রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার ২নং কুর্শা ইউনিয়নে জনদুর্ভোগ লাঘবে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তরুণ সমাজসেবক হাজ্জাজ ইসলাম লালমিয়া। দীর্ঘদিন ধরে খানাখন্দে ভরা ও চলাচলের অনুপযোগী একটি জনগুরুত্বপূর্ণ সড়ক তিনি নিজ উদ্যোগে এবং নিজস্ব অর্থায়নে সংস্কার করে দিয়েছেন।
গতকাল সোমবার (৮ জুন) বিকেলে উপজেলার অনজিরুননেছা কৃষি প্রযুক্তি ইনস্টিটিউটের সামনের বেহাল হয়ে পড়া বাইপাস সড়কটি তিনি সংস্কার করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অনজিরুননেছা কৃষি প্রযুক্তি ইনস্টিটিউটের সামনের এই বাইপাস সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না করায় ছোট-বড় অসংখ্য গর্তের সৃষ্টি হয়েছিল। ফলে সড়কটি সাধারণ মানুষ ও যান চলাচলের প্রায় অনুপযোগী হয়ে পড়ে। সামান্য বৃষ্টি হলেই গর্তে পানি জমে সড়কটি যেন এক একটি মিনি পুকুরে পরিণত হতো, যার কারণে প্রতিদিনই পথচারী ও যানবাহন চালকদের চরম ভোগান্তি এবং দুর্ঘটনার ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হতো।
জনসাধারণের এই দুর্ভোগের কথা চিন্তা করে সমাজসেবক হাজ্জাজ ইসলাম লালমিয়া নিজেই মাঠে নামেন। তিনি নিজে উপস্থিত থেকে শ্রমিকদের সাথে নিয়ে ইটের খোয়া ও বালু (রাবিশ) ফেলে সড়কটির বড় বড় গর্ত ভরাট করেন এবং সাময়িকভাবে রাস্তাটি পুরোপুরি চলাচলের উপযোগী করে তোলেন। এতে স্থানীয় বাসিন্দা, শিক্ষার্থী ও বাজারমুখী হাজারো মানুষের যাতায়াতে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
লালমিয়ার এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী ও পথচারীরা। নিয়মিত যাতায়াতকারী জুলফিকার আলম নামের এক পথচারী বলেন:
“রাস্তাটির বেহাল দশার কারণে আমাদের যাতায়াত করা ভীষণ কষ্টকর ছিল। প্রশাসন বা জনপ্রতিনিধিরা যা করেনি, তিনি সাধারণ মানুষের কষ্টের কথা ভেবে সেই রাস্তাটি চলাচলের উপযোগী করেছেন। তাঁর এই কাজ সত্যিই প্রশংসনীয়।”
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, হাজ্জাজ ইসলাম লালমিয়ার পরিবার দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। তাঁর পিতা আব্দুর রশিদ কুর্শা ইউনিয়নের বর্তমান ইউপি (ইউনিয়ন পরিষদ) সদস্য। বাবার দেখানো জনসেবার পথ অনুসরণ করেই লালমিয়া নিজেকে বিভিন্ন সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডে নিয়োজিত রেখেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে হাজ্জাজ ইসলাম লালমিয়া বলেন, “জনগণের সেবা করাই আমার মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য। জনপ্রতিনিধি না হয়েও যে সাধারণ মানুষের পাশে থাকা এবং তাঁদের দুর্ভোগ দূর করা সম্ভব—সেই সামাজিক দায়িত্ববোধ থেকেই আমি এই ছোট উদ্যোগটি নিয়েছি। ভবিষ্যতেও আমি কুর্শা ইউনিয়নবাসীর যেকোনো সুখে-দুঃখে পাশে থাকতে চাই।”
বিষয় : তারাগঞ্জ তারাগঞ্জ উপজেলার খবর

শনিবার, ০১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুন ২০২৬
রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার ২নং কুর্শা ইউনিয়নে জনদুর্ভোগ লাঘবে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তরুণ সমাজসেবক হাজ্জাজ ইসলাম লালমিয়া। দীর্ঘদিন ধরে খানাখন্দে ভরা ও চলাচলের অনুপযোগী একটি জনগুরুত্বপূর্ণ সড়ক তিনি নিজ উদ্যোগে এবং নিজস্ব অর্থায়নে সংস্কার করে দিয়েছেন।
গতকাল সোমবার (৮ জুন) বিকেলে উপজেলার অনজিরুননেছা কৃষি প্রযুক্তি ইনস্টিটিউটের সামনের বেহাল হয়ে পড়া বাইপাস সড়কটি তিনি সংস্কার করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অনজিরুননেছা কৃষি প্রযুক্তি ইনস্টিটিউটের সামনের এই বাইপাস সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না করায় ছোট-বড় অসংখ্য গর্তের সৃষ্টি হয়েছিল। ফলে সড়কটি সাধারণ মানুষ ও যান চলাচলের প্রায় অনুপযোগী হয়ে পড়ে। সামান্য বৃষ্টি হলেই গর্তে পানি জমে সড়কটি যেন এক একটি মিনি পুকুরে পরিণত হতো, যার কারণে প্রতিদিনই পথচারী ও যানবাহন চালকদের চরম ভোগান্তি এবং দুর্ঘটনার ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হতো।
জনসাধারণের এই দুর্ভোগের কথা চিন্তা করে সমাজসেবক হাজ্জাজ ইসলাম লালমিয়া নিজেই মাঠে নামেন। তিনি নিজে উপস্থিত থেকে শ্রমিকদের সাথে নিয়ে ইটের খোয়া ও বালু (রাবিশ) ফেলে সড়কটির বড় বড় গর্ত ভরাট করেন এবং সাময়িকভাবে রাস্তাটি পুরোপুরি চলাচলের উপযোগী করে তোলেন। এতে স্থানীয় বাসিন্দা, শিক্ষার্থী ও বাজারমুখী হাজারো মানুষের যাতায়াতে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
লালমিয়ার এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী ও পথচারীরা। নিয়মিত যাতায়াতকারী জুলফিকার আলম নামের এক পথচারী বলেন:
“রাস্তাটির বেহাল দশার কারণে আমাদের যাতায়াত করা ভীষণ কষ্টকর ছিল। প্রশাসন বা জনপ্রতিনিধিরা যা করেনি, তিনি সাধারণ মানুষের কষ্টের কথা ভেবে সেই রাস্তাটি চলাচলের উপযোগী করেছেন। তাঁর এই কাজ সত্যিই প্রশংসনীয়।”
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, হাজ্জাজ ইসলাম লালমিয়ার পরিবার দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। তাঁর পিতা আব্দুর রশিদ কুর্শা ইউনিয়নের বর্তমান ইউপি (ইউনিয়ন পরিষদ) সদস্য। বাবার দেখানো জনসেবার পথ অনুসরণ করেই লালমিয়া নিজেকে বিভিন্ন সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডে নিয়োজিত রেখেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে হাজ্জাজ ইসলাম লালমিয়া বলেন, “জনগণের সেবা করাই আমার মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য। জনপ্রতিনিধি না হয়েও যে সাধারণ মানুষের পাশে থাকা এবং তাঁদের দুর্ভোগ দূর করা সম্ভব—সেই সামাজিক দায়িত্ববোধ থেকেই আমি এই ছোট উদ্যোগটি নিয়েছি। ভবিষ্যতেও আমি কুর্শা ইউনিয়নবাসীর যেকোনো সুখে-দুঃখে পাশে থাকতে চাই।”

আপনার মতামত লিখুন