রংপুর    বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
জুফাস নিউজ
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬

বালিয়াডাঙ্গীতে শারমিনকে উদ্ধারের দাবিতে মানববন্ধন, ইউএনওর কাছে পরিবারের আবেদন

বালিয়াডাঙ্গীতে শারমিনকে উদ্ধারের দাবিতে মানববন্ধন, ইউএনওর কাছে পরিবারের আবেদন
ছবি: জুফাস নিউজ

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় শারমিন আক্তার নামে এক তরুণীকে উদ্ধারের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন তাঁর পরিবারের সদস্য ও এলাকাবাসী। ঘটনার ২০ দিন পেরিয়ে গেলেও শারমিনের সন্ধান না পাওয়ায় উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠায় দিন কাটছে পরিবারের। দ্রুত তাঁকে উদ্ধার, নিরাপত্তা নিশ্চিত ও ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে আবেদন জানিয়েছেন স্বজনেরা।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুর ১২টায় বালিয়াডাঙ্গী চৌরাস্তায় এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে শারমিনের মা-বাবা, ভাই-বোনসহ পরিবারের সদস্য ও এলাকাবাসী অংশ নেন।

পরিবারের অভিযোগ, রোমিক চন্দ্র নামে এক যুবক শারমিনকে নিয়ে গেছেন। তাঁকে জোরপূর্বক নিয়ে যাওয়া এবং ধর্ম পরিবর্তনে চাপ দেওয়ার আশঙ্কার কথাও জানিয়েছেন স্বজনেরা। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য ও স্বাধীনভাবে যাচাই করা তথ্য পাওয়া প্রয়োজন।

শারমিনের ভাই রাসেল জানান, তাঁর বোন নিখোঁজ হওয়ার পর রোমিক চন্দ্রের সঙ্গে চলে যাওয়ার বিষয়টি জানতে পেরে তাঁরা বালিয়াডাঙ্গী থানায় এজাহার দিতে যান। তাঁর অভিযোগ, থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) উপস্থিত না থাকায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তাঁদের এজাহার গ্রহণ করেননি। পরে তিন দিন থানায় যাওয়া-আসার পর এজাহার গ্রহণ করা হয় বলে দাবি করেন তিনি।

রাসেল আরও জানান, এজাহার গ্রহণের পর ঘটনাটি বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ও অনলাইনে প্রকাশিত হলে রোমিক চন্দ্র শারমিনকে সামনে রেখে একটি ভিডিও প্রকাশ করেন। পরিবারের দাবি, ওই ভিডিওতে শারমিনকে নিজের ইচ্ছায় রোমিকের সঙ্গে যাওয়ার এবং ভালো থাকার কথা বলতে দেখা যায়। একই সঙ্গে রোমিকের পরিবারকে হয়রানি না করা এবং তাঁদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ না নেওয়ার কথাও ভিডিওতে বলা হয়েছে বলে জানান রাসেল।

তবে ভিডিওতে শারমিনের বক্তব্য স্বতঃস্ফূর্ত ছিল কি না, তা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ কারণে তাঁর বর্তমান অবস্থান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে পরিবার।

শারমিনের ভাইয়ের আরও অভিযোগ, ঝুমন্ত দাস নামে এক ব্যক্তি বালিয়াডাঙ্গী থানার ওসিকে ফোন করে তাঁদের বিয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে জানান। পাশাপাশি কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা ও সব খরচ বহনের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন। পরিবারের ভাষ্য, এসব তথ্য জানানোর পরও শারমিনকে উদ্ধারের বিষয়ে তাঁরা দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখতে পাচ্ছেন না।

মানববন্ধনে শারমিনের মা কান্নাজড়িত কণ্ঠে মেয়েকে ফিরে পাওয়ার আকুতি জানান। তিনি বলেন, “আমার মেয়েকে ফিরে পেতে চাই। এত দিন ধরে মেয়ের কোনো খোঁজ না পেয়ে আমরা খুব দুশ্চিন্তায় আছি। আমার মেয়েকে তারা জীবিত রেখেছে, নাকি তার কোনো ক্ষতি করেছে—আমরা কিছুই জানি না। প্রশাসনের কাছে অনুরোধ, আমার মেয়েকে খুঁজে বের করে আমাদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করুন।”

তিনি আরও বলেন, তাঁর মেয়েকে খুঁজে দিতে পারলে সহযোগিতাকারীদের প্রতি তিনি চিরকৃতজ্ঞ থাকবেন।

