দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলায় নিখোঁজ হওয়ার মাত্র একদিনের মাথায় দুই কিশোরকে সুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। গতকাল সোমবার (১৫ জুন) দুপুরে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে উদ্ধারকৃত কিশোরদের নিজ নিজ পরিবারের জিম্মায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
পুলিশের দ্রুত তৎপরতা ও তথ্যপ্রযুক্তির সঠিক ব্যবহারের কারণে নিখোঁজের মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাদের অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা সম্ভব হলো।
থানা পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘোড়াঘাট উপজেলার জালালপুর গ্রামের মো. আব্দুল হাকিমের ছেলে মো. তুহিন মিয়া এবং তার বন্ধু গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার বড়গ্রাম এলাকার মো. রাফিউল ইসলাম (১২) গত রোববার (১৪ জুন) সকাল ১০টার দিকে বাড়ি থেকে বের হয়। এরপর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও তারা আর বাড়িতে ফিরে আসেনি।
পরিবারের সদস্যরা আত্মীয়-স্বজনসহ সম্ভাব্য সব স্থানে দিনভর খোঁজাখুঁজি করেও তাদের কোনো সন্ধান পাননি। কোনো উপায় না পেয়ে ওই দিনই তুহিনের বাবা মো. আব্দুল হাকিম বাদী হয়ে ঘোড়াঘাট থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি (জিডি নং-৫৮৪) করেন।
জিডি করার পর পরই ঘোড়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) নির্দেশনায় অনুসন্ধানে নামে পুলিশ। থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সাইফুল আলম ও এসআই ওয়াজিদ উল্লাহ সিদ্দিক তথ্যপ্রযুক্তির (আইটি) সহায়তায় নিখোঁজ কিশোরদের অবস্থান শনাক্ত করার চেষ্টা শুরু করেন।
অবশেষে দীর্ঘ ও নিখুঁত প্রচেষ্টার পর গতকাল সোমবার দুপুরে ঘোড়াঘাট পৌর এলাকার কুণ্ডু মার্কেট সংলগ্ন গাইবান্ধা মোড় থেকে ওই দুই কিশোরকে সুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করতে সক্ষম হয় পুলিশ। উদ্ধারকালে তল্লাশি চালিয়ে তাদের কাছ থেকে নগদ ৮ হাজার টাকা পাওয়া যায়।
সন্তানদের ফিরে পেয়ে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন তাদের বাবা-মা ও পরিবারের সদস্যরা। তারা পুলিশের এই দ্রুত ও আন্তরিক ভূমিকার জন্য গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
ঘোড়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন:
"নিখোঁজ ডায়েরি হওয়ার পর থেকেই পুলিশ অত্যন্ত তৎপর ছিল। তথ্যপ্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার করে দ্রুততম সময়ে কিশোরদের উদ্ধার করে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে এবং সন্তানদের সুরক্ষায় অভিভাবকদের আরও বেশি সচেতন ও যত্নশীল থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।"
বিষয় : দিনাজপুরের খবর

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুন ২০২৬
দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলায় নিখোঁজ হওয়ার মাত্র একদিনের মাথায় দুই কিশোরকে সুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। গতকাল সোমবার (১৫ জুন) দুপুরে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে উদ্ধারকৃত কিশোরদের নিজ নিজ পরিবারের জিম্মায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
পুলিশের দ্রুত তৎপরতা ও তথ্যপ্রযুক্তির সঠিক ব্যবহারের কারণে নিখোঁজের মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাদের অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা সম্ভব হলো।
থানা পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘোড়াঘাট উপজেলার জালালপুর গ্রামের মো. আব্দুল হাকিমের ছেলে মো. তুহিন মিয়া এবং তার বন্ধু গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার বড়গ্রাম এলাকার মো. রাফিউল ইসলাম (১২) গত রোববার (১৪ জুন) সকাল ১০টার দিকে বাড়ি থেকে বের হয়। এরপর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও তারা আর বাড়িতে ফিরে আসেনি।
পরিবারের সদস্যরা আত্মীয়-স্বজনসহ সম্ভাব্য সব স্থানে দিনভর খোঁজাখুঁজি করেও তাদের কোনো সন্ধান পাননি। কোনো উপায় না পেয়ে ওই দিনই তুহিনের বাবা মো. আব্দুল হাকিম বাদী হয়ে ঘোড়াঘাট থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি (জিডি নং-৫৮৪) করেন।
জিডি করার পর পরই ঘোড়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) নির্দেশনায় অনুসন্ধানে নামে পুলিশ। থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সাইফুল আলম ও এসআই ওয়াজিদ উল্লাহ সিদ্দিক তথ্যপ্রযুক্তির (আইটি) সহায়তায় নিখোঁজ কিশোরদের অবস্থান শনাক্ত করার চেষ্টা শুরু করেন।
অবশেষে দীর্ঘ ও নিখুঁত প্রচেষ্টার পর গতকাল সোমবার দুপুরে ঘোড়াঘাট পৌর এলাকার কুণ্ডু মার্কেট সংলগ্ন গাইবান্ধা মোড় থেকে ওই দুই কিশোরকে সুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করতে সক্ষম হয় পুলিশ। উদ্ধারকালে তল্লাশি চালিয়ে তাদের কাছ থেকে নগদ ৮ হাজার টাকা পাওয়া যায়।
সন্তানদের ফিরে পেয়ে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন তাদের বাবা-মা ও পরিবারের সদস্যরা। তারা পুলিশের এই দ্রুত ও আন্তরিক ভূমিকার জন্য গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
ঘোড়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন:
"নিখোঁজ ডায়েরি হওয়ার পর থেকেই পুলিশ অত্যন্ত তৎপর ছিল। তথ্যপ্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার করে দ্রুততম সময়ে কিশোরদের উদ্ধার করে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে এবং সন্তানদের সুরক্ষায় অভিভাবকদের আরও বেশি সচেতন ও যত্নশীল থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।"

আপনার মতামত লিখুন