গণ-অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে ঠাকুরগাঁও জেলার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় ১১ দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে এক বর্ণাঢ্য মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরতে উপজেলার বিভিন্ন স্থান থেকে রাজনৈতিক নেতাকর্মী, সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধি, ছাত্র-যুবসমাজ এবং সাধারণ মানুষ এতে অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে একটি বর্ণাঢ্য মিছিল উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ সড়কসমূহ প্রদক্ষিণ করে। মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার, জনগণের অধিকার, জাতীয় ঐক্য এবং বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার পক্ষে বিভিন্ন স্লোগান দেন। মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে নির্ধারিত সমাবেশস্থলে গিয়ে শেষ হয়।
পরে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। বক্তারা বলেন, গণ-অভ্যুত্থান দিবস জনগণের অধিকার, স্বাধীন মতপ্রকাশ এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ রক্ষার সংগ্রামের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্মারক। তারা দেশ গঠনে ঐক্য, পারস্পরিক সম্প্রীতি এবং গণতান্ত্রিক চর্চা আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
বক্তারা আরও বলেন, দেশের উন্নয়ন, শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে বিভেদ ভুলে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। তারা নতুন প্রজন্মকে দেশের ইতিহাস, গণতান্ত্রিক আন্দোলন এবং জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।
সমাবেশে উপস্থিত নেতৃবৃন্দ গণ-অভ্যুত্থানের চেতনাকে ধারণ করে মানবিক, ন্যায়ভিত্তিক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গঠনের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, গণমাধ্যমকর্মী এবং বিপুলসংখ্যক সাধারণ মানুষের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।
পুরো অনুষ্ঠান শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দায়িত্ব পালন করেন।

বৃহস্পতিবার, ০৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ আগস্ট ২০২৬
গণ-অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে ঠাকুরগাঁও জেলার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় ১১ দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে এক বর্ণাঢ্য মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরতে উপজেলার বিভিন্ন স্থান থেকে রাজনৈতিক নেতাকর্মী, সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধি, ছাত্র-যুবসমাজ এবং সাধারণ মানুষ এতে অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে একটি বর্ণাঢ্য মিছিল উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ সড়কসমূহ প্রদক্ষিণ করে। মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার, জনগণের অধিকার, জাতীয় ঐক্য এবং বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার পক্ষে বিভিন্ন স্লোগান দেন। মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে নির্ধারিত সমাবেশস্থলে গিয়ে শেষ হয়।
পরে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। বক্তারা বলেন, গণ-অভ্যুত্থান দিবস জনগণের অধিকার, স্বাধীন মতপ্রকাশ এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ রক্ষার সংগ্রামের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্মারক। তারা দেশ গঠনে ঐক্য, পারস্পরিক সম্প্রীতি এবং গণতান্ত্রিক চর্চা আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
বক্তারা আরও বলেন, দেশের উন্নয়ন, শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে বিভেদ ভুলে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। তারা নতুন প্রজন্মকে দেশের ইতিহাস, গণতান্ত্রিক আন্দোলন এবং জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।
সমাবেশে উপস্থিত নেতৃবৃন্দ গণ-অভ্যুত্থানের চেতনাকে ধারণ করে মানবিক, ন্যায়ভিত্তিক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গঠনের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, গণমাধ্যমকর্মী এবং বিপুলসংখ্যক সাধারণ মানুষের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।
পুরো অনুষ্ঠান শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দায়িত্ব পালন করেন।

আপনার মতামত লিখুন