বাবার দাবি, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত হোক

শারমিনের বাবা জানান, মেয়েকে রোমিকের সঙ্গে চলে যেতে দেখেছেন বা শুনেছেন—এমন খবর পাওয়ার পর তিনি রোমিকের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তাঁর অভিযোগ, প্রথমে রোমিকের পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি অস্বীকার করেন। পরে শারমিনের ভিডিও দেখানোর পর থেকে তাঁরা আর কোনো খোঁজ দিতে পারছেন না বলে দাবি করেন তিনি।

শারমিনের বাবা বলেন, “আমার মেয়ের সন্ধান চাই। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদ্‌ঘাটন করা হোক। আমার মেয়েকে উদ্ধারে প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি।”

শারমিনের ভাই রাসেল বলেন, “আমরা আমাদের বোনকে ফিরে পেতে চাই। ২০ দিন পার হয়ে গেলেও তার কোনো খোঁজ না পাওয়ায় আমরা উদ্বিগ্ন। দ্রুত তাকে উদ্ধার করে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।”

শারমিনের বোন বলেন, “আমার বোনকে জোর করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে আমরা আশঙ্কা করছি। তাকে আমাদের ইসলাম ধর্ম ছেড়ে অন্য ধর্ম পালন করতে চাপ দেওয়া হচ্ছে বলেও আমাদের আশঙ্কা। বোনের চিন্তায় আমার মা কান্না করতে করতে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। আমরা চাই, আমার বোন দ্রুত আমাদের মাঝে ফিরে আসুক।”

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া এলাকাবাসীও শারমিনকে উদ্ধারে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান। তাঁদের মতে, ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য সামনে আনা এবং অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি।

এদিকে, শারমিনের পরিবার ও এলাকাবাসী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে আবেদন জানিয়ে প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেন। তাঁদের দাবির মধ্যে রয়েছে—শারমিনের অবস্থান শনাক্ত করা, তাঁর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, দ্রুত উদ্ধার এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত।

পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ ও দাবির বিষয়ে বালিয়াডাঙ্গী থানা পুলিশের বক্তব্য এবং মামলার বর্তমান অগ্রগতি জানা যায়নি। অভিযুক্ত রোমিক চন্দ্র ও তাঁর পরিবারের বক্তব্যও পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।

শারমিনের পরিবার ও এলাকাবাসীর একটাই দাবি—তাঁকে দ্রুত উদ্ধার করে নিরাপদে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হোক এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদ্‌ঘাটন করা হোক।

বিষয় : বালিয়াডাঙ্গীর খবর ঠাকুরগাঁও সংবাদ নিখোঁজ

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
জুফাস নিউজ

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬


বালিয়াডাঙ্গীতে শারমিনকে উদ্ধারের দাবিতে মানববন্ধন, ইউএনওর কাছে পরিবারের আবেদন

প্রকাশের তারিখ : ১৪ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় শারমিন আক্তার নামে এক তরুণীকে উদ্ধারের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন তাঁর পরিবারের সদস্য ও এলাকাবাসী। ঘটনার ২০ দিন পেরিয়ে গেলেও শারমিনের সন্ধান না পাওয়ায় উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠায় দিন কাটছে পরিবারের। দ্রুত তাঁকে উদ্ধার, নিরাপত্তা নিশ্চিত ও ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে আবেদন জানিয়েছেন স্বজনেরা।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুর ১২টায় বালিয়াডাঙ্গী চৌরাস্তায় এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে শারমিনের মা-বাবা, ভাই-বোনসহ পরিবারের সদস্য ও এলাকাবাসী অংশ নেন।

পরিবারের অভিযোগ, রোমিক চন্দ্র নামে এক যুবক শারমিনকে নিয়ে গেছেন। তাঁকে জোরপূর্বক নিয়ে যাওয়া এবং ধর্ম পরিবর্তনে চাপ দেওয়ার আশঙ্কার কথাও জানিয়েছেন স্বজনেরা। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য ও স্বাধীনভাবে যাচাই করা তথ্য পাওয়া প্রয়োজন।

শারমিনের ভাই রাসেল জানান, তাঁর বোন নিখোঁজ হওয়ার পর রোমিক চন্দ্রের সঙ্গে চলে যাওয়ার বিষয়টি জানতে পেরে তাঁরা বালিয়াডাঙ্গী থানায় এজাহার দিতে যান। তাঁর অভিযোগ, থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) উপস্থিত না থাকায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তাঁদের এজাহার গ্রহণ করেননি। পরে তিন দিন থানায় যাওয়া-আসার পর এজাহার গ্রহণ করা হয় বলে দাবি করেন তিনি।

