রংপুরের তারাগঞ্জে মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বজায় রেখে অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ। আজ বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) মাদক সেবনের অপরাধে আব্দুস সালাম (২৫) নামের এক যুবককে ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০০ টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
দণ্ডপ্রাপ্ত যুবক সয়ার ইউনিয়নের হাজিরহাট কলেজপাড়া এলাকার আনিছুল ইসলামের ছেলে।
পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, হাজিরহাট কলেজপাড়া এলাকায় প্রকাশ্যে মাদক সেবন চলছে—এমন সুনির্দিষ্ট সংবাদের ভিত্তিতে অভিযানে নামে যৌথ দল। অভিযান পরিচালনাকালে আব্দুস সালামকে হাতেনাতে মাদক সেবনরত অবস্থায় ধরে ফেলে পুলিশ।
তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন তারাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোনাব্বর হোসেন। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় তাঁকে ৩ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।
কারাদণ্ড দেওয়ার পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোনাব্বর হোসেন স্পষ্ট ভাষায় জানান:
"মাদক সেবন কিংবা কেনাবেচা—যেটির সাথেই জড়িত থাকুক না কেন, কাউকেই বিন্দুমাত্র ছাড় দেওয়া হবে না। তরুণদের মাদকের হাত থেকে রক্ষা করতে নিয়মিত এই অভিযান চলবে। সমাজ ও পরিবারকে সাথে নিয়েই মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়তে চায় প্রশাসন।"

শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ আগস্ট ২০২৬
রংপুরের তারাগঞ্জে মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বজায় রেখে অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ। আজ বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) মাদক সেবনের অপরাধে আব্দুস সালাম (২৫) নামের এক যুবককে ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০০ টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
দণ্ডপ্রাপ্ত যুবক সয়ার ইউনিয়নের হাজিরহাট কলেজপাড়া এলাকার আনিছুল ইসলামের ছেলে।
পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, হাজিরহাট কলেজপাড়া এলাকায় প্রকাশ্যে মাদক সেবন চলছে—এমন সুনির্দিষ্ট সংবাদের ভিত্তিতে অভিযানে নামে যৌথ দল। অভিযান পরিচালনাকালে আব্দুস সালামকে হাতেনাতে মাদক সেবনরত অবস্থায় ধরে ফেলে পুলিশ।
তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন তারাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোনাব্বর হোসেন। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় তাঁকে ৩ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।
কারাদণ্ড দেওয়ার পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোনাব্বর হোসেন স্পষ্ট ভাষায় জানান:
"মাদক সেবন কিংবা কেনাবেচা—যেটির সাথেই জড়িত থাকুক না কেন, কাউকেই বিন্দুমাত্র ছাড় দেওয়া হবে না। তরুণদের মাদকের হাত থেকে রক্ষা করতে নিয়মিত এই অভিযান চলবে। সমাজ ও পরিবারকে সাথে নিয়েই মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়তে চায় প্রশাসন।"

আপনার মতামত লিখুন