ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার বড়গাঁও ইউনিয়নের কিসমত কেশুরবাড়ী এলাকায় মোবাইল ফোনে ডেকে নিয়ে নজরুল ইসলাম (২৬) নামে এক যুবককে সংঘবদ্ধভাবে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। গুরুতর আহত অবস্থায় কয়েকদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর গত ২৩ জুলাই রাতে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, মোবাইল ফোনে ডেকে নেওয়ার পর নজরুল ইসলামকে সংঘবদ্ধভাবে মারধর করা হয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে তাকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কয়েকদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর অবস্থার অবনতি হলে ২৩ জুলাই রাতে তিনি মারা যান।
এ ঘটনায় নিহতের বাবা বাদী হয়ে ভূল্লী থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলায় শাজাহান আলী, নিহতের স্ত্রীসহ সাতজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া আরও ২-৩ জন অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে এজাহারভুক্ত এক নম্বর আসামি মোহাম্মদ শাজাহান আলীকে গ্রেফতার করেছে। পরে তাকে আদালতে পাঠানো হয়।
ভূল্লী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নূরে আলম সিদ্দিকী বলেন, “হত্যা মামলার এক নম্বর এজাহারভুক্ত আসামি মোহাম্মদ শাজাহান আলীকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। তদন্তের স্বার্থে অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। প্রাপ্ত তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
পুলিশ জানিয়েছে, মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ ও সংশ্লিষ্টদের ভূমিকা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হবে।
বিষয় : ঠাকুরগাঁও সংবাদ

শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুলাই ২০২৬
ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার বড়গাঁও ইউনিয়নের কিসমত কেশুরবাড়ী এলাকায় মোবাইল ফোনে ডেকে নিয়ে নজরুল ইসলাম (২৬) নামে এক যুবককে সংঘবদ্ধভাবে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। গুরুতর আহত অবস্থায় কয়েকদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর গত ২৩ জুলাই রাতে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, মোবাইল ফোনে ডেকে নেওয়ার পর নজরুল ইসলামকে সংঘবদ্ধভাবে মারধর করা হয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে তাকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কয়েকদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর অবস্থার অবনতি হলে ২৩ জুলাই রাতে তিনি মারা যান।
এ ঘটনায় নিহতের বাবা বাদী হয়ে ভূল্লী থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলায় শাজাহান আলী, নিহতের স্ত্রীসহ সাতজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া আরও ২-৩ জন অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে এজাহারভুক্ত এক নম্বর আসামি মোহাম্মদ শাজাহান আলীকে গ্রেফতার করেছে। পরে তাকে আদালতে পাঠানো হয়।
ভূল্লী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নূরে আলম সিদ্দিকী বলেন, “হত্যা মামলার এক নম্বর এজাহারভুক্ত আসামি মোহাম্মদ শাজাহান আলীকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। তদন্তের স্বার্থে অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। প্রাপ্ত তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
পুলিশ জানিয়েছে, মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ ও সংশ্লিষ্টদের ভূমিকা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন