প্রকৃতি ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের বার্তা ছড়িয়ে দিতে ঠাকুরগাঁওয়ের লোকায়ন জীবনবৈচিত্র্য জাদুঘরে দুর্লভ ও দেশীয় প্রজাতির ছয়টি বৃক্ষের চারা রোপণ করেছেন রংপুর বিভাগের ছয় জেলার জেলা প্রশাসক।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) তাঁরা জাদুঘরটি পরিদর্শন করেন। এ সময় জাদুঘরের বিভিন্ন গ্যালারি ঘুরে দেখার পাশাপাশি এর ব্যতিক্রমী উদ্যোগ ও পরিবেশ সংরক্ষণমূলক কার্যক্রমের প্রশংসা করেন।
পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসকেরা অর্কিড হাব, কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ, লোকজ খেলনা ও পুতুল, নদী, সমতলের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী, বাদ্যযন্ত্র, তৃণমূলের লোকজ, বিজ্ঞান, মুক্তিযুদ্ধ ও বৃক্ষ গ্যালারি ঘুরে দেখেন। এসব গ্যালারিতে বাংলাদেশের প্রকৃতি, জীববৈচিত্র্য, ইতিহাস, সংস্কৃতি ও লোকজ ঐতিহ্যের নানা নিদর্শন দেখে তাঁরা মুগ্ধ হন।
পরে জাদুঘরের বৃক্ষ গ্যালারিতে পশুর, তৈকর, কাইজেলিয়া, চাপালিশ, কাঞ্চন ও কৃষ্ণচূড়া প্রজাতির ছয়টি চারা রোপণ করেন জেলা প্রশাসকেরা।
জাদুঘর সূত্রে জানা যায়, ইতোমধ্যে এ গ্যালারিতে প্রায় ১৫০ প্রজাতির বৃক্ষ রোপণ করা হয়েছে। বিরল ও বিলুপ্তপ্রায় বৃক্ষ সংরক্ষণের পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের মধ্যে প্রকৃতি ও জীববৈচিত্র্য সম্পর্কে সচেতনতা তৈরিতে কাজ করছে প্রতিষ্ঠানটি।
পরিদর্শনকারী জেলা প্রশাসকেরা হলেন—ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ রফিকুল হক, কুড়িগ্রামের অন্নপূর্ণা দেবনাথ, পঞ্চগড়ের মোসা. শুকরিয়া পারভীন, দিনাজপুরের মো. রফিকুল ইসলাম, রংপুরের ইসরাত জাহান এবং গাইবান্ধার ড. মো. মনিরুজ্জামান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ইকো-সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের (ইএসডিএফ) ব্যবস্থাপনা পরিচালক শ্বাশ্বত জামান, ইএসডিওর হেড অব ইনক্লুসিভ ফাইন্যান্স মো. আইনুল হকসহ সংস্থাটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
প্রকৃতি, পরিবেশ, ইতিহাস, ঐতিহ্য ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ হিসেবে পরিচিত লোকায়ন জীবনবৈচিত্র্য জাদুঘর। দেশীয় সংস্কৃতি ও প্রাকৃতিক ঐতিহ্য ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার পাশাপাশি পরিবেশ সচেতনতা তৈরিতেও ভূমিকা রাখছে প্রতিষ্ঠানটি।
বিষয় : বৃক্ষরোপণ ঠাকুরগাঁও সংবাদ

শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ নভেম্বর ২০২৬
প্রকৃতি ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের বার্তা ছড়িয়ে দিতে ঠাকুরগাঁওয়ের লোকায়ন জীবনবৈচিত্র্য জাদুঘরে দুর্লভ ও দেশীয় প্রজাতির ছয়টি বৃক্ষের চারা রোপণ করেছেন রংপুর বিভাগের ছয় জেলার জেলা প্রশাসক।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) তাঁরা জাদুঘরটি পরিদর্শন করেন। এ সময় জাদুঘরের বিভিন্ন গ্যালারি ঘুরে দেখার পাশাপাশি এর ব্যতিক্রমী উদ্যোগ ও পরিবেশ সংরক্ষণমূলক কার্যক্রমের প্রশংসা করেন।
পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসকেরা অর্কিড হাব, কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ, লোকজ খেলনা ও পুতুল, নদী, সমতলের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী, বাদ্যযন্ত্র, তৃণমূলের লোকজ, বিজ্ঞান, মুক্তিযুদ্ধ ও বৃক্ষ গ্যালারি ঘুরে দেখেন। এসব গ্যালারিতে বাংলাদেশের প্রকৃতি, জীববৈচিত্র্য, ইতিহাস, সংস্কৃতি ও লোকজ ঐতিহ্যের নানা নিদর্শন দেখে তাঁরা মুগ্ধ হন।
পরে জাদুঘরের বৃক্ষ গ্যালারিতে পশুর, তৈকর, কাইজেলিয়া, চাপালিশ, কাঞ্চন ও কৃষ্ণচূড়া প্রজাতির ছয়টি চারা রোপণ করেন জেলা প্রশাসকেরা।
জাদুঘর সূত্রে জানা যায়, ইতোমধ্যে এ গ্যালারিতে প্রায় ১৫০ প্রজাতির বৃক্ষ রোপণ করা হয়েছে। বিরল ও বিলুপ্তপ্রায় বৃক্ষ সংরক্ষণের পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের মধ্যে প্রকৃতি ও জীববৈচিত্র্য সম্পর্কে সচেতনতা তৈরিতে কাজ করছে প্রতিষ্ঠানটি।
পরিদর্শনকারী জেলা প্রশাসকেরা হলেন—ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ রফিকুল হক, কুড়িগ্রামের অন্নপূর্ণা দেবনাথ, পঞ্চগড়ের মোসা. শুকরিয়া পারভীন, দিনাজপুরের মো. রফিকুল ইসলাম, রংপুরের ইসরাত জাহান এবং গাইবান্ধার ড. মো. মনিরুজ্জামান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ইকো-সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের (ইএসডিএফ) ব্যবস্থাপনা পরিচালক শ্বাশ্বত জামান, ইএসডিওর হেড অব ইনক্লুসিভ ফাইন্যান্স মো. আইনুল হকসহ সংস্থাটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
প্রকৃতি, পরিবেশ, ইতিহাস, ঐতিহ্য ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ হিসেবে পরিচিত লোকায়ন জীবনবৈচিত্র্য জাদুঘর। দেশীয় সংস্কৃতি ও প্রাকৃতিক ঐতিহ্য ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার পাশাপাশি পরিবেশ সচেতনতা তৈরিতেও ভূমিকা রাখছে প্রতিষ্ঠানটি।

আপনার মতামত লিখুন