লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার কাকিনা ইউনিয়নে একটি পুকুর থেকে অজ্ঞাত এক নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় কালীগঞ্জ থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে। এদিকে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক বা পরকীয়ার জেরে জন্ম নেওয়া এই শিশুকে লোকলজ্জার ভয়ে পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়ে থাকতে পারে বলে স্থানীয়রা জোরালো সন্দেহ করছেন।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার কাকিনা ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের একটি পুকুরে কাপড়বিহীন এক নবজাতকের মরদেহ ভাসতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে নিজেদের হেফাজতে নেয়। পরবর্তীতে সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য লালমনিরহাট সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।
পুকুরের মালিক শাহ আলম ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, শিশুটির শরীরে কোনো পোশাক ছিল না। তাদের ধারণা, কোনো পরকীয়া বা অবৈধ সম্পর্কের কারণে বাবা ছাড়া এই শিশুর জন্ম হতে পারে । পরবর্তীতে বিষয়টি ধামাচাপা দিতে এবং সামাজিক লোকলজ্জা থেকে বাঁচতে কোনো চক্র শিশুটিকে রাতের আঁধারে এই পুকুরে ফেলে রেখে গেছে ধরনা। এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড হতে পারে বলেও তারা দাবি করছেন।
কালীগঞ্জ থানা পুলিশ জানিয়েছে, নবজাতকটির পরিচয় শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। একই সাথে ঘটনাটির পেছনে কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড জড়িত কি না এবং স্থানীয়দের পরকীয়ার সন্দেহের বিষয়টি মাথায় রেখে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যদি কোনো ব্যক্তি এই নবজাতকের পরিচয় বা ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহভাজন কারও বিষয়ে কোনো তথ্য জেনে থাকেন, তবে তা অবিলম্বে কালীগঞ্জ থানায় জানানোর জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো।
বিষয় : লালমনিরহাট খবর মরদেহ উদ্ধার

বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ অক্টোবর ২০২৬
লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার কাকিনা ইউনিয়নে একটি পুকুর থেকে অজ্ঞাত এক নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় কালীগঞ্জ থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে। এদিকে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক বা পরকীয়ার জেরে জন্ম নেওয়া এই শিশুকে লোকলজ্জার ভয়ে পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়ে থাকতে পারে বলে স্থানীয়রা জোরালো সন্দেহ করছেন।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার কাকিনা ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের একটি পুকুরে কাপড়বিহীন এক নবজাতকের মরদেহ ভাসতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে নিজেদের হেফাজতে নেয়। পরবর্তীতে সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য লালমনিরহাট সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।
পুকুরের মালিক শাহ আলম ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, শিশুটির শরীরে কোনো পোশাক ছিল না। তাদের ধারণা, কোনো পরকীয়া বা অবৈধ সম্পর্কের কারণে বাবা ছাড়া এই শিশুর জন্ম হতে পারে । পরবর্তীতে বিষয়টি ধামাচাপা দিতে এবং সামাজিক লোকলজ্জা থেকে বাঁচতে কোনো চক্র শিশুটিকে রাতের আঁধারে এই পুকুরে ফেলে রেখে গেছে ধরনা। এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড হতে পারে বলেও তারা দাবি করছেন।
কালীগঞ্জ থানা পুলিশ জানিয়েছে, নবজাতকটির পরিচয় শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। একই সাথে ঘটনাটির পেছনে কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড জড়িত কি না এবং স্থানীয়দের পরকীয়ার সন্দেহের বিষয়টি মাথায় রেখে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যদি কোনো ব্যক্তি এই নবজাতকের পরিচয় বা ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহভাজন কারও বিষয়ে কোনো তথ্য জেনে থাকেন, তবে তা অবিলম্বে কালীগঞ্জ থানায় জানানোর জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো।

আপনার মতামত লিখুন