ঠাকুরগাঁওয়ে চুরি হওয়া একটি Honda Hornet 160cc মোটরসাইকেল উদ্ধার করেছে সদর থানা পুলিশ। এ ঘটনায় সংঘবদ্ধ চোর চক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, গত ৭ জুলাই রাতে সদর উপজেলার রহিমানপুর পশ্চিমপাড়া এলাকার মো. সোহাগ রানার বাড়ির শয়নকক্ষ থেকে লাল রঙের Honda Hornet 160cc মোটরসাইকেলটি চুরি হয়। এ সময় একটি বাটন মোবাইল ফোন, নগদ টাকা ও অন্যান্য মালামালও নিয়ে যায় চোরেরা।
ঘটনার পর মামলা হলে পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় সদর থানা পুলিশ তদন্তে নামে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন, গোয়েন্দা তথ্য ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় চুরির ঘটনায় জড়িত প্রধান আসামি মো. রাব্বি ইসলামকে শনাক্ত করে ঠাকুরগাঁও বড়মাঠ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পরে রাব্বিকে আদালতে সোপর্দ করা হলে তিনি ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন। জবানবন্দিতে তিনি চুরি করা মোটরসাইকেল ও মোবাইল ফোন ২০ হাজার টাকায় মো. আফজাল হোসেন আকিরের কাছে বিক্রির কথা জানান।
তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গত ১৩ আগস্ট আফজালকে তার বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে আফজাল জানান, চুরির তিন দিন পর ১১ জুলাই তিনি মোটরসাইকেলটি মো. আফছারুল হক ওরফে রিপ্পির কাছে বিক্রি করেন।
পরবর্তীতে রিপ্পির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে দিনাজপুর শহরের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে মো. মানিক শেখকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে চিরিরবন্দর থানার কারেন্টের হাট এলাকা থেকে শ্রী গোবিন্দ চন্দ্র রায়কে গ্রেপ্তার করা হয়।
পরে গোবিন্দ চন্দ্র রায়ের মোটরসাইকেল মেরামতের দোকানে অভিযান চালিয়ে বাদীর শনাক্ত মতে চুরি যাওয়া Honda Hornet 160cc মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করে পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে চুরির ঘটনায় সংশ্লিষ্টতার প্রাথমিক তথ্য পাওয়া গেছে। চুরি হওয়া বাটন মোবাইল ফোনসহ অন্যান্য মালামাল উদ্ধার এবং চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
বিষয় : ঠাকুরগাঁও সংবাদ চুরি

শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ আগস্ট ২০২৬
ঠাকুরগাঁওয়ে চুরি হওয়া একটি Honda Hornet 160cc মোটরসাইকেল উদ্ধার করেছে সদর থানা পুলিশ। এ ঘটনায় সংঘবদ্ধ চোর চক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, গত ৭ জুলাই রাতে সদর উপজেলার রহিমানপুর পশ্চিমপাড়া এলাকার মো. সোহাগ রানার বাড়ির শয়নকক্ষ থেকে লাল রঙের Honda Hornet 160cc মোটরসাইকেলটি চুরি হয়। এ সময় একটি বাটন মোবাইল ফোন, নগদ টাকা ও অন্যান্য মালামালও নিয়ে যায় চোরেরা।
ঘটনার পর মামলা হলে পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় সদর থানা পুলিশ তদন্তে নামে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন, গোয়েন্দা তথ্য ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় চুরির ঘটনায় জড়িত প্রধান আসামি মো. রাব্বি ইসলামকে শনাক্ত করে ঠাকুরগাঁও বড়মাঠ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পরে রাব্বিকে আদালতে সোপর্দ করা হলে তিনি ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন। জবানবন্দিতে তিনি চুরি করা মোটরসাইকেল ও মোবাইল ফোন ২০ হাজার টাকায় মো. আফজাল হোসেন আকিরের কাছে বিক্রির কথা জানান।
তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গত ১৩ আগস্ট আফজালকে তার বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে আফজাল জানান, চুরির তিন দিন পর ১১ জুলাই তিনি মোটরসাইকেলটি মো. আফছারুল হক ওরফে রিপ্পির কাছে বিক্রি করেন।
পরবর্তীতে রিপ্পির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে দিনাজপুর শহরের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে মো. মানিক শেখকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে চিরিরবন্দর থানার কারেন্টের হাট এলাকা থেকে শ্রী গোবিন্দ চন্দ্র রায়কে গ্রেপ্তার করা হয়।
পরে গোবিন্দ চন্দ্র রায়ের মোটরসাইকেল মেরামতের দোকানে অভিযান চালিয়ে বাদীর শনাক্ত মতে চুরি যাওয়া Honda Hornet 160cc মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করে পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে চুরির ঘটনায় সংশ্লিষ্টতার প্রাথমিক তথ্য পাওয়া গেছে। চুরি হওয়া বাটন মোবাইল ফোনসহ অন্যান্য মালামাল উদ্ধার এবং চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন