ঢাকায় যুবকে হত্যার পর নিজ বাড়ি নীলফামারীর ডিমলায় পুতে রাখার অভিযোগ উঠেছে মামুন নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে । মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা থেকে পুলিশের একটি তদন্ত টিম নীলফামারীর ডিমলা থানার সহায়তায় সন্দেহভাজন মামুনকে আটক করে , পরে তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে তদন্তকারী পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মাটি খুঁড়ে হত্যার শিকার হওয়া রাকিবের লাশ উদ্ধার করে।
নিহত রাকিব ইসলাম টাঙ্গাইলের গোপালপুর এলাকার খাদেমুল ইসলামের ছেলে এবং ঢাকার মিরপুর ১০ এলাকার কাফরুল থানার শ্যাওড়াপাড়ায় অনার্স ভর্তি কোচিং করতে যান এবং সেখান থেকে অভিযুক্ত মামুনের সাথে তার পরিচয় হয়।
প্রাথমিক তথ্যে জানা যায় যে গত ১৬ ই সেপ্টেম্বর ঢাকার মেঘঘাটিতে বিরোধেরজেরেই রাকিব ইসলাম হত্যার শিকার হয়। এর দুই দিন পর নিজ বাড়িতে লাশ নিয়ে আসেন মামুন পরে নিজ বাড়ির পাশে পুতে রাখেন এবং এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে রাকিব কে জীবিত দেখিয়ে ভিডিও তৈরি করে ৪ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন নিহত রাকিবের পরিবারের কাছ থেকে।
অভিযুক্ত মামুন নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার বালাপাড়া ইউনিয়নের ২ নং ওয়াডের বসুনিয়াপাড়া এলাকার আফসার আলীর ছেলে। রাকিবকে হত্যার পর মামুন মরদেহ টি একটি বাক্সে করে ঢাকা থেকে কুরিয়ার এর মাধ্যমে নিজ উপজেলা ডিমলায় নিয়ে আসেন পরে বাড়িতে নিয়ে গিয়ে পচা মাছ বলে বাড়ির পাশে পুতে রাখেন।
এ বিষয়ে ডিমলা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আশরাফুল আলমের সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বলেন ঢাকা পুলিশের কাছ থেকে আমরা একটি বার্তা পাই যে ডিমলা থানার বালাপাড়া ইউনিয়নের বামুনিয়াপাড়ায় ঢাকা থেকে একটি লাশ এনে পুতে রাখা হয়েছে , পরে ঢাকা পুলিশের একটি তদন্ত টিম আমাদের সহায়তা নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্ত মামুন কে আটক করে এবং তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে মাটি খুড়ে নিহত রাকিবের লাশ উদ্ধার করা হয়। এবং লাশ ময়নাতদন্ত শেষে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে এবং গ্রেপ্তার মামুনকে ঢাকার তদন্তকারী দলের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
বিষয় : ডিমলার খবর লাশ উদ্ধার

বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকায় যুবকে হত্যার পর নিজ বাড়ি নীলফামারীর ডিমলায় পুতে রাখার অভিযোগ উঠেছে মামুন নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে । মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা থেকে পুলিশের একটি তদন্ত টিম নীলফামারীর ডিমলা থানার সহায়তায় সন্দেহভাজন মামুনকে আটক করে , পরে তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে তদন্তকারী পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মাটি খুঁড়ে হত্যার শিকার হওয়া রাকিবের লাশ উদ্ধার করে।
নিহত রাকিব ইসলাম টাঙ্গাইলের গোপালপুর এলাকার খাদেমুল ইসলামের ছেলে এবং ঢাকার মিরপুর ১০ এলাকার কাফরুল থানার শ্যাওড়াপাড়ায় অনার্স ভর্তি কোচিং করতে যান এবং সেখান থেকে অভিযুক্ত মামুনের সাথে তার পরিচয় হয়।
প্রাথমিক তথ্যে জানা যায় যে গত ১৬ ই সেপ্টেম্বর ঢাকার মেঘঘাটিতে বিরোধেরজেরেই রাকিব ইসলাম হত্যার শিকার হয়। এর দুই দিন পর নিজ বাড়িতে লাশ নিয়ে আসেন মামুন পরে নিজ বাড়ির পাশে পুতে রাখেন এবং এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে রাকিব কে জীবিত দেখিয়ে ভিডিও তৈরি করে ৪ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন নিহত রাকিবের পরিবারের কাছ থেকে।
অভিযুক্ত মামুন নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার বালাপাড়া ইউনিয়নের ২ নং ওয়াডের বসুনিয়াপাড়া এলাকার আফসার আলীর ছেলে। রাকিবকে হত্যার পর মামুন মরদেহ টি একটি বাক্সে করে ঢাকা থেকে কুরিয়ার এর মাধ্যমে নিজ উপজেলা ডিমলায় নিয়ে আসেন পরে বাড়িতে নিয়ে গিয়ে পচা মাছ বলে বাড়ির পাশে পুতে রাখেন।
এ বিষয়ে ডিমলা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আশরাফুল আলমের সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বলেন ঢাকা পুলিশের কাছ থেকে আমরা একটি বার্তা পাই যে ডিমলা থানার বালাপাড়া ইউনিয়নের বামুনিয়াপাড়ায় ঢাকা থেকে একটি লাশ এনে পুতে রাখা হয়েছে , পরে ঢাকা পুলিশের একটি তদন্ত টিম আমাদের সহায়তা নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্ত মামুন কে আটক করে এবং তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে মাটি খুড়ে নিহত রাকিবের লাশ উদ্ধার করা হয়। এবং লাশ ময়নাতদন্ত শেষে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে এবং গ্রেপ্তার মামুনকে ঢাকার তদন্তকারী দলের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন