রংপুরের তারাগঞ্জে এবার শুরু হয়েছে ‘মিটার জিম্মি’ করে চাঁদাবাজির নতুন উপদ্রব। একই রাতে বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ও বাসাবাড়ির ৪টি বৈদ্যুতিক মিটার চুরি করে নিয়ে গেছে এক সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্র। শুধু চুরি করেই খান্ত হয়নি চোরেরা, মিটার বসানোর খালি বোর্ডে নিজেদের সচল মোবাইল নম্বর লিখে রেখে গেছে। আর সেই নম্বরে কল করলেই অমায়িক গলায় দাবি করা হচ্ছে ৫ হাজার টাকা 'মুক্তিপণ'।
গত শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে উপজেলার আলমপুর ইউনিয়নের ভীমপুর মেডিকেল মোড় ও খোর্দ্দ রেলাইচণ্ডি ইমামগঞ্জ বাজারে এই চাঞ্চল্যকর চুরির ঘটনাগুলো ঘটে।
হঠাৎ নেওয়া এই মিটার চুরির কারণে চরম বিপাকে পড়েছেন স্থানীয় গ্রাহকেরা। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শনিবার গভীর রাতে চোর চক্রটি ভীমপুর মেডিকেল মোড় এলাকার সাদিকুলের ধান ভাঙার মিলের মিটারটি খুলে নিয়ে যায়। একই রাতে চুরির শিকার হয় ইমামগঞ্জ বাজারে মাহে আলমের অটোরিকশার ব্যাটারি চার্জিং স্টেশনের বাণিজ্যিক মিটার এবং তারিকুল ও মইনুল নামে দুই বাসিন্দার বাসাবাড়ির চালুকৃত মিটার।
অটোরিকশার গ্যারেজ মালিক ভুক্তভোগী মাহে আলম ক্ষোভের সঙ্গে জানান:
"সকালে এসে দেখি মিটার নেই, খালি বোর্ডে একটি মোবাইল নম্বর লেখা। বলা হয়েছে মিটার ফেরত পেতে এই নম্বরে যেন যোগাযোগ করি। কল করার সাথে সাথেই চোর চক্রের সদস্য মিটারটি অক্ষত অবস্থায় ফেরত দিতে ৫ হাজার টাকা দাবি করে। টাকা না দিলে মিটার ফেরত পাওয়া যাবে না বলেও হুমকি দেওয়া হয়।"
মিটার না থাকায় ব্যবসা বন্ধ হওয়ার পাশাপাশি অন্ধকারে দিন কাটাতে হচ্ছে ভুক্তভোগীদের।
অপ্রচলিত ও ডিজিটাল কায়দার এই চুরির ঘটনায় পুরো আলমপুর ইউনিয়নে তীব্র ক্ষোভ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে তারাগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রুহুল আমিন জানান, মিটার চুরির পর নম্বর রেখে টাকা দাবি করার ঘটনাটি পুলিশ গুরুত্বের সাথে তদন্ত করছে। মোবাইল নম্বরটি ট্র্যাকিং করে চোর চক্রটিকে শনাক্ত ও গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। খুব দ্রুতই তাঁদের আইনের আওতায় আনা হবে।
বিষয় : তারাগঞ্জ তারাগঞ্জ উপজেলার খবর

সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রংপুরের তারাগঞ্জে এবার শুরু হয়েছে ‘মিটার জিম্মি’ করে চাঁদাবাজির নতুন উপদ্রব। একই রাতে বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ও বাসাবাড়ির ৪টি বৈদ্যুতিক মিটার চুরি করে নিয়ে গেছে এক সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্র। শুধু চুরি করেই খান্ত হয়নি চোরেরা, মিটার বসানোর খালি বোর্ডে নিজেদের সচল মোবাইল নম্বর লিখে রেখে গেছে। আর সেই নম্বরে কল করলেই অমায়িক গলায় দাবি করা হচ্ছে ৫ হাজার টাকা 'মুক্তিপণ'।
গত শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে উপজেলার আলমপুর ইউনিয়নের ভীমপুর মেডিকেল মোড় ও খোর্দ্দ রেলাইচণ্ডি ইমামগঞ্জ বাজারে এই চাঞ্চল্যকর চুরির ঘটনাগুলো ঘটে।
হঠাৎ নেওয়া এই মিটার চুরির কারণে চরম বিপাকে পড়েছেন স্থানীয় গ্রাহকেরা। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শনিবার গভীর রাতে চোর চক্রটি ভীমপুর মেডিকেল মোড় এলাকার সাদিকুলের ধান ভাঙার মিলের মিটারটি খুলে নিয়ে যায়। একই রাতে চুরির শিকার হয় ইমামগঞ্জ বাজারে মাহে আলমের অটোরিকশার ব্যাটারি চার্জিং স্টেশনের বাণিজ্যিক মিটার এবং তারিকুল ও মইনুল নামে দুই বাসিন্দার বাসাবাড়ির চালুকৃত মিটার।
অটোরিকশার গ্যারেজ মালিক ভুক্তভোগী মাহে আলম ক্ষোভের সঙ্গে জানান:
"সকালে এসে দেখি মিটার নেই, খালি বোর্ডে একটি মোবাইল নম্বর লেখা। বলা হয়েছে মিটার ফেরত পেতে এই নম্বরে যেন যোগাযোগ করি। কল করার সাথে সাথেই চোর চক্রের সদস্য মিটারটি অক্ষত অবস্থায় ফেরত দিতে ৫ হাজার টাকা দাবি করে। টাকা না দিলে মিটার ফেরত পাওয়া যাবে না বলেও হুমকি দেওয়া হয়।"
মিটার না থাকায় ব্যবসা বন্ধ হওয়ার পাশাপাশি অন্ধকারে দিন কাটাতে হচ্ছে ভুক্তভোগীদের।
অপ্রচলিত ও ডিজিটাল কায়দার এই চুরির ঘটনায় পুরো আলমপুর ইউনিয়নে তীব্র ক্ষোভ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে তারাগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রুহুল আমিন জানান, মিটার চুরির পর নম্বর রেখে টাকা দাবি করার ঘটনাটি পুলিশ গুরুত্বের সাথে তদন্ত করছে। মোবাইল নম্বরটি ট্র্যাকিং করে চোর চক্রটিকে শনাক্ত ও গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। খুব দ্রুতই তাঁদের আইনের আওতায় আনা হবে।

আপনার মতামত লিখুন