রংপুর    রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬
জুফাস নিউজ

আটকের সাড়ে ৩ ঘণ্টা পর মুচলেকায় ছাড়া পেলেন সিদ্ধার্থের বাবা ও ভাই

আটকের সাড়ে ৩ ঘণ্টা পর মুচলেকায় ছাড়া পেলেন সিদ্ধার্থের বাবা ও ভাই
সিদ্ধার্থের বাবা ও ভাই। ছবি: সংগৃহীত

রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের মুখপাত্র ও উপ-কমিশনার (ডিবি) সনাতন চক্রবর্তী ঢাকা পোস্টকে জানান, মামলার মূল অভিযুক্তদের একজন সিদ্ধার্থ দাসের পরিবারকে বারবার অফিসে এসে সাক্ষাত্ দেওয়ার জন্য বলা হলেও তারা আসেননি। ফলে তথ্য সংগ্রহের স্বার্থে তাদের নিয়ে আসতে বাধ্য হয় পুলিশ।

ডিবির উপ-কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী বলেন:

"আমরা তাঁদের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ কথা বলেছি। কিছু প্রাথমিক তথ্য পাওয়া গেছে, যা আমরা পুনরায় যাচাই-বাছাই করব। তবে তাঁদের কাছ থেকে নতুন কোনো চমকপ্রদ বা অতি-গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যায়নি। ভবিষ্যতে তদন্তের স্বার্থে আবার প্রয়োজন হলে তাঁদের ডাকা হবে এবং তাঁরাও উপস্থিত হবেন বলে মুচলেকা দিয়েছেন।"

ডিবি কার্যালয়ের তিনতলা থেকে নামার সময় অভিযুক্ত সিদ্ধার্থের বড় ভাই পার্থ দাসকে অন্যের কাঁধে ভর দিয়ে খুঁড়িয়ে হাঁটতে দেখা যায়। এ নিয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে পার্থ দাস জানান, ডিবি অফিসে তাঁদের সঙ্গে কোনো খারাপ আচরণ বা নির্যাতন করা হয়নি। বাসাতে ভয় পেয়ে ছোটাছুটি করার সময় পায়ে ও কোমরে আঘাত পাওয়ায় তিনি খুঁড়িয়ে হাঁটছিলেন।

সিদ্ধার্থের বাবা বিনয় দাস বলেন, "হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে পুলিশ যা জানতে চেয়েছে, আমরা সাংবাদিকদের দেওয়া আগের বক্তব্যই পুনর্ব্যক্ত করেছি। ডিবি কার্যালয়ে নির্যাতন করা হয়নি; যা কিছু ধস্তাধস্তি হয়েছিল, তা মূলত বাসাতে নিয়ে আসার সময়ে ভয়ের কারণে হয়েছিল।"

উল্লেখ্য, গত ২২ আগস্ট রাতে রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ার (দাসপাড়া) তালাবদ্ধ বাড়ি থেকে জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী, মেয়ে আগামী ও ছেলে আয়ুশ চক্রবর্তীর পচাগলা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডে প্রতিবেশী তরুণ মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাসকে ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। নিহত শিক্ষক গণপতির বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় মামলা দায়ের করার পর মামলাটি বর্তমানে তদন্ত করছে রংপুর মেট্রোপলিটন ডিবি পুলিশ।

বিষয় : রংপুরের খবর

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
জুফাস নিউজ

রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬


আটকের সাড়ে ৩ ঘণ্টা পর মুচলেকায় ছাড়া পেলেন সিদ্ধার্থের বাবা ও ভাই

প্রকাশের তারিখ : ৩০ আগস্ট ২০২৬

featured Image

রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের মুখপাত্র ও উপ-কমিশনার (ডিবি) সনাতন চক্রবর্তী ঢাকা পোস্টকে জানান, মামলার মূল অভিযুক্তদের একজন সিদ্ধার্থ দাসের পরিবারকে বারবার অফিসে এসে সাক্ষাত্ দেওয়ার জন্য বলা হলেও তারা আসেননি। ফলে তথ্য সংগ্রহের স্বার্থে তাদের নিয়ে আসতে বাধ্য হয় পুলিশ।

ডিবির উপ-কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী বলেন:

"আমরা তাঁদের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ কথা বলেছি। কিছু প্রাথমিক তথ্য পাওয়া গেছে, যা আমরা পুনরায় যাচাই-বাছাই করব। তবে তাঁদের কাছ থেকে নতুন কোনো চমকপ্রদ বা অতি-গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যায়নি। ভবিষ্যতে তদন্তের স্বার্থে আবার প্রয়োজন হলে তাঁদের ডাকা হবে এবং তাঁরাও উপস্থিত হবেন বলে মুচলেকা দিয়েছেন।"

ডিবি কার্যালয়ের তিনতলা থেকে নামার সময় অভিযুক্ত সিদ্ধার্থের বড় ভাই পার্থ দাসকে অন্যের কাঁধে ভর দিয়ে খুঁড়িয়ে হাঁটতে দেখা যায়। এ নিয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে পার্থ দাস জানান, ডিবি অফিসে তাঁদের সঙ্গে কোনো খারাপ আচরণ বা নির্যাতন করা হয়নি। বাসাতে ভয় পেয়ে ছোটাছুটি করার সময় পায়ে ও কোমরে আঘাত পাওয়ায় তিনি খুঁড়িয়ে হাঁটছিলেন।

সিদ্ধার্থের বাবা বিনয় দাস বলেন, "হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে পুলিশ যা জানতে চেয়েছে, আমরা সাংবাদিকদের দেওয়া আগের বক্তব্যই পুনর্ব্যক্ত করেছি। ডিবি কার্যালয়ে নির্যাতন করা হয়নি; যা কিছু ধস্তাধস্তি হয়েছিল, তা মূলত বাসাতে নিয়ে আসার সময়ে ভয়ের কারণে হয়েছিল।"

উল্লেখ্য, গত ২২ আগস্ট রাতে রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ার (দাসপাড়া) তালাবদ্ধ বাড়ি থেকে জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী, মেয়ে আগামী ও ছেলে আয়ুশ চক্রবর্তীর পচাগলা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডে প্রতিবেশী তরুণ মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাসকে ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। নিহত শিক্ষক গণপতির বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় মামলা দায়ের করার পর মামলাটি বর্তমানে তদন্ত করছে রংপুর মেট্রোপলিটন ডিবি পুলিশ।


জুফাস নিউজ

সম্পাদক ও প্রকাশক: খাদেমুল বাশার রিফাত


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত জুফাস নিউজ