিতে চিলাহাটি থেকে খুলনাগামী রকেট মেইল ট্রেন থামিয়ে দেন আন্দোলনকারীরা। এতে রেলপথে ট্রেন চলাচল ব্যাহত হয়। আটকা পড়ে খুলনাগামী সীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেনটিও।
সকালে দারোয়ানী রেলস্টেশন এলাকায় ব্যানার নিয়ে মানববন্ধন করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পরে তাঁরা রেললাইনে অবস্থান নিয়ে ট্রেন চলাচল বন্ধ করে দেন। আন্দোলনকারীদের দাবি, দারোয়ানী স্টেশনে অন্তত দুটি আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতির ব্যবস্থা করতে হবে।
আন্দোলনকারী সম্রাট বলেন, তাঁদের এলাকায় বর্তমানে শুধু একটি লোকাল ট্রেন থামে। পুরোনো এই স্টেশনটিতে যাত্রীদের সুবিধার্থে অন্তত দুটি আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতি প্রয়োজন।
আরেক আন্দোলনকারী রোকনুজ্জামান বলেন, তাঁর বাবা-দাদারাও এই স্টেশন থেকে বিভিন্ন ট্রেনে যাতায়াত করতেন। আগে এখানে দুই থেকে তিনটি ট্রেন থামত। কিন্তু বর্তমানে সকালে একটি ট্রেন ছাড়া অন্য কোনো ট্রেনের যাত্রাবিরতি নেই। তাই যাত্রীদের দুর্ভোগ কমাতে অন্তত দুটি আন্তঃনগর ট্রেনের স্টপেজ চান তাঁরা।
এদিকে, নীলফামারী রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশনমাস্টার ময়নুল হোসেন বলেন, বুধবার সকাল ৯টা ১৩ মিনিটে সীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেনটি নীলফামারী স্টেশনে প্রবেশ করে। এরই মধ্যে তিনি জানতে পারেন, দারোয়ানী স্টেশনে রকেট মেইল ট্রেন থামিয়ে স্থানীয়রা আন্দোলন করছেন। এ কারণে ট্রেনটি তখন পর্যন্ত ছেড়ে যায়নি।
দারোয়ানী রেলস্টেশনে আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতির দাবিতে স্থানীয়দের এ আন্দোলনের ফলে রেল চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়। তবে এ বিষয়ে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানা যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন