ঠাকুরগাঁওয়ে হিমাগারে আলু সংরক্ষণের ভাড়া কমিয়ে কেজিপ্রতি ৫ টাকা নির্ধারণের দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান করেছেন জেলার আলু চাষি ও ব্যবসায়ীরা।
সোমবার (২২ জুন) সকাল ১১টায় জেলা কালেক্টরেট চত্বরে ‘আলুর ভ্যালু চেইন প্রমোশনাল বডি’র ব্যানারে আয়োজিত ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধনে জেলার বিভিন্ন উপজেলার শতাধিক কৃষক, ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নেন। এ সময় “কৃষক বাঁচলে বাঁচবে দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ” স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে কর্মসূচিস্থল।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, আলু উৎপাদনে বর্তমানে কেজিপ্রতি ১৭ থেকে ১৮ টাকা ব্যয় হলেও কৃষকরা বাজারে ন্যায্য মূল্য পাচ্ছেন না। উৎপাদন খরচ বৃদ্ধির পাশাপাশি হিমাগারে সংরক্ষণ ব্যয়ও আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে। বর্তমানে কেজিপ্রতি ৮ টাকা সংরক্ষণ ভাড়া কৃষকদের জন্য বড় ধরনের আর্থিক চাপ সৃষ্টি করেছে।
বক্তারা অভিযোগ করেন, গত তিন বছরে কয়েক দফায় হিমাগার ভাড়া বৃদ্ধি করে দ্বিগুণেরও বেশি করা হয়েছে। অথচ কৃষকরা তাদের উৎপাদিত আলুর ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। আলু একটি দ্রুত নষ্ট হওয়া কৃষিপণ্য হওয়ায় দীর্ঘ সময় সংরক্ষণের জন্য হিমাগারের ওপর নির্ভর করা ছাড়া কৃষকদের কোনো বিকল্প নেই। এই বাস্তবতায় সংরক্ষণ ভাড়া কমিয়ে কেজিপ্রতি ৫ টাকা নির্ধারণের জোর দাবি জানান তারা।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন জেলা আলু চাষি সংগঠনের সভাপতি মোহাম্মদ লুৎফর রহমান, সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম এবং বালিয়াডাঙ্গী আলু চাষি সংগঠনের সভাপতি আব্দুস সালামসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
বক্তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, কৃষকদের ন্যায্য দাবি দ্রুত বাস্তবায়ন না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। পরে ভুক্তভোগী কৃষকদের পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হকের কাছে একটি স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।
কৃষকদের দাবি, উৎপাদন খরচ ও বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় হিমাগার ভাড়া সহনীয় পর্যায়ে নামিয়ে আনা হলে তারা কিছুটা হলেও আর্থিক ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে পারবেন এবং কৃষি উৎপাদনে উৎসাহ ফিরে পাবেন।
বিষয় : বালিয়াডাঙ্গীর খবর ঠাকুরগাঁও সংবাদ

সোমবার, ২২ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জুন ২০২৬
ঠাকুরগাঁওয়ে হিমাগারে আলু সংরক্ষণের ভাড়া কমিয়ে কেজিপ্রতি ৫ টাকা নির্ধারণের দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান করেছেন জেলার আলু চাষি ও ব্যবসায়ীরা।
সোমবার (২২ জুন) সকাল ১১টায় জেলা কালেক্টরেট চত্বরে ‘আলুর ভ্যালু চেইন প্রমোশনাল বডি’র ব্যানারে আয়োজিত ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধনে জেলার বিভিন্ন উপজেলার শতাধিক কৃষক, ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নেন। এ সময় “কৃষক বাঁচলে বাঁচবে দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ” স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে কর্মসূচিস্থল।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, আলু উৎপাদনে বর্তমানে কেজিপ্রতি ১৭ থেকে ১৮ টাকা ব্যয় হলেও কৃষকরা বাজারে ন্যায্য মূল্য পাচ্ছেন না। উৎপাদন খরচ বৃদ্ধির পাশাপাশি হিমাগারে সংরক্ষণ ব্যয়ও আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে। বর্তমানে কেজিপ্রতি ৮ টাকা সংরক্ষণ ভাড়া কৃষকদের জন্য বড় ধরনের আর্থিক চাপ সৃষ্টি করেছে।
বক্তারা অভিযোগ করেন, গত তিন বছরে কয়েক দফায় হিমাগার ভাড়া বৃদ্ধি করে দ্বিগুণেরও বেশি করা হয়েছে। অথচ কৃষকরা তাদের উৎপাদিত আলুর ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। আলু একটি দ্রুত নষ্ট হওয়া কৃষিপণ্য হওয়ায় দীর্ঘ সময় সংরক্ষণের জন্য হিমাগারের ওপর নির্ভর করা ছাড়া কৃষকদের কোনো বিকল্প নেই। এই বাস্তবতায় সংরক্ষণ ভাড়া কমিয়ে কেজিপ্রতি ৫ টাকা নির্ধারণের জোর দাবি জানান তারা।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন জেলা আলু চাষি সংগঠনের সভাপতি মোহাম্মদ লুৎফর রহমান, সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম এবং বালিয়াডাঙ্গী আলু চাষি সংগঠনের সভাপতি আব্দুস সালামসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
বক্তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, কৃষকদের ন্যায্য দাবি দ্রুত বাস্তবায়ন না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। পরে ভুক্তভোগী কৃষকদের পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হকের কাছে একটি স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।
কৃষকদের দাবি, উৎপাদন খরচ ও বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় হিমাগার ভাড়া সহনীয় পর্যায়ে নামিয়ে আনা হলে তারা কিছুটা হলেও আর্থিক ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে পারবেন এবং কৃষি উৎপাদনে উৎসাহ ফিরে পাবেন।

আপনার মতামত লিখুন