‘বাল্যবিবাহ রুখবো, সুন্দর জীবন গড়বো’—এই প্রত্যয়কে সামনে রেখে ঠাকুরগাঁওয়ে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে গণনাট্য প্রদর্শনী ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬) ব্র্যাকের উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে বাল্যবিবাহের ক্ষতিকর সামাজিক প্রভাব সম্পর্কে জনসচেতনতা সৃষ্টি এবং বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সম্মিলিত ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
কর্মসূচিতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, অভিভাবকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
গণনাট্যের মাধ্যমে বাল্যবিবাহের কারণে শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের জীবনে সৃষ্ট নানা নেতিবাচক প্রভাব তুলে ধরা হয়। বিশেষ করে বাল্যবিবাহের কারণে শিক্ষাজীবন ব্যাহত হওয়া, শিক্ষা থেকে ঝরে পড়া, স্বাস্থ্যঝুঁকি বৃদ্ধি এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা বাধাগ্রস্ত হওয়ার বিষয়গুলো নাট্য উপস্থাপনায় ফুটিয়ে তোলা হয়।
পরে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় বক্তারা বলেন, বাল্যবিবাহ শুধু একটি পরিবারের সমস্যা নয়; এটি সমাজ ও দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের পথে একটি বড় বাধা। বাল্যবিবাহ বন্ধে পরিবারকে আরও সচেতন হওয়ার পাশাপাশি জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং সমাজের সচেতন নাগরিকদের সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
বক্তারা আরও বলেন, প্রতিটি শিশু ও কিশোর-কিশোরীর নিরাপদ পরিবেশে বেড়ে ওঠা এবং শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করা জরুরি। তাদের সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
কর্মসূচির মাধ্যমে বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে সামাজিক সচেতনতা গড়ে তোলা এবং শিশুদের নিরাপদ ও সুন্দর ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়।
বাল্যবিবাহকে না বলি—শিশুদের জন্য গড়ে তুলি নিরাপদ, শিক্ষিত ও সুন্দর ভবিষ্যৎ।
বিষয় : ঠাকুরগাঁও সংবাদ

বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
‘বাল্যবিবাহ রুখবো, সুন্দর জীবন গড়বো’—এই প্রত্যয়কে সামনে রেখে ঠাকুরগাঁওয়ে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে গণনাট্য প্রদর্শনী ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬) ব্র্যাকের উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে বাল্যবিবাহের ক্ষতিকর সামাজিক প্রভাব সম্পর্কে জনসচেতনতা সৃষ্টি এবং বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সম্মিলিত ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
কর্মসূচিতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, অভিভাবকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
গণনাট্যের মাধ্যমে বাল্যবিবাহের কারণে শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের জীবনে সৃষ্ট নানা নেতিবাচক প্রভাব তুলে ধরা হয়। বিশেষ করে বাল্যবিবাহের কারণে শিক্ষাজীবন ব্যাহত হওয়া, শিক্ষা থেকে ঝরে পড়া, স্বাস্থ্যঝুঁকি বৃদ্ধি এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা বাধাগ্রস্ত হওয়ার বিষয়গুলো নাট্য উপস্থাপনায় ফুটিয়ে তোলা হয়।
পরে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় বক্তারা বলেন, বাল্যবিবাহ শুধু একটি পরিবারের সমস্যা নয়; এটি সমাজ ও দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের পথে একটি বড় বাধা। বাল্যবিবাহ বন্ধে পরিবারকে আরও সচেতন হওয়ার পাশাপাশি জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং সমাজের সচেতন নাগরিকদের সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
বক্তারা আরও বলেন, প্রতিটি শিশু ও কিশোর-কিশোরীর নিরাপদ পরিবেশে বেড়ে ওঠা এবং শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করা জরুরি। তাদের সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
কর্মসূচির মাধ্যমে বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে সামাজিক সচেতনতা গড়ে তোলা এবং শিশুদের নিরাপদ ও সুন্দর ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়।
বাল্যবিবাহকে না বলি—শিশুদের জন্য গড়ে তুলি নিরাপদ, শিক্ষিত ও সুন্দর ভবিষ্যৎ।

আপনার মতামত লিখুন