পঞ্চগড় সদর উপজেলার মাগুড়া ইউনিয়নে মাদকবিরোধী অবস্থান নেওয়াকে কেন্দ্র করে এক ওয়ার্ড বিএনপি নেতার খড়ের গুদামে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ উঠেছে। এতে প্রায় চার লাখ টাকার খড় পুড়ে যাওয়ার দাবি করেছেন ভুক্তভোগী। এ ঘটনায় পঞ্চগড় সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী মো. রেজাউর রহমান রেজা (৩৫) সদর উপজেলার ৯ নম্বর মাগুড়া ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি। তিনি উপজেলার আয়মাঝলই গ্রামের মৃত তরিকুল ইসলামের ছেলে।
লিখিত অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসা ও মাদক সেবনের বিরুদ্ধে স্থানীয় সচেতন মানুষদের নিয়ে প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন। এতে ক্ষুব্ধ একটি চক্র বিভিন্ন সময় তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর হুমকি দিয়ে আসছিল বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, গত ১৯ জুলাই দিবাগত রাত আনুমানিক ৩টার দিকে অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্তরা তার বাড়ির উত্তর পাশে টিনশেড ঘরে রাখা খড়ের গাদায় আগুন লাগিয়ে পালিয়ে যায়। কিছুক্ষণ পর স্থানীয়দের চিৎকারে তিনি ও পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। পরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে আটোয়ারী ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনলেও ততক্ষণে ঘরে থাকা প্রায় চার লাখ টাকার খড় পুড়ে যায় বলে দাবি করেন তিনি।
অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, ঘটনার বিষয়ে স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে অবগত রয়েছেন।
মো. রেজাউর রহমান রেজা বলেন, “আমি এলাকার মাদক ব্যবসা ও মাদক সেবনের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় একটি চক্র আমার ওপর ক্ষুব্ধ ছিল। আমার বিশ্বাস, তারাই পরিকল্পিতভাবে এই অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটিয়েছে। বর্তমানে আমি ও আমার পরিবারের সদস্যরা নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছি।”
তিনি আরও জানান, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা শেষে থানায় অভিযোগ দায়ের করায় কিছুটা বিলম্ব হয়েছে। পাশাপাশি তিনি দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং নিজের পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে পঞ্চগড় সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মোকলেছুর রহমান বলেন, লিখিত অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বিষয় : পঞ্চগড় অগ্নিকাণ্ড

মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জুলাই ২০২৬
পঞ্চগড় সদর উপজেলার মাগুড়া ইউনিয়নে মাদকবিরোধী অবস্থান নেওয়াকে কেন্দ্র করে এক ওয়ার্ড বিএনপি নেতার খড়ের গুদামে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ উঠেছে। এতে প্রায় চার লাখ টাকার খড় পুড়ে যাওয়ার দাবি করেছেন ভুক্তভোগী। এ ঘটনায় পঞ্চগড় সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী মো. রেজাউর রহমান রেজা (৩৫) সদর উপজেলার ৯ নম্বর মাগুড়া ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি। তিনি উপজেলার আয়মাঝলই গ্রামের মৃত তরিকুল ইসলামের ছেলে।
লিখিত অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসা ও মাদক সেবনের বিরুদ্ধে স্থানীয় সচেতন মানুষদের নিয়ে প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন। এতে ক্ষুব্ধ একটি চক্র বিভিন্ন সময় তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর হুমকি দিয়ে আসছিল বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, গত ১৯ জুলাই দিবাগত রাত আনুমানিক ৩টার দিকে অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্তরা তার বাড়ির উত্তর পাশে টিনশেড ঘরে রাখা খড়ের গাদায় আগুন লাগিয়ে পালিয়ে যায়। কিছুক্ষণ পর স্থানীয়দের চিৎকারে তিনি ও পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। পরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে আটোয়ারী ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনলেও ততক্ষণে ঘরে থাকা প্রায় চার লাখ টাকার খড় পুড়ে যায় বলে দাবি করেন তিনি।
অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, ঘটনার বিষয়ে স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে অবগত রয়েছেন।
মো. রেজাউর রহমান রেজা বলেন, “আমি এলাকার মাদক ব্যবসা ও মাদক সেবনের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় একটি চক্র আমার ওপর ক্ষুব্ধ ছিল। আমার বিশ্বাস, তারাই পরিকল্পিতভাবে এই অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটিয়েছে। বর্তমানে আমি ও আমার পরিবারের সদস্যরা নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছি।”
তিনি আরও জানান, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা শেষে থানায় অভিযোগ দায়ের করায় কিছুটা বিলম্ব হয়েছে। পাশাপাশি তিনি দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং নিজের পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে পঞ্চগড় সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মোকলেছুর রহমান বলেন, লিখিত অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন