রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সামনের সড়কে এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেলের দুই আরোহী এবং উপজেলা প্রশাসন স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণীর এক ছাত্র গুরুতর আহত হয়েছে। আহতদের আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে দ্রুত চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
আহত স্কুলছাত্রের নাম বেনজির আহম্মেদ (৯)। সে স্থানীয় তারাগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থী। আহত বাকি দুই মোটরসাইকেল আরোহীর নাম-পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, আজ দুপুরে তারাগঞ্জ উপজেলা পরিষদের প্রধান ফটকের সামনের সড়ক পার হওয়ার সময় একটি দ্রুতগতির মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে শিশু ছাত্র বেনজির আহম্মেদকে সজোরে ধাক্কা দেয়। ধাক্কা দেওয়ার পর মোটরসাইকেলটি উল্টে গিয়ে সড়কের ওপর আছড়ে পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই শিশু বেনজির এবং মোটরসাইকেলে থাকা দুই আরোহী ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন।
দুর্ঘটনার বিকট শব্দ শুনে উপজেলা পরিষদের সামনে থাকা লোকজন, স্কুলের শিক্ষক ও পথচারীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। তাঁরা রক্তাক্ত ও অজ্ঞান অবস্থায় তিনজনকে উদ্ধার করে প্রথমে তারাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। তবে কর্তব্যরত চিকিৎসক জানিয়েছেন, তিনজনের শরীরেই গুরুতর আঘাত লেগেছে।
উপজেলা পরিষদের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক এলাকা এবং স্কুল সংলগ্ন সড়কে যানবাহনের বেপরোয়া গতি নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় অভিভাবক ও বাসিন্দারা। তাঁরা জানান, স্কুলের সামনে ও উপজেলা পরিষদের প্রধান ফটকের সড়কে যানবাহনের গতি নিয়ন্ত্রণের জন্য কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেই। এখানে দ্রুত স্পিড ব্রেকার (গতি রোধক) বা পর্যাপ্ত সতর্কতামূলক সাইনবোর্ড স্থাপনের দাবি জানান তাঁরা।
এদিকে এই দুর্ঘটনার বিষয়ে তারাগঞ্জ থানা থেকে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো তথ্য বা আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এই ঘটনায় এলাকায় স্কুলশিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে গভীর উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে।

বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ জুলাই ২০২৬
রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সামনের সড়কে এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেলের দুই আরোহী এবং উপজেলা প্রশাসন স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণীর এক ছাত্র গুরুতর আহত হয়েছে। আহতদের আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে দ্রুত চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
আহত স্কুলছাত্রের নাম বেনজির আহম্মেদ (৯)। সে স্থানীয় তারাগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থী। আহত বাকি দুই মোটরসাইকেল আরোহীর নাম-পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, আজ দুপুরে তারাগঞ্জ উপজেলা পরিষদের প্রধান ফটকের সামনের সড়ক পার হওয়ার সময় একটি দ্রুতগতির মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে শিশু ছাত্র বেনজির আহম্মেদকে সজোরে ধাক্কা দেয়। ধাক্কা দেওয়ার পর মোটরসাইকেলটি উল্টে গিয়ে সড়কের ওপর আছড়ে পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই শিশু বেনজির এবং মোটরসাইকেলে থাকা দুই আরোহী ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন।
দুর্ঘটনার বিকট শব্দ শুনে উপজেলা পরিষদের সামনে থাকা লোকজন, স্কুলের শিক্ষক ও পথচারীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। তাঁরা রক্তাক্ত ও অজ্ঞান অবস্থায় তিনজনকে উদ্ধার করে প্রথমে তারাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। তবে কর্তব্যরত চিকিৎসক জানিয়েছেন, তিনজনের শরীরেই গুরুতর আঘাত লেগেছে।
উপজেলা পরিষদের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক এলাকা এবং স্কুল সংলগ্ন সড়কে যানবাহনের বেপরোয়া গতি নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় অভিভাবক ও বাসিন্দারা। তাঁরা জানান, স্কুলের সামনে ও উপজেলা পরিষদের প্রধান ফটকের সড়কে যানবাহনের গতি নিয়ন্ত্রণের জন্য কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেই। এখানে দ্রুত স্পিড ব্রেকার (গতি রোধক) বা পর্যাপ্ত সতর্কতামূলক সাইনবোর্ড স্থাপনের দাবি জানান তাঁরা।
এদিকে এই দুর্ঘটনার বিষয়ে তারাগঞ্জ থানা থেকে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো তথ্য বা আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এই ঘটনায় এলাকায় স্কুলশিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে গভীর উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে।

আপনার মতামত লিখুন