ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার ভূল্লী ইউনিয়নের চরনখোলা গুচ্ছগ্রামে নাহিদা আক্তার (১৩) নামে সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রীর ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার হওয়ার পর হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
শনিবার (১ আগস্ট) বিকেল ৫টা থেকে ৬টার মধ্যে কোনো এক সময় এ ঘটনা ঘটে। নাহিদা চরনখোলা উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী এবং ভূল্লী থানার চরনখোলা (গুচ্ছগ্রাম) এলাকার মো. জাহাঙ্গীর আলমের মেয়ে।
পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নাহিদার বাবা লক্ষীরহাট বাজারের একটি হোটেলে কর্মরত এবং মা দিনমজুর হিসেবে জীবিকা নির্বাহ করেন। শনিবার বিকেলে নাহিদার মা বাজারে যাওয়ার সময় নাহিদাকে বাড়িতে রেখে যান। সন্ধ্যা ৬টার দিকে বাড়ি ফিরে তিনি ঘরের বারান্দায় নাহিদাকে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় ঝুলতে দেখেন। পরে তার চিৎকারে প্রতিবেশীরা ছুটে এসে দ্রুত ঠাকুরগাঁও ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
বর্তমানে মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে কারও বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি।
ভূল্লী থানা পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি নিয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে। পুলিশ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে।
বিষয় : ঠাকুরগাঁও সংবাদ ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ আগস্ট ২০২৬
ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার ভূল্লী ইউনিয়নের চরনখোলা গুচ্ছগ্রামে নাহিদা আক্তার (১৩) নামে সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রীর ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার হওয়ার পর হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
শনিবার (১ আগস্ট) বিকেল ৫টা থেকে ৬টার মধ্যে কোনো এক সময় এ ঘটনা ঘটে। নাহিদা চরনখোলা উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী এবং ভূল্লী থানার চরনখোলা (গুচ্ছগ্রাম) এলাকার মো. জাহাঙ্গীর আলমের মেয়ে।
পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নাহিদার বাবা লক্ষীরহাট বাজারের একটি হোটেলে কর্মরত এবং মা দিনমজুর হিসেবে জীবিকা নির্বাহ করেন। শনিবার বিকেলে নাহিদার মা বাজারে যাওয়ার সময় নাহিদাকে বাড়িতে রেখে যান। সন্ধ্যা ৬টার দিকে বাড়ি ফিরে তিনি ঘরের বারান্দায় নাহিদাকে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় ঝুলতে দেখেন। পরে তার চিৎকারে প্রতিবেশীরা ছুটে এসে দ্রুত ঠাকুরগাঁও ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
বর্তমানে মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে কারও বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি।
ভূল্লী থানা পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি নিয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে। পুলিশ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে।

আপনার মতামত লিখুন