দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার পাকেরহাট এলাকায় ইয়াবা ট্যাবলেটসহ সুজন চন্দ্র কোয়ালী (পিতা: ছত্র মোহন কোয়ালী) নামের এক মাদক কারবারিকে হাতেনাতে আটক করেছে স্থানীয় জনতা। পরে উপস্থিত জনতার সহযোগিতায় তাকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পুলিশের হাতে সোপর্দ করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত সুজন চন্দ্র কোয়ালী দীর্ঘদিন ধরে পাকেরহাট ও এর আশেপাশের এলাকায় ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকের অবৈধ ব্যবসা চালিয়ে আসছিলেন। ঘটনার দিন তিনি ইয়াবা বিক্রির উদ্দেশ্যে অবস্থান করছিলেন। বিষয়টি স্থানীয় লোকজনের সন্দেহ হলে তারা তাকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন এবং তল্লাশি চালিয়ে তার কাছ থেকে ইয়াবা উদ্ধার করেন।
এলাকাবাসীর ভাষ্যমতে, সুজন চন্দ্র কোয়ালী একজন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। এর আগেও তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য আইনে মামলা রয়েছে এবং বর্তমানে তিনি একটি মাদক মামলার জামিনে মুক্ত থেকে পুনরায় একই অপরাধমূলক কার্যক্রমে লিপ্ত ছিলেন।
জনতা তাকে আটকের পর স্থানীয় প্রশাসনকে খবর দেয়। পরবর্তীতে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে হেফাজতে নেয় এবং তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু করে।
এলাকাবাসীর এই সাহসী পদক্ষেপে সন্তোষ প্রকাশ করে সচেতন মহল বলছেন, মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধি নির্মূলে এ ধরনের জনসচেতনতা ও প্রতিরোধ অত্যন্ত জরুরি। মাদক ব্যবসায়ীদের কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় এলাকাবাসী।
বিষয় : দিনাজপুরের খবর খানসামা

বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ অক্টোবর ২০২৬
দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার পাকেরহাট এলাকায় ইয়াবা ট্যাবলেটসহ সুজন চন্দ্র কোয়ালী (পিতা: ছত্র মোহন কোয়ালী) নামের এক মাদক কারবারিকে হাতেনাতে আটক করেছে স্থানীয় জনতা। পরে উপস্থিত জনতার সহযোগিতায় তাকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পুলিশের হাতে সোপর্দ করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত সুজন চন্দ্র কোয়ালী দীর্ঘদিন ধরে পাকেরহাট ও এর আশেপাশের এলাকায় ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকের অবৈধ ব্যবসা চালিয়ে আসছিলেন। ঘটনার দিন তিনি ইয়াবা বিক্রির উদ্দেশ্যে অবস্থান করছিলেন। বিষয়টি স্থানীয় লোকজনের সন্দেহ হলে তারা তাকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন এবং তল্লাশি চালিয়ে তার কাছ থেকে ইয়াবা উদ্ধার করেন।
এলাকাবাসীর ভাষ্যমতে, সুজন চন্দ্র কোয়ালী একজন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। এর আগেও তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য আইনে মামলা রয়েছে এবং বর্তমানে তিনি একটি মাদক মামলার জামিনে মুক্ত থেকে পুনরায় একই অপরাধমূলক কার্যক্রমে লিপ্ত ছিলেন।
জনতা তাকে আটকের পর স্থানীয় প্রশাসনকে খবর দেয়। পরবর্তীতে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে হেফাজতে নেয় এবং তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু করে।
এলাকাবাসীর এই সাহসী পদক্ষেপে সন্তোষ প্রকাশ করে সচেতন মহল বলছেন, মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধি নির্মূলে এ ধরনের জনসচেতনতা ও প্রতিরোধ অত্যন্ত জরুরি। মাদক ব্যবসায়ীদের কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় এলাকাবাসী।

আপনার মতামত লিখুন