রাসেল আরও জানান, এজাহার গ্রহণের পর ঘটনাটি বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ও অনলাইনে প্রকাশিত হলে রোমিক চন্দ্র শারমিনকে সামনে রেখে একটি ভিডিও প্রকাশ করেন। পরিবারের দাবি, ওই ভিডিওতে শারমিনকে নিজের ইচ্ছায় রোমিকের সঙ্গে যাওয়ার এবং ভালো থাকার কথা বলতে দেখা যায়। একই সঙ্গে রোমিকের পরিবারকে হয়রানি না করা এবং তাঁদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ না নেওয়ার কথাও ভিডিওতে বলা হয়েছে বলে জানান রাসেল।

তবে ভিডিওতে শারমিনের বক্তব্য স্বতঃস্ফূর্ত ছিল কি না, তা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ কারণে তাঁর বর্তমান অবস্থান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে পরিবার।

শারমিনের ভাইয়ের আরও অভিযোগ, ঝুমন্ত দাস নামে এক ব্যক্তি বালিয়াডাঙ্গী থানার ওসিকে ফোন করে তাঁদের বিয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে জানান। পাশাপাশি কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা ও সব খরচ বহনের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন। পরিবারের ভাষ্য, এসব তথ্য জানানোর পরও শারমিনকে উদ্ধারের বিষয়ে তাঁরা দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখতে পাচ্ছেন না।

মানববন্ধনে শারমিনের মা কান্নাজড়িত কণ্ঠে মেয়েকে ফিরে পাওয়ার আকুতি জানান। তিনি বলেন, “আমার মেয়েকে ফিরে পেতে চাই। এত দিন ধরে মেয়ের কোনো খোঁজ না পেয়ে আমরা খুব দুশ্চিন্তায় আছি। আমার মেয়েকে তারা জীবিত রেখেছে, নাকি তার কোনো ক্ষতি করেছে—আমরা কিছুই জানি না। প্রশাসনের কাছে অনুরোধ, আমার মেয়েকে খুঁজে বের করে আমাদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করুন।”

তিনি আরও বলেন, তাঁর মেয়েকে খুঁজে দিতে পারলে সহযোগিতাকারীদের প্রতি তিনি চিরকৃতজ্ঞ থাকবেন।

বাবার দাবি, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত হোক

শারমিনের বাবা জানান, মেয়েকে রোমিকের সঙ্গে চলে যেতে দেখেছেন বা শুনেছেন—এমন খবর পাওয়ার পর তিনি রোমিকের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তাঁর অভিযোগ, প্রথমে রোমিকের পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি অস্বীকার করেন। পরে শারমিনের ভিডিও দেখানোর পর থেকে তাঁরা আর কোনো খোঁজ দিতে পারছেন না বলে দাবি করেন তিনি।

শারমিনের বাবা বলেন, “আমার মেয়ের সন্ধান চাই। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদ্‌ঘাটন করা হোক। আমার মেয়েকে উদ্ধারে প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি।”

শারমিনের ভাই রাসেল বলেন, “আমরা আমাদের বোনকে ফিরে পেতে চাই। ২০ দিন পার হয়ে গেলেও তার কোনো খোঁজ না পাওয়ায় আমরা উদ্বিগ্ন। দ্রুত তাকে উদ্ধার করে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।”

শারমিনের বোন বলেন, “আমার বোনকে জোর করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে আমরা আশঙ্কা করছি। তাকে আমাদের ইসলাম ধর্ম ছেড়ে অন্য ধর্ম পালন করতে চাপ দেওয়া হচ্ছে বলেও আমাদের আশঙ্কা। বোনের চিন্তায় আমার মা কান্না করতে করতে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। আমরা চাই, আমার বোন দ্রুত আমাদের মাঝে ফিরে আসুক।”

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া এলাকাবাসীও শারমিনকে উদ্ধারে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান। তাঁদের মতে, ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য সামনে আনা এবং অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি।

এদিকে, শারমিনের পরিবার ও এলাকাবাসী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে আবেদন জানিয়ে প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেন। তাঁদের দাবির মধ্যে রয়েছে—শারমিনের অবস্থান শনাক্ত করা, তাঁর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, দ্রুত উদ্ধার এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত।

পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ ও দাবির বিষয়ে বালিয়াডাঙ্গী থানা পুলিশের বক্তব্য এবং মামলার বর্তমান অগ্রগতি জানা যায়নি। অভিযুক্ত রোমিক চন্দ্র ও তাঁর পরিবারের বক্তব্যও পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।

শারমিনের পরিবার ও এলাকাবাসীর একটাই দাবি—তাঁকে দ্রুত উদ্ধার করে নিরাপদে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হোক এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদ্‌ঘাটন করা হোক।


জুফাস নিউজ

সম্পাদক ও প্রকাশক: খাদেমুল বাশার রিফাত


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত জুফাস নিউজ