রংপুরের তারাগঞ্জে রংপুর–সৈয়দপুর মহাসড়কে ঘটে গেছে এক ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যাত্রীবাহী বাস রোড ডিভাইডারে উঠে দুমড়ে-মুচড়ে যাওয়ার ঘটনায় বাসের হেলপার ঘটনাস্থলেই নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন বাসের অন্তত ৩০ থেকে ৩৫ জন যাত্রী।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টার দিকে তারাগঞ্জ উপজেলার ইকরচালি বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত হেলপারের নাম এনামুল হক (২৭)। তিনি রংপুর সদর উপজেলার পাগলাপীর এলাকার বাসিন্দা।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সৈয়দপুর থেকে ছেড়ে আসা ‘এ আর ট্রাভেলস’ নামের যাত্রীবাহী বাসটি তারাগঞ্জের ইকরচালি এলাকায় পৌঁছালে হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ হারায়। এ সময় বাসটি মহাসড়কের ডিভাইডারের ওপর উঠে গিয়ে সজোরে ধাক্কা দেয় এবং ডিভাইডারের ওপর দিয়ে প্রায় ৫০ গজ দূরে গিয়ে দুমড়ে-মুচড়ে থমকে দাঁড়ায়।
বাসটি ডিভাইডারে ধাক্কা খাওয়ার সাথে সাথে দরজায় থাকা হেলপার এনামুল হক ছিটকে নিচে পড়ে বাসের নিচে চাপা পড়েন। এতে ঘটনাস্থলেই তার করুণ মৃত্যু হয়। এ সময় বাসের ভেতরে থাকা যাত্রীদের মাঝে চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু হয় এবং অন্তত ২৫ থেকে ৩০ জন যাত্রী মারাত্মকভাবে আহত হন।
দুর্ঘটনার পরপরই স্থানীয়রা ছুটে আসেন এবং উদ্ধার কাজ শুরু করেন। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় তারাগঞ্জ হাইওয়ে পুলিশ ও তারাগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। তারা আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত তারাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।
দুর্ঘটনার ফলে রংপুর–সৈয়দপুর মহাসড়কে কিছুক্ষণ যান চলাচল ব্যাহত হয়। পরে হাইওয়ে পুলিশ দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি সরিয়ে নিলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। নিহতের মরদেহ বর্তমানে তারাগঞ্জ হাইওয়ে পুলিশ হেফাজতে রয়েছে। ঘটনার বিস্তারিত অনুসন্ধানে কাজ করছে পুলিশ।
বিষয় : তারাগঞ্জ সড়ক দুর্ঘটনা রংপুরের খবর

বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ অক্টোবর ২০২৬
রংপুরের তারাগঞ্জে রংপুর–সৈয়দপুর মহাসড়কে ঘটে গেছে এক ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যাত্রীবাহী বাস রোড ডিভাইডারে উঠে দুমড়ে-মুচড়ে যাওয়ার ঘটনায় বাসের হেলপার ঘটনাস্থলেই নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন বাসের অন্তত ৩০ থেকে ৩৫ জন যাত্রী।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টার দিকে তারাগঞ্জ উপজেলার ইকরচালি বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত হেলপারের নাম এনামুল হক (২৭)। তিনি রংপুর সদর উপজেলার পাগলাপীর এলাকার বাসিন্দা।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সৈয়দপুর থেকে ছেড়ে আসা ‘এ আর ট্রাভেলস’ নামের যাত্রীবাহী বাসটি তারাগঞ্জের ইকরচালি এলাকায় পৌঁছালে হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ হারায়। এ সময় বাসটি মহাসড়কের ডিভাইডারের ওপর উঠে গিয়ে সজোরে ধাক্কা দেয় এবং ডিভাইডারের ওপর দিয়ে প্রায় ৫০ গজ দূরে গিয়ে দুমড়ে-মুচড়ে থমকে দাঁড়ায়।
বাসটি ডিভাইডারে ধাক্কা খাওয়ার সাথে সাথে দরজায় থাকা হেলপার এনামুল হক ছিটকে নিচে পড়ে বাসের নিচে চাপা পড়েন। এতে ঘটনাস্থলেই তার করুণ মৃত্যু হয়। এ সময় বাসের ভেতরে থাকা যাত্রীদের মাঝে চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু হয় এবং অন্তত ২৫ থেকে ৩০ জন যাত্রী মারাত্মকভাবে আহত হন।
দুর্ঘটনার পরপরই স্থানীয়রা ছুটে আসেন এবং উদ্ধার কাজ শুরু করেন। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় তারাগঞ্জ হাইওয়ে পুলিশ ও তারাগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। তারা আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত তারাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।
দুর্ঘটনার ফলে রংপুর–সৈয়দপুর মহাসড়কে কিছুক্ষণ যান চলাচল ব্যাহত হয়। পরে হাইওয়ে পুলিশ দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি সরিয়ে নিলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। নিহতের মরদেহ বর্তমানে তারাগঞ্জ হাইওয়ে পুলিশ হেফাজতে রয়েছে। ঘটনার বিস্তারিত অনুসন্ধানে কাজ করছে পুলিশ।

আপনার মতামত লিখুন