রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার সয়ার ইউনিয়নের ‘বটতলী নমিরুল দাখিল মাদ্রাসা’ থেকে এবারের দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ৫ জন পরীক্ষার্থীর কেউই পাস করতে পারেনি। ১৪ জন এমপিওভুক্ত শিক্ষক থাকার পরও শতভাগ শিক্ষার্থী ফেল করায় ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
গত সোমবার (১০ আগষ্ট) দেশব্যাপী এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর এই হতাশাজনক চিত্র সামনে আসে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) শাহিনুর ইসলাম।
প্রতিষ্ঠানটি সরেজমিনে ঘুরে এবং সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, সব শ্রেণি মিলিয়ে মাদ্রাসাটিতে কাগজ-কলমে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১৫০ জন দেখানো হলেও বাস্তবে প্রতিদিন উপস্থিতি থাকে মাত্র ৪০ থেকে ৫০ জনের মতো। বাকি শিক্ষার্থীদের অস্তিত্ব কেবল নথিপত্রেই সীমাবদ্ধ।
শিক্ষার্থীর এই সংখ্যা দেখিয়ে মাদ্রাসাটিতে দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষক-কর্মচারীরা এমপিও সুবিধা ভোগ করে আসছেন। বর্তমানে এখানে ১৪ জন শিক্ষক এবং ৩ জন কর্মচারী নিয়মিত সরকারি বেতন-ভাতা গ্রহণ করছেন। অভিযোগ রয়েছে, গত দুই যুগ ধরে এভাবেই খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে ও অনিয়মের মধ্য দিয়ে চলছে প্রতিষ্ঠানটি।
এলাকার শিক্ষানুরাগী ও স্থানীয় বাসিন্দা আমজাদ হোসেন হতাশা প্রকাশ করে বলেন:
"গ্রামাঞ্চলে শিক্ষার আলো ছড়াতে এলাকাবাসী কষ্ট করে মাদ্রাসাটি স্থাপন করেছিল। অথচ টিচাররা শুধু আসেন, যান আর সরকারি বেতন খান। শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার ওপর তাঁদের কোনো নজর নেই। বছরের শুরুতে নতুন শিক্ষার্থী ভর্তির বিষয়েও শিক্ষকদের কোনো আগ্রহ থাকে না। এমন লজ্জাজনক ফলাফল পুরো এলাকাকে হতাশ করেছে।"
এ বিষয়ে তারাগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) শাহিনুর ইসলাম জানান, ফলাফল ও সামগ্রিক বিষয় পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে। বিধি অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ আগস্ট ২০২৬
রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার সয়ার ইউনিয়নের ‘বটতলী নমিরুল দাখিল মাদ্রাসা’ থেকে এবারের দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ৫ জন পরীক্ষার্থীর কেউই পাস করতে পারেনি। ১৪ জন এমপিওভুক্ত শিক্ষক থাকার পরও শতভাগ শিক্ষার্থী ফেল করায় ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
গত সোমবার (১০ আগষ্ট) দেশব্যাপী এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর এই হতাশাজনক চিত্র সামনে আসে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) শাহিনুর ইসলাম।
প্রতিষ্ঠানটি সরেজমিনে ঘুরে এবং সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, সব শ্রেণি মিলিয়ে মাদ্রাসাটিতে কাগজ-কলমে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১৫০ জন দেখানো হলেও বাস্তবে প্রতিদিন উপস্থিতি থাকে মাত্র ৪০ থেকে ৫০ জনের মতো। বাকি শিক্ষার্থীদের অস্তিত্ব কেবল নথিপত্রেই সীমাবদ্ধ।
শিক্ষার্থীর এই সংখ্যা দেখিয়ে মাদ্রাসাটিতে দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষক-কর্মচারীরা এমপিও সুবিধা ভোগ করে আসছেন। বর্তমানে এখানে ১৪ জন শিক্ষক এবং ৩ জন কর্মচারী নিয়মিত সরকারি বেতন-ভাতা গ্রহণ করছেন। অভিযোগ রয়েছে, গত দুই যুগ ধরে এভাবেই খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে ও অনিয়মের মধ্য দিয়ে চলছে প্রতিষ্ঠানটি।
এলাকার শিক্ষানুরাগী ও স্থানীয় বাসিন্দা আমজাদ হোসেন হতাশা প্রকাশ করে বলেন:
"গ্রামাঞ্চলে শিক্ষার আলো ছড়াতে এলাকাবাসী কষ্ট করে মাদ্রাসাটি স্থাপন করেছিল। অথচ টিচাররা শুধু আসেন, যান আর সরকারি বেতন খান। শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার ওপর তাঁদের কোনো নজর নেই। বছরের শুরুতে নতুন শিক্ষার্থী ভর্তির বিষয়েও শিক্ষকদের কোনো আগ্রহ থাকে না। এমন লজ্জাজনক ফলাফল পুরো এলাকাকে হতাশ করেছে।"
এ বিষয়ে তারাগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) শাহিনুর ইসলাম জানান, ফলাফল ও সামগ্রিক বিষয় পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে। বিধি অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন