ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার মধুপুর (বকুলের দিঘী) বাজার এলাকায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে মাদকদ্রব্যসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করেছে প্রশাসন। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে পরিচালিত এ অভিযানে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আহসান উল হক ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।
আটক ব্যক্তিরা হলেন—আব্বাস আলী ও দুলাল চন্দ্র। অভিযানের সময় তাদের কাছ থেকে মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও তদন্তে তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য বহন ও সংশ্লিষ্ট অপরাধের সত্যতা পাওয়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হলে তাৎক্ষণিকভাবে শাস্তি প্রদান করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের রায়ে আব্বাস আলীকে ২ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ১ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। একই সঙ্গে দুলাল চন্দ্রকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মাদকের বিস্তার রোধ এবং সমাজকে মাদকমুক্ত রাখতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। মাদক ব্যবসায়ী ও সেবনকারীদের বিরুদ্ধে সরকারের 'জিরো টলারেন্স' নীতির আলোকে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত থাকবে। মাদক নির্মূলে প্রশাসনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষকেও সচেতন হয়ে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
এলাকাবাসী প্রশাসনের এ ধরনের অভিযানকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে নিয়মিত অভিযান পরিচালিত হলে যুবসমাজ মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা পাবে এবং এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরও উন্নতি হবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।

রোববার, ১৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ জুলাই ২০২৬
ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার মধুপুর (বকুলের দিঘী) বাজার এলাকায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে মাদকদ্রব্যসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করেছে প্রশাসন। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে পরিচালিত এ অভিযানে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আহসান উল হক ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।
আটক ব্যক্তিরা হলেন—আব্বাস আলী ও দুলাল চন্দ্র। অভিযানের সময় তাদের কাছ থেকে মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও তদন্তে তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য বহন ও সংশ্লিষ্ট অপরাধের সত্যতা পাওয়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হলে তাৎক্ষণিকভাবে শাস্তি প্রদান করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের রায়ে আব্বাস আলীকে ২ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ১ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। একই সঙ্গে দুলাল চন্দ্রকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মাদকের বিস্তার রোধ এবং সমাজকে মাদকমুক্ত রাখতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। মাদক ব্যবসায়ী ও সেবনকারীদের বিরুদ্ধে সরকারের 'জিরো টলারেন্স' নীতির আলোকে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত থাকবে। মাদক নির্মূলে প্রশাসনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষকেও সচেতন হয়ে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
এলাকাবাসী প্রশাসনের এ ধরনের অভিযানকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে নিয়মিত অভিযান পরিচালিত হলে যুবসমাজ মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা পাবে এবং এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরও উন্নতি হবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।

আপনার মতামত লিখুন