নীলফামারীর রোমানিয়ার কিশোরগঞ্জ উপজেলায় গোলাম রাব্বানী লাবু মিয়া (২৪) নামে এক যুবকের গলিত মরদেহ তার শোয়ার ঘর থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের কেশবা কলেজ গেট এলাকার নিজ বাড়ি থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত লাবু মিয়া ওই গ্রামের গোলাম রাব্বানীর বাদশার ছেলে। তিন ভাইয়ের মধ্যে সবার বড় লাবু। পরিবারের সদস্যদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, লাবু মিয়া কোরআনের হাফেজ ছিলেন। তিনি অবিবাহিত ও বেকার ছিলেন। সম্প্রতি তার বিয়ের বিষয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে আলোচনা চলছিল।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকালে লাবুর শোয়ার ঘর থেকে দুর্গন্ধ বের হতে থাকে। বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের নজরে এলে তারা দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করেন। এ সময় লাবু মিয়ার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান তারা। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে কিশোরগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নীলফামারী মর্গে পাঠায়।
স্থানীয়রা জানান, মরদেহে পচন ধরেছিল এবং ঘর থেকে তীব্র দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ছিল। মরদেহের এমন অবস্থা ও ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় নানা প্রশ্ন ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের অনেকেরই প্রশ্ন—লাবু মিয়ার মৃত্যু আত্মহত্যা, নাকি এর পেছনে অন্য কোনো কারণ রয়েছে, তা তদন্তের মাধ্যমে স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন।
কিশোরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল গফুর ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। মরদেহের ময়নাতদন্ত ও তদন্ত শেষে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।
বিষয় : কিশোরগঞ্জ অজ্ঞাত লাশ উদ্ধার

শুক্রবার, ২১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ আগস্ট ২০২৬
নীলফামারীর রোমানিয়ার কিশোরগঞ্জ উপজেলায় গোলাম রাব্বানী লাবু মিয়া (২৪) নামে এক যুবকের গলিত মরদেহ তার শোয়ার ঘর থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের কেশবা কলেজ গেট এলাকার নিজ বাড়ি থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত লাবু মিয়া ওই গ্রামের গোলাম রাব্বানীর বাদশার ছেলে। তিন ভাইয়ের মধ্যে সবার বড় লাবু। পরিবারের সদস্যদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, লাবু মিয়া কোরআনের হাফেজ ছিলেন। তিনি অবিবাহিত ও বেকার ছিলেন। সম্প্রতি তার বিয়ের বিষয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে আলোচনা চলছিল।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকালে লাবুর শোয়ার ঘর থেকে দুর্গন্ধ বের হতে থাকে। বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের নজরে এলে তারা দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করেন। এ সময় লাবু মিয়ার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান তারা। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে কিশোরগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নীলফামারী মর্গে পাঠায়।
স্থানীয়রা জানান, মরদেহে পচন ধরেছিল এবং ঘর থেকে তীব্র দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ছিল। মরদেহের এমন অবস্থা ও ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় নানা প্রশ্ন ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের অনেকেরই প্রশ্ন—লাবু মিয়ার মৃত্যু আত্মহত্যা, নাকি এর পেছনে অন্য কোনো কারণ রয়েছে, তা তদন্তের মাধ্যমে স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন।
কিশোরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল গফুর ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। মরদেহের ময়নাতদন্ত ও তদন্ত শেষে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।

আপনার মতামত লিখুন