ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে বাড়ির পাশে থাকা ডোবায় পানিতে ডুবে সাঈদ নামে পাঁচ বছরের এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
রোববার (৩০ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার বড়বাড়ি ইউনিয়নের নয়াপাড়া গ্রামে এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত শিশু সাঈদ ওই গ্রামের মো. আপেল আলীর ছেলে।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, রোববার দুপুরে বাড়ির আশপাশে অবস্থান করছিল শিশু সাঈদ। একপর্যায়ে সবার অজান্তে সে বাড়ির পাশে থাকা একটি ডোবার পানিতে পড়ে যায়।
কিছু সময় পর শিশুটিকে দেখতে না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে বাড়ির পাশের ডোবায় শিশুটিকে দেখতে পেয়ে দ্রুত তাকে পানি থেকে উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারের পর পরিবারের সদস্যরা শিশুটিকে দ্রুত বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুটিকে পরীক্ষা করে মৃত ঘোষণা করেন।
শিশুটির এমন আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবারে নেমে এসেছে গভীর শোক। স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে পরিবেশ। স্থানীয়দের মধ্যেও ঘটনাটি নিয়ে শোকের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, বাড়ির আশপাশে থাকা ডোবা, পুকুরসহ পানির উৎসগুলোর বিষয়ে শিশুদের নিরাপত্তার জন্য পরিবারের সদস্যদের আরও সতর্ক থাকা প্রয়োজন। বিশেষ করে ছোট শিশুদের একা বাইরে যেতে না দেওয়া এবং বাড়ির আশপাশের পানির জায়গাগুলোতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেন তারা।
একটি ছোট্ট শিশুর এমন করুণ মৃত্যু আবারও মনে করিয়ে দিল—বাড়ির আশপাশে থাকা ডোবা, পুকুর কিংবা অন্যান্য জলাশয়ের ব্যাপারে সামান্য অসতর্কতাও কতটা মর্মান্তিক পরিণতি ডেকে আনতে পারে।
এদিকে, এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ বা আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ আগস্ট ২০২৬
ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে বাড়ির পাশে থাকা ডোবায় পানিতে ডুবে সাঈদ নামে পাঁচ বছরের এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
রোববার (৩০ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার বড়বাড়ি ইউনিয়নের নয়াপাড়া গ্রামে এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত শিশু সাঈদ ওই গ্রামের মো. আপেল আলীর ছেলে।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, রোববার দুপুরে বাড়ির আশপাশে অবস্থান করছিল শিশু সাঈদ। একপর্যায়ে সবার অজান্তে সে বাড়ির পাশে থাকা একটি ডোবার পানিতে পড়ে যায়।
কিছু সময় পর শিশুটিকে দেখতে না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে বাড়ির পাশের ডোবায় শিশুটিকে দেখতে পেয়ে দ্রুত তাকে পানি থেকে উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারের পর পরিবারের সদস্যরা শিশুটিকে দ্রুত বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুটিকে পরীক্ষা করে মৃত ঘোষণা করেন।
শিশুটির এমন আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবারে নেমে এসেছে গভীর শোক। স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে পরিবেশ। স্থানীয়দের মধ্যেও ঘটনাটি নিয়ে শোকের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, বাড়ির আশপাশে থাকা ডোবা, পুকুরসহ পানির উৎসগুলোর বিষয়ে শিশুদের নিরাপত্তার জন্য পরিবারের সদস্যদের আরও সতর্ক থাকা প্রয়োজন। বিশেষ করে ছোট শিশুদের একা বাইরে যেতে না দেওয়া এবং বাড়ির আশপাশের পানির জায়গাগুলোতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেন তারা।
একটি ছোট্ট শিশুর এমন করুণ মৃত্যু আবারও মনে করিয়ে দিল—বাড়ির আশপাশে থাকা ডোবা, পুকুর কিংবা অন্যান্য জলাশয়ের ব্যাপারে সামান্য অসতর্কতাও কতটা মর্মান্তিক পরিণতি ডেকে আনতে পারে।
এদিকে, এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ বা আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন