পঞ্চগড় সদর উপজেলার রজলী টাংগন ব্রিজ থেকে রজলীপাড়া এলাকা পর্যন্ত খাল পুনঃখনন ও নতুন সংযোগ খাল তৈরির কাজ সফলভাবে সম্পন্ন করেছে উপজেলা প্রশাসন। শুধু উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন করাই নয়, বরাদ্দকৃত অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করে অব্যয়িত ৩ লাখ ৩ হাজার ২৫৫ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিয়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করা হয়েছে।
পঞ্চগড় সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফাহমিদা সুলতানার সার্বিক তত্ত্বাবধানে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হয়।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে রজলী এলাকার খালটি ভরাট ও পলি জমে থাকায় সামান্য বর্ষাতেই পানি নিষ্কাশনে চরম বিঘ্ন ঘটত। ফলে পুরো বর্ষা মৌসুমে বিপুল পরিমাণ কৃষিজমি পানির নিচে তলিয়ে গিয়ে কৃত্রিম জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হতো।
এই সংকট নিরসনে সদর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে:
৬৩০ মিটার পুরোনো খাল পুনঃখনন করা হয়।
৬০ মিটার নতুন সংযোগ খাল খনন করা হয়।
মোট ৬৯০ মিটার দৈর্ঘ্য বিশিষ্ট এই খাল খনন সম্পন্ন হওয়ায় বর্তমানে এলাকায় স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ ফিরে এসেছে। এর ফলে চলতি বর্ষা মৌসুমে শত শত একর কৃষিজমি জলাবদ্ধতার হাত থেকে রক্ষা পাবে এবং এলাকার কৃষি উৎপাদনে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করছেন স্থানীয় কৃষকেরা।
উন্নয়ন কাজ শেষে উদ্বৃত্ত টাকা সরকারি তহবিলে ফেরত দেওয়ার ঘটনাকে স্থানীয় বাসিন্দারা অত্যন্ত ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। এলাকার সচেতন নাগরিকরা জানান, সাধারণত প্রকল্প শেষ হলেও অর্থ উদ্বৃত্ত থাকার ঘটনা কমই দেখা যায়। কিন্তু ইউএনও ফাহমিদা সুলতানার এই পদক্ষেপে সরকারের রাজস্ব বাঁচার পাশাপাশি সততা ও প্রশাসনিক স্বচ্ছতার সুন্দর বার্তা ছড়িয়ে পড়েছে।
বিষয় : ইউএনও পঞ্চগড়ের খবর

বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুলাই ২০২৬
পঞ্চগড় সদর উপজেলার রজলী টাংগন ব্রিজ থেকে রজলীপাড়া এলাকা পর্যন্ত খাল পুনঃখনন ও নতুন সংযোগ খাল তৈরির কাজ সফলভাবে সম্পন্ন করেছে উপজেলা প্রশাসন। শুধু উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন করাই নয়, বরাদ্দকৃত অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করে অব্যয়িত ৩ লাখ ৩ হাজার ২৫৫ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিয়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করা হয়েছে।
পঞ্চগড় সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফাহমিদা সুলতানার সার্বিক তত্ত্বাবধানে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হয়।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে রজলী এলাকার খালটি ভরাট ও পলি জমে থাকায় সামান্য বর্ষাতেই পানি নিষ্কাশনে চরম বিঘ্ন ঘটত। ফলে পুরো বর্ষা মৌসুমে বিপুল পরিমাণ কৃষিজমি পানির নিচে তলিয়ে গিয়ে কৃত্রিম জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হতো।
এই সংকট নিরসনে সদর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে:
৬৩০ মিটার পুরোনো খাল পুনঃখনন করা হয়।
৬০ মিটার নতুন সংযোগ খাল খনন করা হয়।
মোট ৬৯০ মিটার দৈর্ঘ্য বিশিষ্ট এই খাল খনন সম্পন্ন হওয়ায় বর্তমানে এলাকায় স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ ফিরে এসেছে। এর ফলে চলতি বর্ষা মৌসুমে শত শত একর কৃষিজমি জলাবদ্ধতার হাত থেকে রক্ষা পাবে এবং এলাকার কৃষি উৎপাদনে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করছেন স্থানীয় কৃষকেরা।
উন্নয়ন কাজ শেষে উদ্বৃত্ত টাকা সরকারি তহবিলে ফেরত দেওয়ার ঘটনাকে স্থানীয় বাসিন্দারা অত্যন্ত ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। এলাকার সচেতন নাগরিকরা জানান, সাধারণত প্রকল্প শেষ হলেও অর্থ উদ্বৃত্ত থাকার ঘটনা কমই দেখা যায়। কিন্তু ইউএনও ফাহমিদা সুলতানার এই পদক্ষেপে সরকারের রাজস্ব বাঁচার পাশাপাশি সততা ও প্রশাসনিক স্বচ্ছতার সুন্দর বার্তা ছড়িয়ে পড়েছে।

আপনার মতামত লিখুন