রংপুর    শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬
জুফাস নিউজ
আপডেট : শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬

চার বছর ছয় মাস পর হত্যা সন্দেহে কবর থেকে লাশ উত্তোলন

চার বছর ছয় মাস পর হত্যা সন্দেহে কবর থেকে লাশ উত্তোলন
ছবি: সংগৃহীত

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার ধনীবস্তি গ্রামে দীর্ঘ চার বছর ছয় মাস পর কবর থেকে একটি লাশ উত্তোলন করা হয়েছে।

জানা গেছে, ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ২০ মাঘ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ ও ১ রজব ১৪৪৩ হিজরি তারিখে ওই ব্যক্তির মৃত্যু হলে তাকে ধনীবস্তি গ্রামে দাফন করা হয়।

মামলার বাদী হায়দার আলী দাবি করেন, তার ভাইকে হত্যা করা হয়েছে। তবে মৃত্যুর সময় পরিবারের সদস্যরা হত্যার বিষয়টি বুঝতে পারেননি। ফলে স্বাভাবিক মৃত্যু মনে করে তাকে দাফন করা হয়।

পরবর্তীতে তার মৃত্যুকে ঘিরে সন্দেহ সৃষ্টি হলে হায়দার আলী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করেন এবং লাশ উত্তোলন করে ময়নাতদন্তের মাধ্যমে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ণয়ের আবেদন জানান।

এরই পরিপ্রেক্ষিতে বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে এবং সিআইডির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের তত্ত্বাবধানে দীর্ঘ চার বছর ছয় মাস পর কবর থেকে লাশটি উত্তোলন করা হয়।

পরে ময়নাতদন্ত ও প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য লাশটি নিয়ে যাওয়া হয়।

দীর্ঘ সময় পর কবর থেকে লাশ উত্তোলনের ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

তবে বাদীর পক্ষ থেকে হত্যার অভিযোগ করা হলেও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না।

ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং সিআইডির তদন্তের মাধ্যমে এই মৃত্যুর প্রকৃত রহস্য উদঘাটন হবে—এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয়দের।

বিষয় : বালিয়াডাঙ্গীর খবর ঠাকুরগাঁও সংবাদ মৃত্যু

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
জুফাস নিউজ

শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬


চার বছর ছয় মাস পর হত্যা সন্দেহে কবর থেকে লাশ উত্তোলন

প্রকাশের তারিখ : ২৭ আগস্ট ২০২৬

featured Image

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার ধনীবস্তি গ্রামে দীর্ঘ চার বছর ছয় মাস পর কবর থেকে একটি লাশ উত্তোলন করা হয়েছে।

জানা গেছে, ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ২০ মাঘ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ ও ১ রজব ১৪৪৩ হিজরি তারিখে ওই ব্যক্তির মৃত্যু হলে তাকে ধনীবস্তি গ্রামে দাফন করা হয়।

মামলার বাদী হায়দার আলী দাবি করেন, তার ভাইকে হত্যা করা হয়েছে। তবে মৃত্যুর সময় পরিবারের সদস্যরা হত্যার বিষয়টি বুঝতে পারেননি। ফলে স্বাভাবিক মৃত্যু মনে করে তাকে দাফন করা হয়।

পরবর্তীতে তার মৃত্যুকে ঘিরে সন্দেহ সৃষ্টি হলে হায়দার আলী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করেন এবং লাশ উত্তোলন করে ময়নাতদন্তের মাধ্যমে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ণয়ের আবেদন জানান।

এরই পরিপ্রেক্ষিতে বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে এবং সিআইডির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের তত্ত্বাবধানে দীর্ঘ চার বছর ছয় মাস পর কবর থেকে লাশটি উত্তোলন করা হয়।

পরে ময়নাতদন্ত ও প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য লাশটি নিয়ে যাওয়া হয়।

দীর্ঘ সময় পর কবর থেকে লাশ উত্তোলনের ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

তবে বাদীর পক্ষ থেকে হত্যার অভিযোগ করা হলেও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না।

ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং সিআইডির তদন্তের মাধ্যমে এই মৃত্যুর প্রকৃত রহস্য উদঘাটন হবে—এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয়দের।


জুফাস নিউজ

সম্পাদক ও প্রকাশক: খাদেমুল বাশার রিফাত


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত জুফাস নিউজ