রংপুরে বদরগঞ্জে নারী কবিরাজকে নিয়ে পালানোর অভিযোগ উঠেছে এক রোগীর বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটে গত ২ সেপ্টেম্বর বুধবার উপজেলা কুতুবপুর ইউনিয়ন নাটারাম পশ্চিমপাড়া গ্রামে। এ ঘটনায় কবিরাজের স্বামী মজনু মিয়া তিন দিন তার স্ত্রী মাজেদা বেগমকে কোথাও সন্ধান না পেয়ে শনিবার ৫ সেপ্টেম্বর বদরগঞ্জ থানায় তার স্ত্রীকে ১ নং বিবাদী ২ নং বিবাদী রোগী রেজাউল ইসলাম নাম দিয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। রেজাউল ইসলামের বাসা একই ইউনিয়ন কান্দুপাড়া গ্রামে।
লিখিত অভিযোগ ও সরোজমিনে গিয়ে জানা গেছে, মজনু মিয়া পূর্বের স্ত্রী মারা যাওয়ার পরে ২০১২ সালে মাজেদা বেগমকে বিয়ে করেন।পে শায় মাজেদা বেগম একজন কবিরাজ। বিয়ের পর থেকে মজনু মিয়াকে অবহেলা করতে থাকেন মাজেদা বেগম। তার কথা মত চলতো না।একরকম বেপরোয়া জীবন যাপন করতেন কবিরাজ মাজেদা।
মজনু মিয়া বলেন, ২ নং বিবাদী রেজাউল করিম তার শরিরের রোগের সমস্যা জন্য আমার স্ত্রী কবিরাজের কাছে আসতেন। যাওয়া আসা করতে রেজাউল ইসলাম তার প্রেমে পড়ে যায় এবং পরকীয়ায় সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। ঘটনার দিনে মাজেদা বেগম বাড়ি থেকে বাবার বাড়ি যাওয়ার কথা বলে ব্যাগে মজনু মিয়ার এনজিও থেকে টাকা উত্তোলন করা ৫০ হাজার টাকা ও গরু বিক্রি ৪০ হাজার টাকা চার আনা স্বর্নের চেইন নিয়ে যান।
স্থানীয় কয়েকজন নারী ও যুবক বলেন, ঘটনার আগের দিন মঙ্গলবার রেজাউল ইসলাম মাজেদা বেগমের বাসায় এসে অনেকক্ষণ ছিলেন।পরের দিন বুধবার মাজেদা বেগম বাড়ি থেকে বাবার বাড়ি যাওয়ার কথা বলে ব্যাগ নিয়ে বের হয়ে যান।এখানে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে রেজাউল ইসলাম জড়িত আছে।প্রায় সময় ঘণ্টাকে ঘন্টা রেজাউল আর মাজেদা বেগমের মুঠোফোনে কথা বলতে দেখতাম।
অভিযোগ বিষয় রেজাউল ইসলাম বলেন,আমি তার কাছ থেকে আমার রোগের জন্য কবিরাজি চিকিৎসা নিয়ে আসছিলাম। সে আমার বোনের মতো।তার স্বামীর অভিযোগ মিথ্যা ভিত্তিহীন।আমাকে সামজিক ভাবে হেও করার জন্য আমার নামে কুৎসা রটাচ্ছেন।তিনি আরো বলেন,প্রশাসন সুস্থ তদন্ত করলে আসল রহস্য বের হয়ে আসবে।
বদরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ হাসান জাহিদ সরকার বলেন, অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনার রহস্য উদঘাটন চলছে।
বিষয় : রংপুরের খবর বদরগঞ্জ

রোববার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রংপুরে বদরগঞ্জে নারী কবিরাজকে নিয়ে পালানোর অভিযোগ উঠেছে এক রোগীর বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটে গত ২ সেপ্টেম্বর বুধবার উপজেলা কুতুবপুর ইউনিয়ন নাটারাম পশ্চিমপাড়া গ্রামে। এ ঘটনায় কবিরাজের স্বামী মজনু মিয়া তিন দিন তার স্ত্রী মাজেদা বেগমকে কোথাও সন্ধান না পেয়ে শনিবার ৫ সেপ্টেম্বর বদরগঞ্জ থানায় তার স্ত্রীকে ১ নং বিবাদী ২ নং বিবাদী রোগী রেজাউল ইসলাম নাম দিয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। রেজাউল ইসলামের বাসা একই ইউনিয়ন কান্দুপাড়া গ্রামে।
লিখিত অভিযোগ ও সরোজমিনে গিয়ে জানা গেছে, মজনু মিয়া পূর্বের স্ত্রী মারা যাওয়ার পরে ২০১২ সালে মাজেদা বেগমকে বিয়ে করেন।পে শায় মাজেদা বেগম একজন কবিরাজ। বিয়ের পর থেকে মজনু মিয়াকে অবহেলা করতে থাকেন মাজেদা বেগম। তার কথা মত চলতো না।একরকম বেপরোয়া জীবন যাপন করতেন কবিরাজ মাজেদা।
মজনু মিয়া বলেন, ২ নং বিবাদী রেজাউল করিম তার শরিরের রোগের সমস্যা জন্য আমার স্ত্রী কবিরাজের কাছে আসতেন। যাওয়া আসা করতে রেজাউল ইসলাম তার প্রেমে পড়ে যায় এবং পরকীয়ায় সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। ঘটনার দিনে মাজেদা বেগম বাড়ি থেকে বাবার বাড়ি যাওয়ার কথা বলে ব্যাগে মজনু মিয়ার এনজিও থেকে টাকা উত্তোলন করা ৫০ হাজার টাকা ও গরু বিক্রি ৪০ হাজার টাকা চার আনা স্বর্নের চেইন নিয়ে যান।
স্থানীয় কয়েকজন নারী ও যুবক বলেন, ঘটনার আগের দিন মঙ্গলবার রেজাউল ইসলাম মাজেদা বেগমের বাসায় এসে অনেকক্ষণ ছিলেন।পরের দিন বুধবার মাজেদা বেগম বাড়ি থেকে বাবার বাড়ি যাওয়ার কথা বলে ব্যাগ নিয়ে বের হয়ে যান।এখানে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে রেজাউল ইসলাম জড়িত আছে।প্রায় সময় ঘণ্টাকে ঘন্টা রেজাউল আর মাজেদা বেগমের মুঠোফোনে কথা বলতে দেখতাম।
অভিযোগ বিষয় রেজাউল ইসলাম বলেন,আমি তার কাছ থেকে আমার রোগের জন্য কবিরাজি চিকিৎসা নিয়ে আসছিলাম। সে আমার বোনের মতো।তার স্বামীর অভিযোগ মিথ্যা ভিত্তিহীন।আমাকে সামজিক ভাবে হেও করার জন্য আমার নামে কুৎসা রটাচ্ছেন।তিনি আরো বলেন,প্রশাসন সুস্থ তদন্ত করলে আসল রহস্য বের হয়ে আসবে।
বদরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ হাসান জাহিদ সরকার বলেন, অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনার রহস্য উদঘাটন চলছে।

আপনার মতামত লিখুন