ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার বড় পলাশবাড়ী ইউনিয়নের জিয়াবাড়ী (দক্ষিণদুয়ারী) গ্রামের বাসিন্দা মো. সাদেকুল ইসলাম (প্রায় ৩৫) বন্যার পানিতে মাছ ধরতে গিয়ে মর্মান্তিকভাবে প্রাণ হারিয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার গভীর রাতে বন্যার পানিতে মাছ ধরার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হন সাদেকুল ইসলাম। মাছ ধরার একপর্যায়ে তার মৃগী রোগের খিঁচুনি (ফিট) উঠলে তিনি পানিতে পড়ে যান। এতে তিনি আর উঠে আসতে না পারায় নিখোঁজ হন।
বৃহস্পতিবার সকালে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা তাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। সকাল আনুমানিক ৬টার দিকে একটি পুকুরপাড়সংলগ্ন বন্যার পানিতে তার মরদেহ ভাসতে দেখেন স্থানীয়রা। পরে তাদের সহযোগিতায় মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
সাদেকুল ইসলামের আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবার, স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়রা জানান, বন্যার সময় মাছ ধরতে যাওয়া কিংবা পানিতে চলাচলের ক্ষেত্রে সামান্য অসতর্কতাও বড় ধরনের দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে। তাই বন্যাকবলিত এলাকায় অপ্রয়োজনীয় ঝুঁকি এড়িয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
বিষয় : বালিয়াডাঙ্গীর খবর ঠাকুরগাঁও সংবাদ

বৃহস্পতিবার, ০৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ আগস্ট ২০২৬
ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার বড় পলাশবাড়ী ইউনিয়নের জিয়াবাড়ী (দক্ষিণদুয়ারী) গ্রামের বাসিন্দা মো. সাদেকুল ইসলাম (প্রায় ৩৫) বন্যার পানিতে মাছ ধরতে গিয়ে মর্মান্তিকভাবে প্রাণ হারিয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার গভীর রাতে বন্যার পানিতে মাছ ধরার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হন সাদেকুল ইসলাম। মাছ ধরার একপর্যায়ে তার মৃগী রোগের খিঁচুনি (ফিট) উঠলে তিনি পানিতে পড়ে যান। এতে তিনি আর উঠে আসতে না পারায় নিখোঁজ হন।
বৃহস্পতিবার সকালে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা তাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। সকাল আনুমানিক ৬টার দিকে একটি পুকুরপাড়সংলগ্ন বন্যার পানিতে তার মরদেহ ভাসতে দেখেন স্থানীয়রা। পরে তাদের সহযোগিতায় মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
সাদেকুল ইসলামের আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবার, স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়রা জানান, বন্যার সময় মাছ ধরতে যাওয়া কিংবা পানিতে চলাচলের ক্ষেত্রে সামান্য অসতর্কতাও বড় ধরনের দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে। তাই বন্যাকবলিত এলাকায় অপ্রয়োজনীয় ঝুঁকি এড়িয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

আপনার মতামত লিখুন