নীলফামারীর জলঢাকা ও সদর উপজেলায় পৃথক দুটি সড়ক দুর্ঘটনায় একজন নিহত এবং চারজন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। রবিবার দুপুরে জলঢাকা উপজেলার খারিজা গোলনা এলাকায় ট্রাক ও অটোচার্জার ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে নলিত চন্দ্র রায় (৫৫) নামে এক যাত্রী নিহত হন। একই সময়ে নীলফামারী সদর উপজেলার কালীতলা বাসস্ট্যান্ডে নসিমন ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে আহত হয়েছেন দুজন।
জলঢাকা উপজেলার গোলনা ইউনিয়নের খারিজা গোলনা এলাকার দিঘীরপাড়ে জলঢাকা-ডিমলা সড়কে দ্রুতগামী ট্রাক ও অটোচার্জার ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে নলিত চন্দ্র রায় (৫৫) নামে এক যাত্রী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন আরও দুজন।
নিহত নলিত চন্দ্র রায় খারিজা গোলনা ঝাউপাড়া এলাকার মৃত মটুরু চন্দ্র রায়ের ছেলে। আহতরা হলেন একই ইউনিয়নের খারিজা গোলনা পূর্বপাড়া এলাকার চান মিয়া (৪৫) ও মো. আজগার আলী।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রবিবার দুপুরে নবাবগঞ্জ বাজার থেকে সাধারণ যাত্রী নিয়ে একটি অটোচার্জার ভ্যান জলঢাকার দিকে যাচ্ছিল। পথে দিঘীরপাড় এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা ঢাকা মেট্রো-ট-২৪-৪৪১৪ নম্বরের একটি ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে অটোভ্যানটিকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে ভ্যানের যাত্রীরা সড়কে ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন।
স্থানীয় লোকজন দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে জলঢাকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁদের উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। তবে হাসপাতালে নেওয়ার পথে নলিত চন্দ্র রায়ের মৃত্যু হয়।
দুর্ঘটনার পর ট্রাকের চালক ও সহকারী গাড়ি ফেলে পালিয়ে যান। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় পুলিশ ট্রাকটি জব্দ করে।
এ বিষয়ে জলঢাকা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজমুল আলম জানান, দুর্ঘটনায় একজনের প্রাণহানির ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। জব্দ করা হয়েছে ট্রাকটি। পলাতক চালক ও সহকারীকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
অন্যদিকে, নীলফামারী সদর উপজেলার কালীতলা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় নসিমন ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে দুজন আহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
দুর্ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। এ ঘটনায় আহতদের পরিচয় ও দুর্ঘটনার বিস্তারিত তথ্য জানা যায়নি।
পৃথক দুটি সড়ক দুর্ঘটনায় একজনের মৃত্যু ও চারজন আহত হওয়ার ঘটনায় জেলার সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। সড়কে যানবাহন চলাচলে সতর্কতা, বেপরোয়া গতি নিয়ন্ত্রণ এবং ট্রাফিক আইন মেনে চলার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন সচেতন মহল।
বিষয় : সড়ক দুর্ঘটনা জলঢাকার খবর

রোববার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ নভেম্বর ২০২৬
নীলফামারীর জলঢাকা ও সদর উপজেলায় পৃথক দুটি সড়ক দুর্ঘটনায় একজন নিহত এবং চারজন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। রবিবার দুপুরে জলঢাকা উপজেলার খারিজা গোলনা এলাকায় ট্রাক ও অটোচার্জার ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে নলিত চন্দ্র রায় (৫৫) নামে এক যাত্রী নিহত হন। একই সময়ে নীলফামারী সদর উপজেলার কালীতলা বাসস্ট্যান্ডে নসিমন ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে আহত হয়েছেন দুজন।
জলঢাকা উপজেলার গোলনা ইউনিয়নের খারিজা গোলনা এলাকার দিঘীরপাড়ে জলঢাকা-ডিমলা সড়কে দ্রুতগামী ট্রাক ও অটোচার্জার ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে নলিত চন্দ্র রায় (৫৫) নামে এক যাত্রী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন আরও দুজন।
নিহত নলিত চন্দ্র রায় খারিজা গোলনা ঝাউপাড়া এলাকার মৃত মটুরু চন্দ্র রায়ের ছেলে। আহতরা হলেন একই ইউনিয়নের খারিজা গোলনা পূর্বপাড়া এলাকার চান মিয়া (৪৫) ও মো. আজগার আলী।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রবিবার দুপুরে নবাবগঞ্জ বাজার থেকে সাধারণ যাত্রী নিয়ে একটি অটোচার্জার ভ্যান জলঢাকার দিকে যাচ্ছিল। পথে দিঘীরপাড় এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা ঢাকা মেট্রো-ট-২৪-৪৪১৪ নম্বরের একটি ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে অটোভ্যানটিকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে ভ্যানের যাত্রীরা সড়কে ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন।
স্থানীয় লোকজন দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে জলঢাকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁদের উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। তবে হাসপাতালে নেওয়ার পথে নলিত চন্দ্র রায়ের মৃত্যু হয়।
দুর্ঘটনার পর ট্রাকের চালক ও সহকারী গাড়ি ফেলে পালিয়ে যান। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় পুলিশ ট্রাকটি জব্দ করে।
এ বিষয়ে জলঢাকা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজমুল আলম জানান, দুর্ঘটনায় একজনের প্রাণহানির ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। জব্দ করা হয়েছে ট্রাকটি। পলাতক চালক ও সহকারীকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
অন্যদিকে, নীলফামারী সদর উপজেলার কালীতলা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় নসিমন ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে দুজন আহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
দুর্ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। এ ঘটনায় আহতদের পরিচয় ও দুর্ঘটনার বিস্তারিত তথ্য জানা যায়নি।
পৃথক দুটি সড়ক দুর্ঘটনায় একজনের মৃত্যু ও চারজন আহত হওয়ার ঘটনায় জেলার সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। সড়কে যানবাহন চলাচলে সতর্কতা, বেপরোয়া গতি নিয়ন্ত্রণ এবং ট্রাফিক আইন মেনে চলার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন সচেতন মহল।

আপনার মতামত লিখুন